ঘাটাইলে চাঁই বিক্রির ধুম
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=193840 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৮ ১৪২৭,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ঘাটাইলে চাঁই বিক্রির ধুম

এবিএম আতিকুর রহমান ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩০ ১৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৯:৩৫ ১৩ জুলাই ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বর্ষায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের খাল ও বিলে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ। উপজেলার বিভিন্ন নিচু জমিতে বর্ষায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মিঠা পানির মাছ ধরা পড়ছে। তাই কদর বেড়েছে মাছ ধরার বিভিন্ন ফাঁদ বা চাঁইয়ের। ঘাটাইলে এসব উপকরণ তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে বেশ কিছু পরিবার।

সাগরদিঘী বাজারে মাছ ধরার ফাঁদ বিক্রি করতে আসা লক্ষিন্দর ইউপির সামেজ উদ্দিন জানান, প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি মাছ ধরার এসব সামগ্রী তৈরির কাজে জড়িত। বর্ষায় এসব মাছ ধরার সামগ্রীর কদরও বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই চাঁই, বুরুন, দোয়ারি, ছোট পার, বড় পারসহ বিভিন্ন উপকরণ তৈরি করা হয়। বাঁশ, সূতা ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে এসব উপকরণ তৈরি করা হয়। 

উপজেলার সাগরদিঘী ইউপির বেতুয়াপাড়া গ্রামের লোকমান আলীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারের সব সদস্য মিলে তৈরি করছেন মাছ ধরার বিভিন্ন ফাঁদ। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে তাদের চাঁই তৈরির কাজ।

সাগরদিঘী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে মাছ ধরার নতুন চাঁই নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। চাঁই বিক্রেতা লোকমান হোসেন জানান, ১০০টি চাঁই তৈরি করতে প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা খরচ হয়, যা বিক্রি করা যায় ছয় থেকে সাত হাজার টাকা। এতে পায় অর্ধেক টাকা লাভ হয়। উপজেলার সাগরদিঘীতে সপ্তাহে দুইদিন হাট বসে। এ দুদিনে মাছ শিকারের উপকরণ বিক্রি করা হয়। 

সাগরদিঘী রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মো. রিপন মিয়া বলেন, দোয়ারি বা চাঁই মাছ ধরার এক ধরনের ফাঁদ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই শিল্প এখন হারাতে বসেছে। 

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা তাহমিনা খানম তামান্না জানান, এসব কারিগরদের জন্য সরকার থেকে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলেও ঘাটাইলে কারিগরদের জন্য সরকার থেকে কোনো ধরনের বরাদ্দ নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ