Alexa গ্রামীণফোনের আয় ১৪ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা

ঢাকা, রোববার   ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১১ ১৪২৬,   ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

গ্রামীণফোনের আয় ১৪ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:২৭ ২৮ জানুয়ারি ২০২০  

সংগৃহীত

সংগৃহীত

ইন্টারনেট সেবার উপর ভর করে ২০১৯ সালে ১৪ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। যা গত বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। বছরটিতে ইন্টারনেট সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ ও ভয়েস থেকে বেড়েছে সাড়ে ৮ শতাংশ।

২০১৯ সালের শেষ প্রান্তিকে মোট রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, যা আগের বছর একই সময়ের তুলনায় ৪.২ শতাংশ বেশি।

চতুর্থ প্রান্তিকে ৭ লাখ নতুন গ্রাহক গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছে। ২০১৯ সাল শেষে আগের বছরের তুলনায় ৫.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে মোট গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৫ লাখ। মোট গ্রাহকের মধ্যে ৪ কোটি ৬ লাখ বা ৫৩.১ শতাংশ গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারকারী।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি বলেন, চমৎকারভাবে বাজার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্কে আমাদের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখার মাধ্যমে আমরা ব্যবসায়িক সাফল্য অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছি। পরিকল্পিত লক্ষ্য অনুযায়ী চতুর্থ প্রান্তিকে ফোরজি সাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার। বছর শেষে আমাদের নেটওয়ার্কে ফোরজি গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ১৯ লাখে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইন্টারনেট সেবা খাতে এর ব্যবহার ও রাজস্ব অর্জন দুটি ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি আমরা।

২৫.৪ শতাংশ মার্জিনসহ ২০১৯ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের মোট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২০ কোটি টাকা। শেষ প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৮১ টাকা।

গ্রামীণফোনের সিএফও ইয়েন্স বেকার বলেন, শক্তিশালী মার্জিন নিয়ে গ্রামীণফোন ২০১৯ সালে ব্যবসায়িক সাফল্য অজর্ন করেছে। চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা তীব্র প্রতিযোগিতার পরও ইন্টারনেট সেবা খাতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জনে সফল হয়েছি। আমাদের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের জন্য আরো বেশি মানসম্মত সুযোগ-সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক নির্মাণ ও বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমাদের বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে। আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আমাদের পরিচালনা পর্ষদ প্রতি শেয়ারে ১৩ টাকা লভ্যাংশের প্রস্তাব করেছেন। এর মাধ্যমে মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়ালো ১৩০ শতাংশ, যা কর পরবর্তী লভ্যাংশের ৫০.৮৬ শতাংশ (৩৫ শতাংশ অর্ন্তবতী লভ্যাংশসহ)।

চতুর্থ প্রান্তিকে নেটওয়ার্ক উন্নয়নে গ্রামীণফোন ৩৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। শেষ প্রান্তিকে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি ৭১৫টি নতুন ফোরজি সাইট করা হয়েছে। ২০১৯ শেষে গ্রামীণফোনের মোট নেটওয়ার্ক সাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫০৮টি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস