গাজীপুরে হত্যা মামলার তিন আসামি আটক

.ঢাকা, বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১০ ১৪২৬,   ১৮ শা'বান ১৪৪০

গাজীপুরে হত্যা মামলার তিন আসামি আটক

গাজীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৩ ১৫ এপ্রিল ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাজীপুর মহানগরীর গজারিয়াপাড়া এলাকার আলেয়া বেগম হত্যা মামলার তিন আসামিকে আটক করেছে র‍্যাব।

রোববার গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন আলেয়ার ছেলে বউ ইসরাত জাহান লিজা এবং লিজার দুই মামা মো. আমির হোসেন এবং মো. নূর হোসেন।

গাজীপুরের পোড়াবাড়ী র‍্যাব-১- এর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভিকটিমের ছেলে আরিফ হোসেন আসামি মোছা. তাহমিনা আক্তার লিজা এর বিবাহিত স্ত্রী, সে তার শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করতো। আসামি মো. আমির হোসেন ও মো. নুর হোসেন আপন দুই ভাই ও ভিকটিমের ছেলের মামা শ্বশুর। তার মা গাজীপুর ন্যাশনাল পার্কে চাকরি করার সুবাদে ন্যাশনাল র্পাকের ভেতর বসবাস করে।

পারিবারিক ও ন্যাশনাল পার্ক এর ভেতরে দোকান নিয়ে ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে গত ৯ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভিকটিম নিজ বাড়ি হতে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে গরু আনতে গেলে আটক আসামিরা পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে অপহরণ করে প্রথমে শ্বাসরোধ ও পরে গলা-পেট কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে আলেয়ার মরদেহ জঙ্গলে লুকিয়ে রাখে।

 গত ১১  এপ্রিল মরদেহ বাড়ির পেছনে পরিত্যক্ত পুকুরে ফেলে দেয়। পরে ১২ এপ্রিল মরদেহ উদ্ধার হয়। ভিকটিমের স্বামী মো. জসিম উদ্দিন জিএমপি গাজীপুর সদর থানায় আটক ওই তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন।   

২২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. মোশারফ হোসেন জানান, আলেয়া বেগম  গত ৯ এপ্রিল বিকেলে মাঠ থেকে গরু আনার  উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। সম্ভাব্য সব স্থানে তাকে খুঁজে না পেয়ে তার স্বামী জসিম উদ্দিন ১০ এপ্রিল গাজীপুর মহানগরের সদর থানায় জিডি করেন। শুক্রবার দুপুরে এলাকাবাসী  স্থানীয় একটি পুকুরে আলেয়ার মরদেহ দেখতে পেয়ে সদর থানা ও র‍্যাব অফিসে খবর দেয়। 

নিহতের স্বামী জসীম উদ্দীনের দাবি, প্রায় এক সপ্তাহ আগে ন্যাশনাল পার্কের দোকানের ব্যবসা নিয়ে শ্বশুর- শাশুড়ির সঙ্গে লিজার কথা কাটাকাটি হয়। পরে লিজা ওই দিন তার মামা আমির হোসেন ও নূর হোসেনকে শ্বশুর বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে তারা জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী আলেয়াকে পার্কের দোকানের ব‍্যবসা ছেড়ে চলে যেতে বলে। তা না হলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায় তারা। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ