.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

গাজীপুরে ডাকাত চক্রের হোতাসহ আটক ৬

গাজীপুর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৯:৫৯ ১১ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:৫৯ ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাজীপুরের আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের হোতাসহ ৬ সদস্য আটক হয়েছে। এসময় স্বর্ণালংকার ও টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার বিকেলে র‌্যাব-১ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আটকরা হলো- শরীয়তপুরের পালং থানার প্রদীপ পোদ্দার, চাঁদপুরের হাইমচর থানার মজোমপুর এলাকার মো. রাসেল, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোকনয়নপুর এলাকার মো. জাকির হোসেন, একই জেলার কালীগঞ্জ থানার গলান মাইজপাড়া এলাকার মো. দুলাল হোসেন, তার স্ত্রী বাগেরহাটের চিতলমারী থানার বড়বাড়িয়ার মোছা. কোকিলা বেগম ওরফে প্রেরণা, মা হাজেরা বেগম ওরফে আজান।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক সারওয়ার বিন কাশেম বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ঢাকা ও গাজীপুরে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত বিভিন্ন বাসা বাড়ি ও স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির পরিকল্পনা করছে এবং কয়েকটি জায়গায় ডাকাতি করছে। এ বিষয়ে র‌্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুরে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ৬ জনকে আটক করে। আটকদের নিকট  থেকে ৬২ দশমিক ৭৫ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার, ৪টি মোবাইল সেট, নগদ ১১ হাজার টাকা,  ২ বোতল স্বর্ণ যাচাই কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়। 

প্রদীপ পোদ্দার এ ডাকাত চক্রের মূলহোতা। তিনি টঙ্গীর আফতাব প্লাজার দ্বিতীয় তলায় পোদ্দার জুয়েলারি স্টোরের কর্ণধার। তার ছত্রছায়ায় একাধিক চক্র আছে যারা ডাকাতির মালামাল নগণ্য মূল্যে তার কাছে বিক্রয় করে থাকে। চক্রের সদস্যরা কেউ আটক বা গ্রেফতার হলে তাদের আইনি সহায়তা দিতে নিয়োগ করেন উকিল। 

র‌্যাব-১ অধিনায়ক আরো বলেন, আটক দুলাল পেশায় একজন কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি উত্তর বাড্ডা থেকে গার্মেন্টস পণ্য কিনে গাজীপুর ও উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতেন। এ সুযোগে বিভিন্ন বাসায় ঢুকে বাসার সদস্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করতেন।

যেসব বাসা বন্ধ থাকতো সেসব বাসার দরজা ভেঙে চক্রের অন্য সদস্যদের সহায়তায় ডাকাতি করতেন। কোনো বাসায় কম সদস্য থাকলে তাদের বেঁধে মালামাল লুট করে নিতেন। কিছুদিন আগে টঙ্গীর একটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির সিসিটিভি ফুটেজে দুলালকে দেখা গেছে। তিনি আগে একাধিকবার আটক হন এবং প্রায় আড়াই বছর কারাভোগ করেন। এরপর জামিনে বের হয়ে আবার একই কাজ শুরু করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ