Alexa গায়ের রঙ কালো ইহুদি হওয়ায় বিপাকে পড়েন জনপ্রিয় র‍্যাপার ড্রেক

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬,   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০

গায়ের রঙ কালো ইহুদি হওয়ায় বিপাকে পড়েন জনপ্রিয় র‍্যাপার ড্রেক

খাদিজা তুল কুবরা  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৬ ২৭ জুন ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয় সব সঙ্গীত তারকার মাঝে কানাডিয়ান র‍্যাপার ড্রেক অন্যতম। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে ড্রেকের কোটি কোটি ভক্ত। এদেশেও গড’স প্ল্যান এই গায়কের ভক্তের অভাব নেই। চলুন জেনে নেয়া যাক ড্রেকের জীবনের কিছু অজানা বিষয়- 

১। ড্রেকের পুরো নাম অড্রে ড্রাকা গ্রাহাম। ‘ড্রেক’ ছাড়াও তার আরো কিছু ডাকনাম রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ‘ড্রিজি’, ‘শ্যাম্পেইন পাপি’ ইত্যাদি অন্যতম। 

২। ১৯৮৬ সালের ২৪ অক্টোবর কান্ডার অন্টারিওর টরেন্টোতে জন্ম নেয়া ড্রেকের বয়স ৩২ বছর।

৩। বর্তমানে ড্রেক একজন মেধাবী র‍্যাপার হিসেবে পরিচিত। তবে তার ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল অভিনয় দিয়ে। ড্রাগাসি:দ্য নেক্সট জেনারেশন নামক বিখ্যাত এক আমেরিকান টিভি সিরিজে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শোবিজে পথচলা শুরু হয় ড্রেকের।  

৪। ড্রেকের মা স্যান্ডি একজন কানাডিয়ান ইহুদি। তার বাবা ডেনিস গ্রাহাম একজন আফ্র-আমেরিকান। ড্রেকের বাবা জন্মেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেনিসির মেম্ফিসে। বিখ্যাত রকস্টার জেনি লি লুইসের ড্রামার হিসেবে কাজ করতেন ডেনিস গ্রাহাম। 

৫। শুধু ড্রেকের বাবাই নন, তার পরিবারের অনেকেই সঙ্গীত জগতের সাথে যুক্ত ছিলেন। ড্রেকের চাচা ল্যারি গ্রাহাম ছিলেন প্রয়াত সঙ্গীত তারকা প্রিন্সের বেস গিটারিস্ট। 

৬। ড্রেকের বয়স যখন মাত্র ৫, তখনই তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে। তারপর থেকে ড্রেক তার মায়ের সাথে বসবাস করতে থাকেন যিনি তাকে একজন ইহুদি হিসেবেই বড় করেন। যদিও এখন পর্যন্ত বাবা-মা দু’জনের সাথেই বেশ মধুর সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন ড্রেক। 

৭। কানাডিয়ান হলেও ড্রেক বেশিরভাগ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বাস করেন। এছাড়া কানাডার টরেন্টোতেও তার বাড়ি আছে। 

৮। ড্রেকের উচ্চতা নিয়েও অনেক কৌতূহল আছে তার ভক্তদের মাঝে। জনপ্রিয় এই তারকার উচ্চতাটাও জানিয়ে দেই তাহলে! লম্বায় ড্রেক ঠিক ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১৮২ সেন্টিমিটার)। 

৯। একে তো গায়ের রঙ কালো, তারপর আবার ইহুদি, এ কারণে স্কুলে মানিয়ে নিতে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যায় পড়তেন ড্রেক। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এ কথা নিজেই জানিয়েছেন তিনি। 

১০। অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এক সময় স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলেন ড্রেক। পরে যদিও আবার পড়াশুনা শুরু করেন এবং ২০১২ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন। 

১১। সঙ্গীতের বাইরেও ২০০২ সালে অভিনয়ের জন্য ড্রেক ‘ইয়ং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছিলেন। আর র‍্যাপ সঙ্গীতের জন্য জিতেছেন সঙ্গীত জগতের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। 

১২। অন্য সব র‍্যাপারের মতো শুধু র‍্যাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নিজের গানের মধ্যে স্বাভাবিক ছন্দেও কিছু লাইন রাখেন ড্রেক। 

১২। ড্রেকের সবচেয়ে প্রিয় সেলেব্রেটি ক্রাশ হলেন ক্যাট ডেনিংস। ইভা মেন্ডিসকেও তার দারুণ পছন্দ বলে গুঞ্জন রয়েছে। 

১৩। শরীরে ট্যাটু করাতে দারুণ পছন্দ করেন ড্রেক। তার টুইটার হ্যান্ডেলে কেবলই ট্যাটুর ছড়াছড়ি! 

১৪। ড্রেকের এক ভক্ত একবার বড় হাতের অক্ষরে ‘ড্রেক’ নামটা নিজের কপালে ট্যাটু করেছিল। ভক্তের এই কাণ্ড একেবারেই পছন্দ করেননি ড্রেক। 

১৫। অভিনয়ে নতুন কোনো কাজ না পাওয়ায় এক সময় ড্রেক রেস্টুরেন্ট অথবা বারে ওয়েটারের কাজ নিতে চেয়েছিলেন!

১৬। ২০১৯ এর গ্রীষ্মে ড্রেক ‘আমেরিকা’স মোস্ট ওয়ান্টেড’ ট্যুরে অংশ নেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় সেই শোয়ের মাঝ পথ থেকে তাকে বিদায় নিতে হয়।

১৭। রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের ‘২০০৯ সালের সেরা ২৫ গান’ তালিকায় জায়গা করে নেয় ড্রেকের হিট গান ‘সাকসেসফুল’।

১৮। সঙ্গীত জগতের তারকা রিয়ান্নার সাথেও ২টি গান রেকর্ড করেছেন ড্রেক। গান দু’টি হলো, ‘হোয়াট’স মাই নেম’ ও ‘টেক কেয়ার’। 

১৯। ড্রেকের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্টুডিও অ্যালবাম মুক্তি পায় ২০১০ সালে। সেটির নাম ‘থ্যাংক মি লেটার’। মুক্তির পরপরই আমেরিকা ও কানাডা দুই দেশের টপচার্টে জায়গা করে নেয় অ্যালবামটি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস