Alexa খাগড়াছড়িতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড় ধসের শঙ্কা

ঢাকা, বুধবার   ২১ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৬ ১৪২৬,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

খাগড়াছড়িতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড় ধসের শঙ্কা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৬ ১১ জুলাই ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির চেঙ্গী ও মাইনী নদীতে পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। এছাড়া চলতি আবহাওয়ায় পাহাড় ধসের শঙ্কায় তিন শতাধিক লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হয়েছে।

জেলা শহরের কলাবাগান, নেন্সিবাজার, মোল্লা, আঠার পরিবার, শালবন ও মোহাম্মদপুর এলাকায় পাহাড় ধস দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দীঘিনালা উপজেলা দুর্গম উল্টাছড়িতে পাহাড় ধসে যুগেন্দ্র চাকমা নিহত হন। এরপর থেকে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থায় খাগড়াছড়িতে ৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী প্রায় তিন শতাধিক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

খাগড়াছড়ির ডিসি মো. শহিদুল ইসলাম ও পৌর মেয়র মো. রফিকুল আলম জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন এবং পৌর প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পুরো জেলায় ৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২শ মেট্রিক টন চাল ও দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্গতের মাঝে খিচুরি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।
 
এদিকে, পানছড়ির ইউএনও মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, টানা বর্ষণের কারণে পানছড়ির ধুদুকছড়া, হারুবিল, বাবুরাপাড়া, মধুমঙ্গলপাড়া, পুজগাং বাজারসহ কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ধুদুকছড়া ব্রিজের মাঝে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। বাবুরা পাড়ায় স্টিলব্রিজ ও পুজগাং ব্রিজ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কমপক্ষে ২০-৩০টি গ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

অপরদিকে পাহাড় ধস ও বন্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১০ কেজি করে চাউল, ডাল, তেল, লবন, চিনি, মুড়ি, বিস্কুট, মোমবাতি, ম্যাচসহ ১১ পদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা  হয়েছে। বুধবার রাতে খাগড়াছড়ি শহরের “কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোলাবাড়ী ইউপিসহ বিভিন্ন ইউপিতে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

প্রাথমিকভাবে তিন হাজার পরিবারকে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে জানিয়ে জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্র“ চৌধুরী অপু বলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সবসময় গরিব, অসহায়, বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত, দুর্গতদের পাশে ছিল, আগামীতেও থাকবে। এ ত্রাণ সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য কিছুটা হলেও অভাব পূরণ করবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ

 

Best Electronics
Best Electronics