গরু চুরি ঠেকাতে নির্ঘুম রাত
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=118856 LIMIT 1

ঢাকা, শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

গরু চুরি ঠেকাতে নির্ঘুম রাত

হারুন আনসারী, ফরিদপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪২ ১২ জুলাই ২০১৯  

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় গরু চোরের উপদ্রব আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চল্লিশ দিনে চুরি গেছে ৩৪টি গরু। এছাড়া একই সময়ে ২৭টি বাসাবাড়িতে চুরি হয়েছে। বিশেষ করে কোরবানী ঈদের আগে গরু চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামের গৃহস্থ ও খামারিরা উদ্বিগ্ন। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা।

গত ৯ জুলাই রাতে পৌরসভাধীন গোপালপুরে একটি বাড়ি থেকে গরু চুরি হয়েছে। ওই রাতেই কামারখালী বাজারের এক চাল ব্যবসায়ীর ঘর থেকে ১১১ বস্তা চাল চুরি হয়েছে। এ রাতেই আরো দুটি দোকানের ৩৫ হাজার টাকাসহ অন্যান্য মালামাল চুরি হয়েছে।

এরআগে ৮ জুলাই সোমবার রাতে নওপাড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে গরু চুরির পরের রাতে কামারখালী বাজারের তিনটি দোকানে চুরি হয়। ৬ জুলাই আড়পাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আড়পাড়া এবং শান্তিপুর গ্রাম থেকে দুটি বাড়ি থেকে ৪টি গরু চুরি হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। গত মাসের শেষ সপ্তাহে জাহাপুরে তিনটি বাড়ি থেকে ৭টি গরু চুরি হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা। এছাড়া একই সময়ে আরো দুটি বাড়িতে চুরি হয়েছে।

মেগচামী ইউনিয়নে এসময়ে দুটি বাড়ি থেকে গৃহস্থের ৪টি গরু চুরি হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩লাখ টাকা। বাগাট ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে এসময়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যমানের একটা গাভী চুরি ছাড়াও বাগাট বাজারের একটি দোকানে তালা ভেঙে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়। আর নওপাড়া ইউনিয়নের দড়িবাজার আড়কান্দিতে প্রায় ৬০ হাজার টাকা দামের ১টি গরু চুরি হয়। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের নিকট থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

মেগচামী ইউনিয়নের গরুর খামারী ইছহাক খন্দকার বলেন, গরিব মানুষের সম্বল এসব গরু চোরে নিয়ে গেলে আমরা বাঁচবো কিভাবে? তাই রাতে গরু খামারের সামনেই বিছানা পেতে শুয়ে থাকছি। বাড়ির ছেলেপুলে এমনকি বউঝিরাও গভীর রাতে ঘুম ভেঙে গেলে গরুর খবর নিতে আসে।

মধুখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র মির্জা আব্বাস হোসেন বলেন, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি ছাড়াও এলাকাভিত্তিক পাহারা বসানো জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও তৎপর হওয়া দরকার। নইলে এসব চোরকে ঠেকানো যাবে না।

এ ব্যাপারে মধুখালী থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, গরু চুরি নিয়ে কয়েকটি মামলা হয়েছে। কোড়কদী ইউনিয়ন থেকে ৪ গরু চোরকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া ৩টি গরু। তবে অনেক ঘটনার পরে থানায় অভিযোগ করা হয় না। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম