Alexa খুলনায় জরিপের ১২ শতাংশ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ঢাকা, সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ১ ১৪২৬,   ১৬ মুহররম ১৪৪১

Akash

খুলনায় জরিপের ১২ শতাংশ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

খুলনা প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৭ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) ও জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ময়ূরসহ ২৬টি নদী-খাল দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অভিযানটি অব্যাহত রয়েছে। এতে জরিপের ১২ শতাংশ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী মহানগরীর লিনিয়ার পার্কের এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিসি কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।

কেসিসির এস্টেট অফিসার নুরুজ্জামান তালুকদার বলেন, উচ্ছেদ অভিযানে ৯টি ভবন অপসারণ হয়। এর মধ্যে চারতলা দুটি, তিনতলা দুটি, দুইতলা তিনটি ও একতলা দুটি ভবন রয়েছে। প্রায় তিন একর জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। উচ্ছেদ শুরুর আগে জরিপের মাধ্যমে ৪৬০ দখলদার ও ৩৮২টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৫৪ দখলদারের কাছ থেকে জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে। যা জরিপের ১২ শতাংশ। 

এর আগে ময়ূর নদী ও আশপাশের ২৬টি খাল এলাকা থেকে স্থাপনা সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হয়। কয়েকটি ভবনের মালিকরা তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে সময় চেয়েছেন। এ কারণে তাদের কিছুটা সময় দেয়া হয়েছে। দখল-বেদখলে পানি নিষ্কাশনের নদী ও খালগুলো সঙ্কুচিত হওয়ায় পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়।

খুলনার ডিসি মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, প্রভাবশালী ও ভুমিদস্যুদের অবৈধ দখল, স্থাপনা নির্মাণ আর দূষণের ফলে খুলনার ময়ূর নদীসহ ২৬টি খাল অস্তিত্ব সংকটে পড়ে। এ অবস্থায় নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ফেব্রুয়ারিতে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করে সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন। জরিপে চিহ্নিত ৪৬০ জন দখলদার ও ৩৮২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ১ সেপ্টেম্বর থেকে সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনসহ সমন্বিত টাস্কফোর্স অভিযান শুরু করে।

স্থানীয় আব্দুল আলিম জানান, দুই যুগ আগে ময়ূর নদীতে পাল তোলা নৌকা চলতো। অনেক জেলে পরিবারের জীবিকার মূল উপজীব্য ছিল নদীটি। গোসল ও তৈজসপত্র ধোয়ার কাজে নদীর পানি ব্যবহার হত। অথচ এখন দখল ও দূষণে আর ব্যবহারের উপযোগী নেই। ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ ময়ূর নদীর সঙ্গে আগে রূপসা নদীর সরাসরি সংযোগ ছিল। তবে দখলের কারণে সেটি বিলীন। ২০১৬ সালে ময়ূর নদীর নাব্যের জন্য পাঁচ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে খুলনা সিটি করপোরেশন। তাতে নগরীর খালগুলো পুরোপুরি দখলমুক্ত হয়নি ।

কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, অবৈধ দখলদার ও স্থাপনা উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পযর্ন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ