গেল বছরে সড়কে নিহত চার হাজার ৪৩৯
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=80008 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৭ ১৪২৭,   ০৪ সফর ১৪৪২

গেল বছরে সড়কে নিহত চার হাজার ৪৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: staff-reporter

 প্রকাশিত: ১৩:৪২ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৪:২৮ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নিরাপদ সড়ক চাই'র (নিসচা) চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, ২০১৮ সালে সারাদেশে বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৪৩৯ জন নিহত হয়েছেন।  আগের বছরের তুলনায় এ প্রাণহানি কিছুটা কমলেও বেড়েছে আতঙ্ক। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে দুর্ঘটনায় নিহতের এ সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬৪৫। আর ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে এ মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছিল দুই হাজার ৪৯৩ জন।

সরকার ও বিআরটিএ দুর্ঘটনা কমাতে আন্তরিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে ৩ হাজার ১০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৪২৫ জন।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

২০১৮ সালের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরার সময় নিসচার চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন আরো জানান, নিহতদের মধ্যে গাড়ি চাপায় এক হাজার ৩৮৫ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫৮৫ জন, উল্টে গিয়ে ২৫৩ জন, খাদে পড়ে ১৩৩ জন এবং অন্যভাবে নিহত হয়েছেন ৬৬৩ জন।

দুর্ঘটনা কবলিত পরিবহনের মধ্যে রয়েছে- ৮৭৯টি বাস, ৭৯৩টি ট্রাক, ৬৩৪টি মোটরসাইকেল, কাভার্ডভ্যান ১১৯টি, মাইক্রোবাস ৬৭টি, নসিমন ৫০টি, প্রাইভেটকার ৪৭টি ও মাহেন্দ্র ৩৮টি।

নিসচা’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দুই হাজার ৩১৬টি দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ১৫২ জন এবং ২০১৭ সালে ৩ হাজার ৩৪৯টি দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ৬৪৫ জন নিহত হয়েছিল।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ২০১৬ সালে সড়কে প্রাণহানির সংখ্যা কমে এসেছিল। কারণ সে সময় সরকার ও বিআরটিএ দুর্ঘটনা কমাতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালায়। তবে পরবর্তী সময়ে এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। এ কারণে বেড়েছে প্রাণহানির সংখ্যা।

এ প্রেক্ষিতে সড়ক দুর্ঘটনার বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধির জন্য ‘অশিক্ষিত চালক, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, জনগণের অসচেতনতা, অনিয়ন্ত্রিত গতিসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে পরিবহন খাতে মালিক-শ্রমিকসহ সব পক্ষের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় এবং সর্বস্তরে ট্রাফিক সচেতনতা বাড়ালে সড়ক দুর্ঘটনার এ হার আরো কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনয় শিল্পী।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এসআইএস