.ঢাকা, বুধবার   ২০ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৫ ১৪২৫,   ১৩ রজব ১৪৪০

গোলআলু রোপণে ব্যস্ত নকলার কৃষক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৮:৪৮ ১ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:৪৮ ১ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরের নকলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা বীজ উৎপাদনের জন্য গোলআলু রোপণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আলু বীজ রোপণের অনুকূল পরিবেশ পাওয়ায় কৃষকরা খুব খুশি।

জেলার চন্দ্রকোনা, চরঅষ্টধর, পাঠাকাটা, টালকী, বানেশ্বরদী ইউপিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর আওতায় আলু চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভালো ফলনের আশায় কৃষকের মুখে অগ্রিম হাসি ফুটে উঠেছে।

তবে শীত বাড়ার সঙ্গে বাড়তে পারে আলু খেতের ঝুঁকি। তাই কৃষি কর্মকর্তাসহ বিএডিসি হিমাগার কর্মকর্তারা পরামর্শ আগাম পরামর্শ সেবা দিতে শুরু করেছেন। মাঠ পর্যায়ে চাষিদের সেবা দানে কৃষি কর্মকর্তা ও বিএডিসি হিমাগার কর্মকর্তারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বিএডিসি’র আওতায় রোপণ করা আলুর বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে।

বিএডিসি নকলা হিমাগারের উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ২৫ ব্লকে প্রায় অর্ধশত আলু চাষিকে নির্বাচন করে ৩০০ একর জমিতে দুইশ’ মেট্রিক টন বিএডিসি’র আলু বীজ লাগানোর কাজ চলছে। এ বছর প্রতি একরে ৬ মেট্রিক টন করে আলু উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।

উপ-সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মো. মিজানুর রহমান বলেন, ২০১৭সালে বিএডিসি’র আওতায় ২৫ ব্লকে আলুচাষ হয়েছিল। তার মধ্যে ডায়মন্ড, গ্র্যানুলা ও কার্ডিনাল জাত বেশি চাষ করা হয়েছিল। বিএডিসি’র উৎপাদিত আলু গ্রেডিং করার পর ন্যায্য মূল্যে কিনে নিয়ে হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিল বিএডিসি কর্তৃপক্ষ। এ বছর হিমাগারে সংরক্ষিত ওই আলুবীজ সরকারের নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। তাতে কৃষকরা আলুবীজ কিনা এবং তাদের উৎপাদিত আলু বিক্রি করায় দুই দিকেই সুবিধা ভোগ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন। তাই এ বছর আলু চাষির সংখ্যা ও পরিমাণ উভয়ই বেড়েছে।

ডেইলি বাংলাদশ/জেএস