গরুর মাংস ও মুরগির বাড়তি দামে ক্ষোভ ক্রেতাদের

ঢাকা, শনিবার   ৩০ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭,   ০৬ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

গরুর মাংস ও মুরগির বাড়তি দামে ক্ষোভ ক্রেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১২ ১৯ মে ২০২০   আপডেট: ১৮:৩৭ ১৯ মে ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাকি আছে মাত্র কয়েকদিন। তাই মুরগীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে রাখতে বাজারে ছুটছেন অনেকেই। কিন্তু বাজারে মুরগির দাম বেশি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। এক মাসের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা।

মঙ্গলবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগেও ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হয়। সেই সঙ্গে বেড়েছে দেশি মুরগির দামও। প্রতি কেজি  দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকায়।

রাজধানীর কয়েকজন মুরগি ব্যবসায়ী জানান, করোনাভাইরাসের কারণে মার্চের শেষে অর্থাৎ সাধারণ ছুটি শুরুর প্রথম দিকে মুরগির চাহিদা অনেক কমে যায়। তাই দামও কমে। সে সময় মুরগির ফার্মের মালিকরা নতুন বাচ্চা উৎপাদনে যায়নি। ফলে বাজারে সরবরাহ কম, দাম তুলনামূলক বেশি। ঈদ পর্যন্ত মুরগির দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানান এই ব্যবসায়ীরা।

উত্তরা ৬ নম্বর কাঁচা বাজারে এসেছেন বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, দেশি মুরগির বিকল্প হিসেবে আমরা মধ্যবিত্তরা ব্রয়লার কিনে থাকি। এখন যে দাম তাতে পরিমাণে কম কিনতে হবে। একই অবস্থা বাজার করতে আসা বেসরকারি উন্নয়ন কর্মী রিয়াজুল আলমের। তিনি ঈদ উপলক্ষে গরুর  মাংস ও মুরগিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে এসেছিলেন। কিন্তু মুরগি ও গরুর মাংসের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে যে ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকায় কিনলাম তা এখন ১৮০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে বাজার ভেদে  এর দাম ছিল ৪৯০ থেকে ৫৯০টাকা কেজি। সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা কেজি। কক বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে রোজার শুরু থেকেই বাজার ভেদে গরুর মাংস ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা কেজি।

উত্তরা কাঁচা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী সবুর মিয়া জানান, করোনার কারণে  গরু ও খাসির আমদানি (সরবরাহ)  কম।  যে কারণে দাম বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এই পশুগুলো । তাই বেশি দামেই  বিক্রি করতে হচ্ছে মাংস।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/এসএএম