খালেদার অনুপস্থিতিতেই আবেদনের শুনানি ২০ সেপ্টেম্বর

.ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১২ ১৪২৬,   ২০ শা'বান ১৪৪০

খালেদার অনুপস্থিতিতেই আবেদনের শুনানি ২০ সেপ্টেম্বর

 প্রকাশিত: ১৬:৩৪ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:৫১ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)

খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচারের আবেদনের শুনানি ২০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে আদালত। এটি মঞ্জুর হলে তার অনুপস্থিতিতেই মামলার কার্যক্রম চলতে থাকবে।  

খালেদা জিয়া কারাগারের অস্থায়ী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বৃহস্পতিবার দুদকের আইনজীবীর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এ দিন ধার্য করেন ঢাকার অস্থায়ী ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। 

নির্ধারিত দিন বৃহস্পতিবার ‘অসুস্থতার কারণে’ বিএনপি নেত্রীকে আদালতে হাজির করতে না পারায় মামলার বাদী দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল ফৌজদারি আইনের ৫৪০ ‘এ’ ধারায় আসামির অনুপস্থিতিতেই আদালতের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আর্জি জানান।

শুনানি নিয়ে ওই তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার জন্য তার আইনজীবীদের করা এক আবেদনের বিষয়ে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেয় আদালত।

খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও সানাউল্লাহ মিয়া।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে এ মামলা করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেন। সেদিনই তাকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

তার পর থেকে ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। এই ‘বিশেষ কারাগারে’ সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত এক গৃহকর্মীও রয়েছেন।

'অসুস্থতার কারণে’ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত সাত মাসে আদালতে হাজির করা যায়নি বিএনপি নেত্রীকে। এরইমধ্যে  কারাগারের ভেতরে অস্থায়ী আদালত বসানো হয়।

গত ৫ সেপ্টেম্বর বিশেষ জজ আদালতের এই অস্থায়ী এজলাসে শুনানির প্রথম দিন হাজির হন খালেদা জিয়া। নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে তিনি সেদিন বিচারককে বলেন, তিনি বার বার আদালতে আসতে পারবেন না। যেমন ইচ্ছা রায় দিয়ে দেন। 

বুধবার এক চিঠিতেও খালেদা জিয়া বিচারককে জানান, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তিনি আদালতে আর আসবেন না। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/আরআই