Alexa খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রয়োজন সংগঠকদের পেশাদারিত্ব

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৫ ১৪২৬,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রয়োজন সংগঠকদের পেশাদারিত্ব

 প্রকাশিত: ১২:২৯ ২৭ এপ্রিল ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

একজন ভাল ছাত্র অনেক সময় ভাল শিক্ষক হন না, ঠিক তেমনি একজন ভাল খেলোয়াড়ও ভাল সংগঠক নাও হতে পারেন। শুধু খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্বে দায়িত্বশীল হওয়ার কথা বলব, অথচ নিজেরা পেশাদারিত্বে সম্মান দেখাব না এটা সঠিক নয়। দেশেরগণ্ডি ছাড়িয়ে ক্রিকেট এখন বিশ্ব ক্রিকেটে অনেক বেশি অগ্রসর। যোগ্যতম দল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটে। তা আরো এগিয়ে নিতে সংগঠকদের পেশাদারিত্বের কোন বিকল্প নেই। দেশের ক্রিকেট, খেলোয়াড় ও সংগঠকদের পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে ডেইলি বাংলাদেশের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ম্যানেজার, বিসিবির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু।

বদরুল হুদা জেনু। দেশের একজন প্রথিতযশা ক্রীড়া সংগঠক। তিনি বাংলাদেশ  ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রথম নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য। ১৯৯৮ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট উপ কমিটির সম্পাদক হিসেবে সাবের হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল থেকে বিসিবি’র নির্বাচন করেন। ১৯৯৮ সালের ৬ থেকে ১৪ নভেম্বর ওয়েষ্ট ইন্ডিজ এ দল ঢাকায় ৩ টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বিপক্ষে। ওই সিরিজে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। পরে একটি তিন দিনের আনঅফিসিয়াল টেষ্ট ম্যাচ খেলে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ-বাংলাদেশ। ওই টেস্টটি ড্র করে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তখন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আর ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লার এই কৃতি সন্তান ক্রিকেট সংগঠক বদরুল হুদা জেনু।

বিসিবির বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যত এবং ১৬ জন ক্রিকেটারের মধ্যে ৬ জনকেই চুক্তির বাহিরে রাখা, দুবাইতে অনুষ্ঠেয় এশিয়াকাপ, আগামী বিপিএলসহ ক্রিকেটের নানা বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ: বিসিবি চুক্তি থেকে ১৬ জন  ক্রিকেটারের মধ্যে ৬ জনকে বাদ দিয়েছে। একসঙ্গে ৬ জন ক্রিকেটারকে এর আগে বাদ দেয়া হয়নি। বিসিবির সাবেক নির্বাহী সদস্য হিসেবে বিষয়টি কিভাবে দেখছেন ?

বদরুল হুদা জেনু: সত্য কথা বলতে কি, আমরা কেউ কেউ  নিজেদের বোর্ডকে বিশ্বের চতুর্থ ধনী বোর্ড হিসেবে বলতে স্বাচ্ছন্দবোধ করি। অথচ বিশ্বের অন্যান্য দেশের বোর্ডে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিমান ক্রিকেটার রয়েছে, তার অর্ধেকও আমাদের নেই। আর এ দিক থেকে অবশ্যই ভারত এগিয়ে। আমাদের এ প্লাস ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা, যেখানে বার্ষিক সম্মানি পায় ৪ লাখ টাকা, সেখানে ভারতের খেলোয়াড়দের দেয়া হয় ৭ কোটি রুপি। তবে এ ক্ষেত্রে বোর্ড ও নির্বাচকমন্ডলী যা ভাল মনে করেছেন, তারা তাই করেছেন। তবে আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও সৌম্য সরকারকে রাখা যেত। কারণ, মোসাদ্দেক ইনজুরির কারণে অনেক ম্যাচ খেলতে পারেনি। তাই সে সেরাটা প্রদর্শন করার সুযোগও, সেভাবে পায়নি। আর সৌম্য সরকার কিন্তু সর্বশেষ টি২০তে একটি অর্ধশতক করেছে। পেসার তাসকিন আহমেদকেও রাখা যেত।

যে কোন ফরম্যাটের জন্যই দল গঠন করি না কেন, তখন দলে ১৪ জন থেকে ১৫ জন খেলোয়াড় রাখা হয়। আর চুক্তি করা হয় মাত্র ১০ জনের সঙ্গে। তার অর্থ কি,  দল গঠনে যে সংখ্যক খেলোয়াড় প্রয়োজন, আমাদের হাতে সেই পরিমান খেলোয়াড় নেই। এ বার্তাটি আমাদের জন্য খুব সুখকর নয়। আর এই প্রক্রিয়াটিই জাতীয় দল গঠনে সামঞ্জস্যপূর্ন নয় বলে আমি মনে করি।

ডেইলি বাংলাদেশ: ৬ ক্রিকেটার বাদ দেয়া প্রসঙ্গে বিসিবি প্রধান জানিয়েছেন, পারফরম্যান্স মূল্যায়নই ছিল একমাত্র মাপকাঠি- এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি ?

বদরুল হুদা জেনু: বিসিবি প্রধান যে কথাটা বলেছেন, সেটা হয়তো তার দৃষ্টিতে ঠিক। আবার এটাও ঠিক যে, তাহলে চুক্তির বাহিরে থাকা অনেকেই, এতদিন লীগ, বিসিএলে নৈপূন্য দেখাচ্ছেন এদের মধ্যে কেউ কি কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আসতে পারতো না?

ডেইলি বাংলাদেশ: আগামী আগস্টে দুবাইতে এশিয়া কাপ হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ফাইনালে গিয়েও শিরোপা অর্জনে ব্যর্থ হয়। এবার দলের পারফরম্যান্স কেমন হতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

বদরুল হুদা জেনু: ফলাফল বা দলের পারফরম্যান্স কেমন হবে কি হবে না সে উত্তর দেয়ার আগে একটি প্রাসঙ্গিক কথা বলতে চাই। আর তা হলো, গেল বার আমাদের সঙ্গে প্রধান কোচ হিসেবে চন্ডিকা হাথুরু সিং ছিল। এবার কিন্তু এককভাবে নিয়ন্ত্রন করা কোন কোচ দলের সঙ্গে নেই। হাথুরুকে নিয়ে অনেক যৌক্তিক সমালোচনা আছে এবং থাকবেও। সে দলের মধ্যে এমন কিছু কাজ করে গেছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে অনেক দিন। তারপরও আমি বলব, প্রতিটি টিমে একজন প্রধান থিংক ট্যাংক প্রয়োজন। যাতে খেলোয়াড়রা সব সময়ই মনে করতে পারে নিজের পেছনে ক্রিকেট ভাবনায় অভিজ্ঞ একজন দক্ষ লোক আছেন। বর্তমানে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের কোর্টনি ওয়ালাস। তিনি একজন উন্নতমানের সাবেক বোলার হলেও কোচ হিসেবে ক্যারিয়ার উল্লেখ করার মত নয়। সুতরাং আমার দৃষ্টিতে, বাংলাদেশ দলে একজন থিংক ট্যাংকের অভাব দেখা দিতে পারে। তবে বাংলাদেশ দল নিদাহাস ট্রফি থেকে যদি অনুপ্রেরণা নিতে পারে, তাহলে চিত্রটা উল্টো হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। আর যদি ফলাফলের কথা বলেন, তাহলে বলব- বর্তমানে বাংলাদেশ ওয়ানডে দল একটি ব্যালান্সড টিম। বিশ্বের যে কোন দলই এখন একদিনের ক্রিকেটে টাইগারদের সমীহ করে। সুতরাং সিনিয়র খেলোয়াড়রা যদি মাঠে দায়িত্ব নিয়ে খেলার পাশাপাশি তরুণদের দলে জায়গা করে দিতে পারলেই ইনশাল্লাহ ফলাফল আমাদের পক্ষেই আসবে।

ডেইলি বাংলাদেশ: এশিয়া কাপে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত পাঁচবার ফাইনালে উঠেও শেষ হাসিটি হাসতে পারেনি। অভিজ্ঞতার অভাব না ফাইনালে উঠার চাপ নেয়ার মানসিকতা সামলাতে না পারায় ফলাফল পক্ষে আসে না?

বদরুল হুদা জেনু: আসলে দুটোই হতে পারে। একেতো আমাদের ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা কম, তার উপর থাকে জয় পাওয়ার তীব্র স্মায়ু চাপ। কারণ, একটি মাত্র খেলায় জয় পেলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া না হওয়ার চাপ থাকে। এই চাপটিই হয়তো আমাদের ক্রিকেটারা নিতে পারছেন না। তীরে এসে তরী ডুবানোর অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা এখন আর ছোট দল নই। যোগ্য দল হিসেবেই ফাইনাল খেলছি। আমার বিপক্ষে যে ফাইনাল খেলছে, সেও আমার মত করেই ফাইনালে উঠেছে- এই মন্ত্রটিই শক্ত করে খেলোয়াড়দের মধ্যে গেথে দিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ: আফগানিস্তান আমাদের সঙ্গে তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল। আমরা তা প্রত্যাখান করে টি২০ খেলতে রাজি হই। ২০১৯ সালে ওডিআই ওয়ার্ল্ড কাপ। এ সময় ওডিআই না খেলা কতটুকু সংগত হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

বদরুল হুদা জেনু: বিসিবি বিষয়টি কোন দৃষ্টিতে দেখছে আমার জানা নেই। যেহেতু সামনে ওয়ার্ল্ড কাপ। বিসিবি হয়তো চাচ্ছিল না, ওয়ার্ল্ড কাপের আগে আফগানরা আমাদের ওডিআই এর শক্তিমত্তা দেখুক। আবার ভেন্যু হিসেবেও সেটি আমাদের কাছে পরিচিত নয়। তবে যে বিবেচনাতেই করুক না কেন, সিদ্ধান্তটি সঠিক হয়েছে মনে করার কোন কারণ নেই্। আমি মনে করি, যখন যেটা সামনে আসবে সেটিকেই অগ্রাধিকার দিয়ে করতে হবে। ২০২০ কে সামনে আনলে স্বাভাবিক ভাবেই ২০১৯ পিছিয়ে যেতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে বিসিবিকে।

ডেইলি বাংলাদেশ: বিসিবি সব সময়ই দাবি করে আইপিএল এর পরই বিপিএল এর অবস্থান। বিগব্যাশসহ অন্যান্য দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট গুলো আমাদের পরে। এ ক্ষেত্রে আমাদের টিভি সম্প্রচারের মান আশানুরুপ বলে মনে হয় কি?

বদরুল হুদা জেনু: এটা বিসিবির মনগড়া দাবি। বিসিবির কেউ কেউ আরেকটি দাবিও করে আর তা হলো- আমাদের ক্রিকেট বোর্ড নাকি বিশ্বের চতুর্থ ধনী বোর্ড। যদি বলি, এত ধনী হলে জাতীয় চুক্তি থেকে এক ধাক্কায় ৬ জন ক্রিকেটারকে বাদ দেয়া হল কেন? আর পারফরম্যান্সই যদি একমাত্র বিবেচ্য হয়, তাহলে নতুনদের মধ্য থেকে ৬ জনকে সংযোজন করলেন না কেন? আমরা বিপিএলে যে পদ্ধতিতে নিলাম ব্যবস্থাপনা করি, সেই পদ্ধতিটাই আমার কাছে বড় ত্রুটিপূর্ণ মনে হয়। কারন, নিলামের আগেই বলে দিলেন এই এই খেলোয়াড়ের মূল্য এত এত.. । কেন, এটা নির্ধারণ করে দিচ্ছেন। কই, ভারতের আইপিএলের নিলামে তো বোর্ড থেকে দাম নির্ধারণ করে দেয় না। তাহলে আপনারা দিচ্ছেন কেন। আমি স্পষ্টভাবে এই বিষয়টি বলতে চাই, নিলাম পদ্ধতিটি একেবারে উন্মুক্ত করে দিতে হবে। আমাদের অধিকাংশেরও বেশি খেলোয়াড় আসে মধ্যবিত্ত কিংবা নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে। তাদের আয়ের মূল জায়গাটি কেন আপনি সংকুচিত করে দিচ্ছেন। আপনি যদি কোন বড় বোর্ডের সঙ্গে তুলনা করতে চান, তবে আপনাকে আগে সেই বোর্ডের সিস্টেমগুলো ফলো করতে হবে। সেভাবেই আগাতে হবে। তবেই না আপনি বড় হবেন। এখানে টিভি সম্প্রচার সত্ত্ব বলেন আর নিলাম পদ্ধতি বলেন, সব কিছুতেই আপনাকে ক্লাশ ওয়ানের মত কাজ করতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ: বিপিএলে বর্তমান পদ্ধতিতে ৫ জন বিদেশী খেলোয়াড় খেলতে পারে। কিন্ত এই সংখ্যা কমানো উচিত বলে মনে করেন কি ?

বদরুল হুদা জেনু: অবশ্যই। আমি এখানে আপনার সঙ্গে শত ভাগ একমত। কোন ভাবেই বিপিএলে চার জনের বেশি বিদেশি খেলতে দেয়া যাবে না। পারলে তিন জনে নামিয়ে আনা দরকার। কারণ, এতে করে আমাদের দেশি খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের অভাব হবে না। একই সঙ্গে আমাদের খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবেও লাভবান হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলো চাইলেই যে, সব দাবি মানতে হবে এটা কোন কথা নয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলো অনেক কথাই বলবে। তারা তো পারলে ১১ জনই বিদেশি ক্রিকেটার নামাতে চাইবে। তাই বলে কি আমরা সেটা মেনে নেব?

ডেইলি বাংলাদেশ: বোর্ডে বর্তমানে অনেক সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা রয়েছেন। ক্রিকেটের উন্নয়নে বোর্ডে বেশি সাবেক খেলোয়াড় থাকাটা কতটুকু জরুরি ?

বদরুল হুদা জেনু: বর্তমান বোর্ডে যে সব সাবেক ক্রিকেটার পরিচালক পদে রয়েছেন এদের অনেকেই  আমার নেস্হভাজন। তারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। আমি তাদের প্রতি আস্থা রেখেই বলছি, একজন ভাল ছাত্র ভাল শিক্ষক হবে এটা বলা মুশকিল। খেলা, আর সংগঠন চালানো এক কথা নয়। আমাদের দেশে সব সময়ই বলা হয়, খেলোয়াড়দের মধ্যে পেশাদারিত্ব নেই। পেশাদারিত্বের অভাব রয়েছে। এজন্য এই হয়েছে ওই হয়েছে.. ইত্যাদি। আমি এর সঙ্গে একমত হয়ে বলতে চাই, খেলোয়াড়দের মধ্যে যেমন পেশাদারিত্ব থাকতে হবে, ঠিক খেলোয়াড়দের যারা পরিচালনা করবেন সেই সব কর্মকর্তাদের মধ্যেও পেশাদারিত্ব থাকতে হবে। ভাল ফলাফল  পেতে হলে, খেলোয়াড় আর কর্মকর্তা উভয়ের মাঝেই শতভাগ পেশাদারিত্বের মনোভাব রাখতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ: আপনি সাবের হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বোর্ডে ছিলেন। বর্তমান বোর্ড সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?

বদরুল হুদা জেনু: আমি সেইভাবে বিষয়টিকে মূল্যায়িত করতে চাই না। এতে পক্ষপাতিত্ব হতে পারে। আমি শুধু এতটুকু বলতে চাই, বর্তমানে যে ভাবে জেলা থেকে ক্রিকেট বোর্ডে সদস্য পাঠানো হয়, সেখানে অধিকাংশ জেলাতেই রাজনীতি বিবেচনায় কাউন্সিলরদের নাম পাঠানো হয়। আমাদের সময় নিয়ম ছিল একজন সংগঠক কমপক্ষে ৫ বছর সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকলে, কেবল তার নামই কাউন্সিলর হিসেবে পাঠানোর বিষয়ে চিন্তা করা হতো। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে- যে জীবনে মাঠের ধারে কাছেও ছিলা না, শুধু মাত্র রাজনীতিক বিবেচনায় সে মনোনীত হচেছ। ফলে আখেরে গিয়ে কিন্তু বোর্ডে পেশাদারিত্বের লোক গুলো কমে আসবে, নেমে আসবে খেলার মান।

ডেইলি বাংলাদেশ: সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বদরুল হুদা জেনু: আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য ডেইলি বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা ও আন্তরিক মোবারকবাদ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে

Best Electronics
Best Electronics