Alexa ‘খোলাফায়ে রাশেদীন’ (পর্ব- ১)

ঢাকা, শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৫ ১৪২৬,   ২০ মুহররম ১৪৪১

Akash

‘খোলাফায়ে রাশেদীন’ (পর্ব- ১)

 প্রকাশিত: ১৬:৪৬ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:০০ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

‘খোলাফায়ে রাশেদীন’ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হচ্ছে সঠিক পথনির্দেশনাপ্রাপ্ত, ন্যায়নিষ্ঠ ও ন্যায়পরায়ণ খলিফা। ‘খোলাফায় রাশেদীন’ এই ধারণাটির উৎপত্তি ঘটে আব্বাসীয় খেলাফতের সময়ে।

হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি হাদিসে এই শব্দটির উল্লেখ করা হয়েছে , ‘তোমরা আমার ও আমার ন্যায়নিষ্ঠ খলিফাদের (মূল শব্দ: খোলাফায়ে রাশেদীন) আদর্শ শক্ত করে ধর।’ (আবু দাঊদ)

ইসলাম ধর্মের শেষ নবী ও রাসূল হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর সহচরদের মধ্যে চার জন ব্যক্তিকে ‘খোলাফায়ে রাশেদীন’ বলা হয়। তারা প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর মৃত্যুর পর ইসলামী জাহানের নেতৃত্ব দেন। এই চারজন খলিফা বিশ্ব মানবতার জন্য অনেক আদর্শ রেখে গেছেন। 

হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর এই চার সাহাবী ও মুসলিম জাহানের খলিফা হলেন-

(১) হজরত আবু বকর (রা.) (৬৩২-৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দ)

(২) হজরত ওমর ফারুক (রা.) (৬৩৪-৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দ)

(৩) হজরত ওসমান (রা.) (৬৪৪-৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ)

(৪) হজরত আলি (রা.) (৬৫৬-৬৬১ খ্রিষ্টাব্দ)

নিচে খোলাফায়ে রাশেদীনদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

(১) হজরত আবু বকর (রা.):

পরিচিতি: মুসলিম জাহানের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর (রা.) যিনি ছিলেন শেষনবী হজরত মুহম্মাদ (সা.) এর শ্বশুর। বাল্যকালে তার ডাকনাম ছিল আবদুল্লাহ এবং বকর ছিল তার ছেলের নাম। আর সেখান থেকেই আবু বকর বা বকরের বাবা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন তিনি। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি সিদ্দিক বা সত্যবাদী এবং আতিক বা দানশীল উপাধি লাভ করেন। 

তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর দাবীর সত্যতাকে নির্দিধায় সত্য বলে গ্রহণ করেন, যার কারণে তিনি ‘সিদ্দীক’ উপাধি লাভ করেন। মহানবী (সা:) এর মক্কা থেকে মদীনা হিজরতের সময় একমাত্র হজরত আবু বকর (রা.) তার সহযাত্রী ছিলেন। তিনিই একমাত্র সাহাবী যিনি হজরত মোহাম্মাদ (সা.) এর সঙ্গে হিজরতের সেই সফরে ‘সাওর’ গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
 
মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশে ৫৭২ মতান্তরে ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.)। আবু বকরের বাবার নাম ছিল ওসমান কিন্তু ইতিহাসে ‘আবু কুহাফা’ নামেই সুপরিচিত ছিলেন এবং তার মায়ের নাম উম্মুল খায়ের সালমা। আবু বকরের বাবা-মা উভয়ই কোরাইশ বংশের তায়িম গোত্রের বংশদ্ভূত ছিলেন। আবু বকর (রা.) আরবের একজন নামীদামি কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত ছিল যে, কুরাইশ ব্যবসায়ীদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও ধর্মযুদ্ধ:

হজরত মুহাম্মাদ (সা.) যখন নবুয়ত লাভ করেন এবং মানুষকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য দাওয়াত দিতে থাকেন। ওই সময়েই আবু বকর (রা.) বিনা দ্বিধায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মহানবী (সা.) এর হাতে তিনিই প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রতি হজরত আবু বকর (রা.) এর শ্রদ্ধা ও অনুরাগ এত গভীর ছিল যে, বিবি খাদিজার মৃত্যুর পর যখন হজরত মুহাম্মদ (সা.) দিশাহারা হয়ে পরেছিলেন তখন তিনি তার মানসিক চিন্তা দূর করার জন্য নিজের কন্যা বিবি আয়েশা (রা.)-কে নবীজীর সঙ্গে বিবাহ দেন। ৫২২ খ্রিষ্টাব্দে হিজরতে সময় হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর সঙ্গে ছিলেন। আবু বকর (রা.) হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-কে সহযোগিতার একনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। 

হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর জীবদ্দশায় আবু বকর (রা.) অনেকগুলো যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। তাবুকের যুদ্ধে সমস্ত সম্পদ দান করেন এছাড়াও হুদায়বিয়ার সন্ধিতে উপস্থিত থেকে চুক্তির অন্যতম সাক্ষী হয়েছিলেন। বদর, ওহুদ ও খন্দকের যুদ্ধগুলো ছাড়াও হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরের সময় ও মদুনিয়ায় এক ভয়াবহ ও সংশয়পূর্ণ পরিস্থিতির সময়েও আবু বকর ধর্মের পথে অটল ছিলেন।

মুসলিম জাহানের প্রথম খলিফা নির্বাচন: 

হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর কোনো জীবিত পুত্র সন্তান ছিল না এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হওয়ায় মৃত্যুর সময় তিনি উত্তরাধিকারীও মনোনয়ন করেন নাই। নবীজীর জীবদ্দশায় হজরত আবু বকর (রা.) কয়েক বার নামাজে ইমামতি করেছেন। কিন্তু খলিফা নির্বাচনের সময় চারটি দলের উদ্ভব হয়েছিল। দল চারটি হলো- আনসার, মোহাজের, কুরাইশ ও হজরত আলীর সমর্থকবৃন্দ।

আনসারগণদের দাবী ছিল যে, শত বিপদ উপেক্ষা করেও তারা ইসলাম ধর্ম, মহানবী (সা.) ও তার অনুসারীদেরকে রক্ষা করেছেন এবং মদীনায় আশ্রয় দিয়েছিল। তাই তাদের দাবি ছিল তাদের দল থেকেই খলিফা নির্বাচিত হওয়া উচিৎ।

মোহাজেররা, ইসলামের প্রথম বিশ্বাসী ছিল বলে নিজেদের গোত্র থেকে খলিফা নির্বাচনের প্রস্তাব করে।
 
কুরাইশরা ছিল মূলত আরবদের অভিজাত বংশ। এছাড়া তাদের আরো দাবী ছিল যে, তারা মহানবীর সগোত্রের লোক। আর মহানবীও এই কুরাইশ বংশের লোক ছিলেন। তাই তাদের দাবি ছিল যে, তাদের দলের লোককেই খলিফা হিসেবে নিযুক্ত করা উচিৎ।
 
ওই সংকটপূর্ণ সময়ে হজরত আবু বকর ও হজরত ওমর শান্তভাবে বললেন যে, আনসাররা নি:সন্দেহে ইসলামের অনেক খেদমত করেছে, কিন্তু আরবের সাধারণ জনগণ কুরাইশ বংশ হতে খলিফা নির্বাচনে পক্ষপাতী ছিল। পরিস্থিতি আরো জটিল হওয়ার আবু বকর (রা.) খলিফা হিসাবে হজরত ওমর (রা.) বা আবু ওবায়দার নাম উত্থাপন করলেন। কিন্তু তারা উভয়েই প্রত্যাখ্যান করে আবু বকর (রা.) নাম উত্থাপন করেন এবং সকলে মিলে তাকে খলিফা হিসেবে নির্বাচিত করলেন ।

খলিফা হিসেবে আবু বকর সিদ্দিক (রা.):

হজরত আবু বকর (রা.) এর শাসনকালের ব্যাপ্তি ছিল ৬৩২-৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর আবু বকর (রা.)-কে বহুবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। সমস্যাগুলো ইসলামের ভেতর ও বাহির উভয়দিকের ছিল। যেমন: ভণ্ড নবীদের উদ্ভব, ইসলামের আভ্যন্তরীণ বিরোধী শক্তির উত্থান, রিদ্দা আন্দোলন, পারস্য সম্রাটের শত্রুতা ও বিরোধিতা। এছাড়াও হজরত আবু বকর (রা.) বড় আরেকটি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন, তা হলো সেই সময় অনেক লোক জাকাত দিতে অস্বীকার জানায়, কিন্তু ওই সময় ইসলামী রাষ্ট্রের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ এবং অভাবীদের তত্ত্বাবধানের জন্য জাকাতের টাকা অপরিহার্য ছিল। আর তাই হজরত আবু বকর (রা.) প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন যে, প্রতিটি সক্ষম ব্যক্তিকে অবশ্যই জাকাত দিতে হবে আর এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য যাবতীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ছিলেন ।

ভণ্ড নবীদের দমন:

হজরত মুহম্মদ (সা.) এর মৃত্যুর পরবর্তী সময় অনেক ভণ্ড নবীর আবির্ভাব ঘটে। এদের মধ্যে যারা ছিলেন তারা হলো: মুসায়লামা, আসাদ আনসী, সাজহ, তুলায়হা এবং আরো অনেকে। সেসময় বিভিন্ন গোত্রের বিদ্রোহ এবং ভণ্ড নবী পরিচয় দানকারীদের উস্কানিমুলক কার্যকলাপ ইসলামকে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন করে দিয়েছিল। হজরত মুহম্মাদ (সা.) এর সময় আসাদ আনসী আততায়ীর হাতে নিহত হন। আর বাকী সকল ভণ্ড নবীদের হজরত আবুবকর (রা.) রিদ্দা যুদ্ধে শক্ত হাতে দমন করেন। 

রিদ্দা হলো আরবী শব্দ যার অর্থ হলো প্রত্যাবর্তনকরণ। নও-মুসলিমরা যাতে তাদের আগের ধর্মে প্রত্যাবর্তন না করে, এই জন্য রিদ্দার যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। খালিদ বিন ওয়ালিদ ছিলেন আবু বকরের সেনাপতি যিনি নাজদের ভণ্ড নবী পরিচয় দানকারী তুলায়হার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বুচাকার যুদ্ধে তুলায়হাকে পরাজিত করার পর তুলায়হা সিরিয়ায় পলায়ন করে। পরবর্তীতে ক্ষমা করলে তুলায়হা মদীনায় ফিরে আসেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ৬৩৩ খ্রিষ্টাব্দে খালিদ ভণ্ড নবী হিসেবে পরিচয় দানকারী মুসায়লামাকে ইয়ামামার যুদ্ধে পরাজিত করেন। একইভাবে সাজাহও খালিদ এর নিকট পরাজিত হয়।

আবু বকর (রা.) এর খেলাফতে সংঘটিত যুদ্ধ:

হজরত আবু বকর রাদিআল্লাহু আনহুর সময়ে বেশ কিছু যুদ্ধ ও সন্ধি সংঘটিত হয়। যেগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব পরবর্তী সময়ে অনেক ভূমিকা পালন করেছে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর ওফাতের পূর্বে ওসামার নেতৃত্বে সিরিয়ার সীমান্তে একটি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। যার উদ্দেশ্য ছিল মুতার যুদ্ধে নিহত যায়েদ বিন হারিসের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেয়া। কিন্তু পরবর্তীতে বিশেষ কারণে এই অভিযান স্থগিত রাখা হয়। পরবর্তীতে আবু বকর (রা.) খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যায়েদের পুত্র ওসমানের নেতৃত্বে সিরিয়ায় অভিযানে পাঠানো হয়। এরপর রিদ্দার যুদ্ধে ভন্ড নবীদের দমন করা হয়।

খলীফা আবু বকর (রা.) সময়ে ইয়ামামার যুদ্ধ সংঘটিত হয় যেখানে ৩০০ জন হাফিজ শহীদ হন। এত সংখ্যক হাফিজের মৃত্যুতে চিন্তিত হয়ে হজরত ওমর (রা.) পবিত্র কোরআনের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে যায়েদ বিন সাবিতকে পবিত্র কোরআন সংগ্রহ ও সংকলনের দায়িত্ব প্রদান করেন। হজরত আবু বকর (রা.) এর সময়ই পবিত্র কোরআনের প্রথম সংকলন তৈরি হয়। 

ওই সময় বানু বকর গোত্র ইসলাম ত্যাগ করে ইসলামের বিরোধিতা করার কারণে পারস্যে সৈন্য বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলানোর পরেও মুসলমানদের নিকট পরাজিত হতে হয়।

বাহরায়েন যখন বিদ্রোহ করেছিল তখন পারস্যবাসীরা বিদ্রোহীদেরকে সাহায্য করেছিল। আর এই বিষয়টা খালিদ বিন ওয়ালিদ এর কাছে সুবিধার মনে না হওয়ায় উবাল্লা থেকে ৫০ মাইল দক্ষিণে হাফিরের প্রান্তরে উভয় পক্ষের সৈন্যরা মিলিত হয়। ওই সময় খালিদ পারস্য সেনাপতি হরমুজকে সতর্কবাণী পাঠান। ওই যুদ্ধে পারসিক সৈন্যরা পরষ্পরকে শিকলে বেঁধে যুদ্ধ করেছিল ফলে এই যুদ্ধ ‘শৃংঙ্খল-যুদ্ধ’ নামে ইতিহাসে পরিচিত। হাফিরের প্রান্তরে যুদ্ধ হওয়ায় একে হাফিরের যুদ্ধও বলা হয়।

এই সময় কর বিষয়ক একটি সন্ধিপত্র সম্পাদন করা হয়। এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত রাজস্বকে জিজিয়া নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়াও ইরাকে প্রবেশ করে খালিদ চারটি যুদ্ধে বিজয় লাভ করে। সেগুলো হলো: শিকলের যুদ্ধ, নদীর যুদ্ধ, ওয়ালাজার যুদ্ধ ও উলাইসের যুদ্ধ। এগুলো ছাড়াও মুতার যুদ্ধসহ আরো অনেক যুদ্ধে বিজয় লাভ করে মুসলিম বাহিনী। সেই সময় শক্তিশালী রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াসকেও পরাজিত করে মুসলিম বাহিনী।

হজরত আবু বকর (রা.) এর মৃত্যু ও পরবর্তী খলীফা নির্বাচন:

আবু বকর (রা.) শেষ বয়সে বিভিন্ন পীড়ায় ভুগতে থাকেন এবং এক সময় তার পীড়া আশঙ্কাজনক ও গুরুতর হয়ে উঠে। তিনি খলিফা মনোনয়নের জন্য বিশিষ্ট মুসলমানগনকে আহবান জানান এবং সকলের অভিমত গ্রহণ করে সকলের সমর্থনে হজরত ওমর (রা.)-কে খলিফা পদের জন্য তার মনোনয়ন করলেন।

বেশ কিছুদিন রোগে ভোগার পর ২৩ হিজরীর ২২ জামাদি-উস-সানি মোতাবেক ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে ইসলামের প্রথম খলীফা হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) মৃত্যুবরণ করেন। তার মেয়ে আয়েশার ঘরে প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.) এর পাশে তাকে দাফন করা হয়।

হজরত আবু বকর রাদিআল্লাহু আনহুর খেলাফতকাল খুব বেশি দীর্ঘ না হলেও তিনি একজন সার্থক ও সফল শাসক ছিলেন। মুহাম্মাদ (সা.) এর মৃত্যুর পর রিদ্দার যুদ্ধসহ সকল যুদ্ধ এবং তৎকালীন দুই পরাশক্তি পারস্য ও বাইজেন্টাইনদের ওপর বিজয় অভিযান পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও ইসলামের প্রথম খলীফা হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) খেলাফতের দায়িত্ব ও কর্তব্য পরিপূর্ণভাবে পালন করে ইসলামের জন্য যথার্থ অবদান রেখে গেছেন। (চলবে...)

আরো পড়ুন>>> ইসলাম ধর্মের স্তম্ভসমূহ

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে