গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=40282 LIMIT 1

ঢাকা, রোববার   ০৯ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া

 প্রকাশিত: ০৮:০৯ ৮ জুন ২০১৮   আপডেট: ০০:৪১ ৯ জুন ২০১৮

গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া

গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া

আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই বিশ্বকাপের মহারণ। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বব্যাপীই তুমুল আলোচনা ও বিশ্লেষণে মত্ত ফুটবল সমর্থকরা। ফুটবল মানেই গোলের খেলা। যেখানে বল পজিশনে এগিয়ে থাকা, দূর্দান্ত ড্রিবলিং, অসাধারণ পাস বা ক্রসিং সমর্থকদের আনন্দ দিয়ে থাকলেও ফলাফলের ক্ষেত্রে গোলটাই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। আর গোলবারের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গোলরক্ষকরা। একটি ভুল পাসের মাসুল হয়তো একজন মিড ফিল্ডার পুষিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু একজন গোল রক্ষকের একটি ভুল তাকে ইতিহাসের খলনায়কে পরিণত করে। তাই স্বাভাবিকভাবেই গোল রক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্ববহন করে। 

এবারের বিশ্বকাপেও বেশকিছু গোলরক্ষক, দলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ‘‘ডেইলি বাংলাদেশ’’ এর নিয়মিত আয়োজনে আজ রয়েছেন মেক্সিকান গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া।

২০০৪ সালে আমেরিকায় ওচোয়ার অভিষেক হয় মন্তেরেই এর বিপক্ষে। তিনি তার প্রথম লীগ শিরোপা জিতেন ২০০৫ সালে এবং তিনি ২০১১ সাল পর্যন্ত ক্লাবের প্রধান গোলরক্ষক ছিলেন। এসময় তিনি আমেরিকার হয়ে ২০০ এরও অধিক খেলায় মাঠে নামেন। ২০১১ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফরাসি ক্লাব আজাক্সিওতে যোগ দেন। ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি ক্লাবটিতে মোট তিন মৌসুম কাটান।

২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে খেলায় মেক্সিকো জাতীয় দলে ওচোয়ার অভিষেক হয়। ঐ খেলায় তারা ২-০ গোলে জয় লাভ করে। ওচোয়া ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপে মেক্সিকোর প্রধান গোলরক্ষক ছিলেন। তিনি দুইটি খেলায় ম্যাচসেরার খেতাবও অর্জন করেন। ২০০৯ সালের কনকাকাফ গোল্ড কাপেও তিনি মেক্সিকোর প্রধান গোলরক্ষক ছিলেন এবং সেবার তারা চ্যাম্পিয়ন হন। এছাড়া তিনি ২০০৬ ও ২০১০ বিশ্বকাপ এবং ২০০৭ কনকাকাফ গোল্ড কাপে মেক্সিকো দলে ছিলেন। অবশ্য তিনি ২০১১ কনকাকাফ গোল্ড কাপেও মেক্সিকো দলে ছিলেন, কিন্তু মাদক পরীক্ষায় ধরা পড়ায় প্রতিযোগিতা থেকে বহিস্কার হন গিয়ের্মো ওচোয়া।

২০১৪ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ওচোয়ার বীরত্বের কথা এখনো ফুটবল সমর্থকদের চোখে লেগে থাকার কথা। মূলত বিশ্বকাপ থেকেই ওচোয়ার উত্থান। ব্রাজিলের একের পর এক আক্রমণককে যিনি এককভাবে প্রতিহত করে মেক্সিকোকে রেখেছিলেন নিরাপদ। যে দূর্গ ভাঙতে পারেন নেইমাররা একের পর এক চেষ্টা চালিয়েও। এমনকি নেইমারের হেডকে রুখে দেয়া গোল সেভকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোল সেভের মধ্যেও পুরো বিশ্বকাপে দূর্দান্ত পারফর্ম করে এলিট ক্লাবদের সুনজর কেড়েছিলেন। আর্সেনাল, লিভারপুলের মতো ক্লাবগুলো তাকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্প্যানিশ লিগের মধ্যম সারির ক্লাব মালাগাকেই বেছে নিয়েছিলেন মেক্সিকোর এই গোলরক্ষক। যদিও সেখানে খুব বেশিদিন স্থায়ী হতে পারেননি। বর্তমানে তিনি বেলজিয়ান ক্লাব স্ট্যান্ডার্ড লীগায় চুক্তিবদ্ধ।
ব্রাজিল বিশ্বকাপের দূর্দান্ত পারফর্মের পর যদিও তিনি আরো ভালো ক্লাব পেতে পারতেন। নিজেকে নিতে পারতেন ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ চূড়ায়। কিন্তু পরিকল্পনাহীনতার কারণে তা করতে পারেননি। এবারের বিশ্বকাপ তাকে হয়তো আরো একটি সুযোগ করে দেবে নিজেকে ওড়ানোর। এই বিশ্বকাপে মেক্সিকান সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই তাকে ঘিরে স্বপ্ন দেখবে ঠিক গত বিশ্বকাপের মতোই দারুণ কিছুর জন্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে