Alexa ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

 প্রকাশিত: ১৯:৩৬ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:৩৬ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

বদলি দেয়া দুই শিক্ষককে ফেরত দেয়ার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত ক্লাস বর্জন করেছে লালমনিরহাটের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।

শনিবার সকালে আদিতমারী উপজেলার কিসামত চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

এলাকাবাসী জানায়,চন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ২৪৬ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষক আছেন ৮ জন। এরইমধ্যে ২৯ আগস্ট হঠাৎ ওই বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক মোসলেহা বেগমকে মহিষখোচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষক সেলিনা বেগমকে কুমড়িরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাময়িক পাঠদানের অবৈধ অনুমতি দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। এ দুই শিক্ষক তাদের  নিজের সুবিধার জন্য তদবির করে নিজ এলাকায় সাময়িক পাঠদানের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বদিয়ার রহমান ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষককে বদলি বা ডেপুটিশনে দেয়ার ক্ষমতা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নেই। শিক্ষকদেরকে টাকার বিনিময়ে নিজের এলাকায় পাঠদানের অবৈধ অনুমতি দিয়েছেন। যা কোনো অফিস আদেশে নয়। শিক্ষা অফিসারের এ অবৈধ বদলি বাণিজ্য বন্ধ ও শিক্ষকদের স্ব স্ব বিদ্যালয়ে ফেরত না দেয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম ঘুষ নেয়ার কথা অস্বীকার করে ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, চলতি দায়িত্বের কারণে বেশকিছু পদ শুন্য হয়। তাই শিক্ষকদের চাহিদা অনুযায়ী (যার যে বিদ্যালয়ে পছন্দ) সাময়িক পাঠদানের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ অনুমতি দেয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা না থাকলেও শিক্ষকদের সুবিধার বিষয়টি মাথায় রেখে এটা করা হয়েছে। যা সাময়িক, স্থায়ী নয়। তাই এটার কোন অফিস আদেশও নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষককে অন্যত্র পাঠদানের অনুমতি দেয়া ঠিক করেনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আদিতমারী উপজেলার ইউএনও আসাদুজ্জামান ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম