Alexa খাগড়াছড়িতে প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক

ঢাকা, বুধবার   ২১ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৬ ১৪২৬,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

খাগড়াছড়িতে প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:৩৪ ২৫ জুলাই ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

প্রবল বর্ষণের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি-ঢাকা সড়কসহ জেলার অধিকাংশ মহাসড়ক ও অভ্যন্তরীণ সড়ক।

বৃষ্টির পানিতে এসব সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যান চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। এছাড়া সড়কের পাশের মাটি সরে যাওয়াসহ পাহাড় ধসের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে শত শত যানবাহন।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথের তথ্যমতে, জেলার ৪০০ কিলোমিটার সড়কের ১৬৩ স্থানে মহাসড়ক ও অভ্যন্তরীণ ১২টি সড়কের অধিকাংশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অন্তত ১০টি পয়েন্টে বেশি ভূমিধস হয়েছে। যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধস ও সড়কের ওপর পানি জমে থাকায় এ ঝুঁকি আরো বেড়েছে। বিকল্প সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যাত্রী ও পণ্যবাহী শত শত পরিবহন।

বাসচালক মো. রফিক বলেন, পাহাড়ের খাদের সঙ্গে লাগানো সড়ক দিয়ে গাড়ি চালানো খুব ঝুঁকিপূর্ণ। একটু অসর্তকতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তার ওপর সড়কের পাশের মাটি সরে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ভয়ে ভয়ে যাত্রী নিয়ে এসব সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছি।

কাভার্ডভ্যান চালক সেলিম উল্লাহ বলেন, বৃষ্টির সময় পাহাড়ের বাঁকগুলো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। এতদিন পাহাড় ধসের ঝুঁকি ছিল না। কিন্তু এখন পাহাড় ধসের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

অটোরিকশাচালক পঙ্কজ চাকমা বলেন, চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়ক দিয়ে আগে দুটি গাড়ি এক সঙ্গে যেতে পারতো। এখন একটি গাড়ি যাওয়ার সময় অন্যটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এছাড়া সড়কে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।

খাগড়াছড়ি সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার সবগুলো সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ যাতে একেবারে বন্ধ হয়ে না যায় সে লক্ষ্যে বালির বস্তা ও ত্রিপল দিয়ে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর ভাঙন ঠেকানো হচ্ছে। বৃষ্টি শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামতের কাজ শুরু করা হবে। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলায় টেকসই ও উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে একটি প্রকল্প একনেকে পাসের অপেক্ষায় আছে।

খাগড়াছড়ি সড়ক উপ-বিভাগের প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, দীঘিনালা, লংগদু, বাঘাইহাট ও মারিশ্যায় ভুমি ধসে সড়কের বেশি ক্ষতি হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভাগীয় মালামাল দিয়ে চারটি টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

২০১৭ সালে খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কের দুইটি পয়েন্টে ভয়াবহ পাহাড় ধসে ২১ দিন সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। প্রবল বর্ষণে ওই সময়ও খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও জালিয়াপাড়া-রামগড় ঢাকা মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর

Best Electronics
Best Electronics