Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শনিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৫

ক্রিসমাসের উৎপত্তি যেভাবে

মেহেদী হাসান শান্তডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ক্রিসমাসের উৎপত্তি যেভাবে
ছবি: সংগৃহীত

‘ক্রিসমাস’ খ্রিস্টান ধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান তো বটেই, সারা বিশ্বের জন্যই এটি একটি সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক উপলক্ষ্য।এই অনুষ্ঠানের বয়স দু'হাজার বছর ছাড়িয়েছে।যুগে যুগে সাম্প্রদায়িক ও অসাম্প্রদায়িক নানা উপায়ে উৎযাপন করা হয়েছে ক্রিসমাসকে। খ্রিস্টান ধর্মের প্রচারক হিসেবে খ্যাত যীশুখৃষ্টের জন্মবার্ষিকীতে প্রতি বছর এ অনুষ্ঠান পালন করেন ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা। এ দিনে তাদের আয়োজিত জনপ্রিয় আচার অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে উপহার বিনিময়, ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, গীর্জায় সমাবেশ, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে একত্রে ভোজনবিলাস। শিশুরা অপেক্ষা করে কখন স্যান্টাক্লজ আসবে, মোজায় করে তাদের উপহার দিয়ে যাবে! যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৭০ সাল থেকে ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস ডে কে রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবে পালন করা হচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্বে ক্রিসমাস অনুষ্ঠানের সময় থাকে শীতের মাঝামাঝিতে। মজার ব্যপার হলো, যীশু আবির্ভাবের বহু আগে থেকেই বিশ্বজুড়ে এসময়ে নানা উৎসবের আয়োজন হতো।

যীশু জন্মের শত শত বছর পূর্বে ইউরোপিয়ানরা ক্ষীণ দিনের আলোয় এ সময়ে 'প্রভা ও জন্ম' ( লাইট এন্ড বার্থ) উৎসব পালন করত। শীতের সবচেয়ে কঠিন সময় পেছনে ফেলে এসে শীতকালের মাঝামাঝিতে এসে মানুষজন আনন্দ উন্মাদনায় গাঁ ভাসিয়ে দিত আর অপেক্ষা করত গ্রীষ্মের।অধিক সূর্য কিরণ ও উষ্ণতার আগমনী বার্তা শীত জর্জরিত সেই প্রাচীন মানুষদের শরীরে শিহরণ বইয়ে দিত।স্ক্যান্ডিনেভিয়ার নর্স সম্প্রদায় ডিসেম্বরের একুশ তারিখ থেকে শুরু করত ইয়ুল উৎসবের। গ্রীষ্মের আগমনকে সামনে রেখে ছেলেবুড়ো নির্বিশেষে সব পুরুষ মানুষ বেরিয়ে পড়ত বড় বড় গাছের গুড়ি জোগাড় করতে। সেসব গাছের গুড়িতে আগুন জ্বালিয়ে তার চারপাশে চলত ভোজন উৎসব, যতক্ষণ না কাঠগুলো পুড়ে শেষ হচ্ছে। এ উৎসব শেষ হতে সময় লাগতো ১২ দিনের মত!নর্সদের বিশ্বাস ছিলো অদ্ভূত, তারা মনে করত তাদের উৎসবের অগ্নিকুণ্ডলীর প্রতিটি আলোক কণা নতুন বছরে জন্মানো একটি শুকর বা গরুকে নির্দেশ করত, যেগুলো তাদের শিকারে পরিণত হতে যাচ্ছে!

ডিসেম্বরের শেষভাগ ছিলো ইউরোপে উৎসবের আবহের জন্য আদর্শ। কারণ এ সময়ে সব গবাদিপশুকে জবাই দেয়া হতো, যাতে ওগুলোকে সারা শীত বসিয়ে বসিয়ে না খাওয়াতে হয়।পাশাপাশি সারা বছর ধরে গ্যাঁজানো মদ এ সময়ে এসেই পানের উপযুক্ত হতো। জার্মানির আধিবাসীরা মধ্যশীতের সময়টাতে দেবতা ওডেনের উপাসনা উৎসব আয়োজন করত। জার্মানরা ওডেনকে অনেক ভয় করত, কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল এই দেবতা রাতের বেলায় উড়ে বেরিয়ে মানুষদের পর্যবেক্ষণ করেন ও সিদ্ধান্ত নেন কারা উন্নতি করবে ও কারা ধ্বংস হবে। তার ভয়ে মানুষরা সচরাচর বাইরে বের হতো না।অন্যদিকে প্রাচীন রোমে কিন্তু শীতের তীব্রতা স্ক্যান্ডিনেভিয়া ও জার্মানির মতো এতটা তীব্র ছিল না মোটেই। তবু তারা শীতের এ সময়টাতে প্রাচীণ রোমের কৃষিকাজের দেবতা স্যাটার্ন এর উপাসনা উৎসবের আয়োজন করত। এ উৎসবের নাম তারা দিয়েছিলো স্যাটারনালিয়া। এটি এমন সময়ে আয়োজিত হতো যখন চারদিক খাদ্য ও পানীয়ের প্রাচুর্যে ভরপুর। এ উৎসবের এক মাস রোমের সমাজ ব্যবস্থাটাই পুরোপুরি উলটে যেত। প্রজারা তখন থাকতো রাজার ভূমিকায় আর রাজা হতেন প্রজা,হালচাষীরা হতেন জমিদার। সকলে যাতে উৎসবে সমানভাবে অংশ নিতে পারে সেজন্যে বন্ধ রাখা হতো বিদ্যালয় ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

কাছাকাছি সময়েই অনুষ্ঠিত হতো প্রাচীন রোমের অন্যতম বিখ্যাত উৎসব 'জুভেনালিয়া'। এটি ছিলো রোমের সকল শিশুদের সম্মানে আয়োজিত উৎসব। এছাড়া এসময় রোমের উচ্চবিত্ত পরিবারগুলোর অনেকেই প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের ২৫ তারিখ সূর্যের দেবতা মিথ্রার উপাসনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। মিথ্রাকে একজন শিশু দেবতা হিসেবে গন্য করা হতো, তার জন্ম পাথরখণ্ড থেকে হয়েছে বলেও বিশ্বাস করত অনেকে। অনেক রোমানদের জন্য মিথ্রার জন্মদিন ছিলো বছরের পবিত্রতম দিন।খ্রিস্টান ধর্ম প্রসারের শুরুর দিকে ইস্টার সানডে ছিলো এ ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র দিবস।যীশুর জন্মদিন পালনের কোনো রেওয়াজই তখন প্রচলিত ছিলো না! খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে গীর্জার কর্তাব্যক্তিরা প্রভু যীশুর জন্মদিনকে ছুটির দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত বাইবেলে যীশুর জন্মতারিখ সম্পর্কে কিছুই উল্লেখ নেই! যদিও কিছু কিছু সাক্ষ্য প্রমাণ থেকে জানা যায়, তার জন্ম হয়েছিলো বসন্তের মধ্যভাগে। তারপরো পোপ প্রথম জুলিয়াস যীশুর জন্মদিন হিসেবে শীতকালের এ সময়টিকেই নির্ধারণ করেন। অনেকেই তখন সন্দেহ করতেন, রোমান মূর্তি পূজাকারীদের স্যাটারনালিয়া উৎসবের সঙ্গে মিল রেখেই সুকৌশলে এ দিনটি ঠিক করা হয়েছিলো। যীশুর জন্মোৎসব নামে খ্যাত এ রীতি ৪৩২ খ্রিস্টাব্দে মিশরে ও ষষ্ঠ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়ে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় এ উৎসব জনপ্রিয় হয় অষ্টম শতকে।

বর্তমানে গ্রীস ও রাশিয়ার সনাতন গীর্জাগুলোতে ২৫ ডিসেম্বরের ১৩ দিন পরে ক্রিসমাসের আয়োজন করা হয়, যা এপিফানি অথবা থ্রি কিংস ডে নামেও খ্যাত। বিশ্বাস করা হয় এদিনটিতেই তিনজন বিজ্ঞ লোক যীশুকে গামলার মধ্যে থেকে উদ্ধার করেন! অন্যান্য ইউরোপীয় উৎসবের সময়েই খ্রিস্টান ধর্মযাজকরা ক্রিসমাস পালনের সিদ্ধান্ত নেন কারণ তাদের কৌশল ছিলো এতে করে ক্রিসমাস উৎসবটি সকলের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাবে। মধ্যযুগে এসে ইউরোপের অধিকাংশ পৌত্তলিক ধর্মানুসারীরা খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে। আজকের দিনের মারডি গ্রাসের মতো তখনকার দিনের খ্রিস্টানরা মদ্যপ হয়ে কারনিভালের মতো করে ক্রিসমাস উদযাপন করত! প্রতি বছর একজন ভিক্ষুক ও একজন ছাত্রকে কুশাসনের রাজা হিসেবে ঘোষণা করতো ও উন্মত্ত উৎসবমুখর জনতা হতো তার প্রজা! দরিদ্র রাজাটি তখন শহরের ধনী ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের বাসায় থাকা সেরা খাদ্য ও পানীয় দাবি করতেন। যদি ধনীরা তা না দিতে পারত, গরিব রাজার অনুসারীরা তাদের নানাভাবে ভীত সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করত। ক্রিসমাসের সময় প্রত্যেক ধনী পরিবারকেই সমাজের নিচু শ্রেণীর প্রতি তাদের অদৃশ্য 'ঋণ' শোধ করতে হতো!

সপ্তদশ শতাব্দীতে ধর্মীয় প্রথা সংস্কার আন্দোলনের হাওয়া ইউরোপজুড়ে ক্রিসমাস আয়োজনের ঢং পরিবর্তন করে দিলো। ১৬৪৫ সালে যখন অলিভার করমওয়েল ও তার পিউরিট্যান বাহিনী ইংল্যান্ড দখল করে, তারা ইংল্যান্ডকে তখন অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় এবং তারই এক অংশ হিসেবে ক্রিসমাসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে! তবে দ্বিতীয় চার্লসের সিংহাসনে আসীন হবার পরপরই এ জনপ্রিয় রীতিটি আবার ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তন করে। ১৬২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আগমনকারী ইংল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী পিলগ্রিমরা ছিলো করমওয়েলের থেকেও বেশি রক্ষণশীল।যার কারণে যুক্তরাষ্ট্র শুরুর দিকে উৎসব হিসেবে পালনের রেওয়াজ ছিলোনা। বরঞ্চ ১৬৫৯ থেকে ১৬৮১ সাল পর্যন্ত বোস্টনে ক্রিসমাস ছিলো রীতিমতো নিষিদ্ধ! যদি কারো মধ্যে এর সমর্থনে কিছু করার লক্ষণ দেখা যেত, তাকে ৫ শিলিং জরিমানা করা হতো। যাই হোক, জেমস্টাউন বন্দোবস্তের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রেও ক্রিসমাস জায়গা করে নেয়।

কিন্তু মার্কিন রিভোলিউশনের পর পুরো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ইংলিশ রীতিনীতি ছুঁড়ে ফেলার হিড়িক পড়ে। এগুলোর মধ্যে ক্রিসমাসও অন্তর্ভুক্ত ছিলো। সত্যি কথা বলতে, যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিসমাসকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করা হয় অনেক পরে, ১৮৭০ সালের ২৬ জুন।মার্কিনরা ঊনবিংশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত ক্রিসমাসকে সাদরে গ্রহণ করে নি। ইউরোপে যেভাবে বিশৃঙ্খল উপায়ে ক্রিসমাস উদযাপন করা হতো, মার্কিনরা তার আমূল পরিবর্তন আনেন। তারা এ দিনটি পরিবারের সঙ্গে আনন্দ আয়োজন ও স্মৃতি রোমান্থনের মাধ্যমে কাটানোর রেওয়াজ চালু করে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকটা ছিলো শ্রেণী কলহ এবং বিক্ষোভ আন্দোলনের সময়। বেকারত্বের হার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিলো। ক্রিসমাসের সময় সর্বহারা দলগুলো দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিতো প্রতিনিয়ত। এমনকি ১৮২৮ সালে নিউইয়র্কে সর্বপ্রথম পুলিশ বাহিনীও গড়ে তোলা হয় ক্রিসমাসকে ঘিরে দাঙ্গা ঠেকাতে! এসময় নিউইয়র্ক এর ধনিশ্রেণীর কিছু ব্যক্তি ক্রিসমাস আয়োজনে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন।

১৮১৯ সালে কিংবদন্তী লেখক ওয়াশিংটন আরভিং লিখেন দ্য স্কেচবুক অফ জোফ্রে ক্রেয়ন নামের একটি গল্পের সিরিজ। গল্পগুলো ছিলো একটি খাদ ইংরেজ পরিবারে তার কাটানো ক্রিসমাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে। তার এ বইটি আমেরিকায় ক্রিসমাসের উদযাপন পরিবর্তনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। আরো এক প্রথিতযশা লেখক চারলস ডিকেন্সের 'দ্য ক্রিসমাস ক্যারল' বইটির ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। এ বইটির মাধ্যমে ডিকেন্স দেখান যে, ধনী গরিবের ভেদাভেদ ভোলার জন্য একটি বড়সড় ধর্মীয় ছুটির দিন কতটা প্রয়োজন! যুক্তরাষ্ট্রে ও ইংল্যান্ডে ডিকেন্সের এ মতবাদ বেশ প্রভাব ফেলে।এভাবেই প্রগতিশীলদের অবদানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিসমাস অনুষ্ঠান আজকের জনপ্রিয়তার পর্যায়ে পৌঁছায়। একটি উঠতি জাতি হিসেবে ক্রিসমাস হয়ে আসে মার্কিনদের আনন্দের উপলক্ষ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস

আরোও পড়ুন
সর্বশেষ
বুদ্ধিজীবি দিবসে ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
বুদ্ধিজীবি দিবসে ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
বিয়ে হতে না হতেই গর্ভবতী প্রিয়াঙ্কা!
বিয়ে হতে না হতেই গর্ভবতী প্রিয়াঙ্কা!
এক নজরে আমজাদ হোসেন
এক নজরে আমজাদ হোসেন
মেষের সুনাম, মিথুনের চিন্তা
মেষের সুনাম, মিথুনের চিন্তা
পুরান ঢাকার সব আজ বন্ধ
পুরান ঢাকার সব আজ বন্ধ
গোপনে তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে উইন্ডোজ ১০
গোপনে তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে উইন্ডোজ ১০
টি–টোয়েন্টি সিরিজে ফিরেলেন লুইস
টি–টোয়েন্টি সিরিজে ফিরেলেন লুইস
মন্দিরের প্রসাদে বিষ,  ১১ জনের মৃত্যু
মন্দিরের প্রসাদে বিষ, ১১ জনের মৃত্যু
টি–টোয়েন্টি দলে মিঠুন-সাইফউদ্দিন
টি–টোয়েন্টি দলে মিঠুন-সাইফউদ্দিন
পদত্যাগ করবেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে
পদত্যাগ করবেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে
বাংলাদেশ-সৌদি দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি সম্পাদিত
বাংলাদেশ-সৌদি দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি সম্পাদিত
উন্নত নীলফামারী গড়তে নৌকায় ভোট চাইলেন নুর
উন্নত নীলফামারী গড়তে নৌকায় ভোট চাইলেন নুর
দেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ: শাওন
দেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ: শাওন
নৌকার প্রচারণায় যুব মহিলা লীগ
নৌকার প্রচারণায় যুব মহিলা লীগ
বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান
বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আলোয় স্মরণ
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আলোয় স্মরণ
হবিগঞ্জে যুবক নিহত
হবিগঞ্জে যুবক নিহত
হবিগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুসংহত করার প্রতিশ্রুতি
হবিগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুসংহত করার প্রতিশ্রুতি
‘নৌকার বিজয় নিশ্চিতে সহস্রাধিক নারীর অঙ্গীকার’
‘নৌকার বিজয় নিশ্চিতে সহস্রাধিক নারীর অঙ্গীকার’
কুকুর বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর
কুকুর বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর
শ্রীলঙ্কার অধিনায়কত্ব ফিরে পেলেন মালিঙ্গা
শ্রীলঙ্কার অধিনায়কত্ব ফিরে পেলেন মালিঙ্গা
পোল্ট্রি খামার করে সফল রবিউল
পোল্ট্রি খামার করে সফল রবিউল
জাপায় হাওলাদারকে নিয়ে এরশাদ-রওশন বিরোধ
জাপায় হাওলাদারকে নিয়ে এরশাদ-রওশন বিরোধ
মাশরাফিকে ফোন দিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
মাশরাফিকে ফোন দিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
‘জামালপুরের ৫টি আসন শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে হবে’
‘জামালপুরের ৫টি আসন শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে হবে’
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ছয় সদস্য নিহত
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ছয় সদস্য নিহত
টাইগারদের জয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
টাইগারদের জয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
নওগাঁয় কমছে চালকল, ভিন্ন পেশায় শ্রমিকরা
নওগাঁয় কমছে চালকল, ভিন্ন পেশায় শ্রমিকরা
ঈশ্বরদীতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার এক
ঈশ্বরদীতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার এক
সিংড়ায় বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোর মিছিল
সিংড়ায় বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোর মিছিল
সর্বাধিক পঠিত
ঈশা আম্বানিকে শ্বশুরের আকাশ ছোঁয়া উপহার!
ঈশা আম্বানিকে শ্বশুরের আকাশ ছোঁয়া উপহার!
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল!
জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল!
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
সানি লিওনের সঙ্গে হিরো আলম!
সানি লিওনের সঙ্গে হিরো আলম!
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
২০১৯ নিয়ে অন্ধ নারীর ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী!
২০১৯ নিয়ে অন্ধ নারীর ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
গিন্নিকে বিয়ে করলেন কপিল শর্মা
গিন্নিকে বিয়ে করলেন কপিল শর্মা
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বই পড়ানো ইউসুফ এখন দুদকে!
বই পড়ানো ইউসুফ এখন দুদকে!
আইপিএলের চূড়ান্ত নিলামে দুই বাংলাদেশি
আইপিএলের চূড়ান্ত নিলামে দুই বাংলাদেশি
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
উত্তেজনা ধরে রাখতে পারছেন না সাইফ কন্যা সারা!
উত্তেজনা ধরে রাখতে পারছেন না সাইফ কন্যা সারা!
২ তারিখ খালেদা জিয়াকে বের করে আনবো
২ তারিখ খালেদা জিয়াকে বের করে আনবো
বিবাহবার্ষিকীতে শাওনের আবেগঘন স্ট্যাটাস
বিবাহবার্ষিকীতে শাওনের আবেগঘন স্ট্যাটাস
বিএনপির বিরুদ্ধে লড়বেন হিরো আলম
বিএনপির বিরুদ্ধে লড়বেন হিরো আলম
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
শাকিবের সঙ্গে প্রেম বিষয়ে মুখ খুললেন রোদেলা
শাকিবের সঙ্গে প্রেম বিষয়ে মুখ খুললেন রোদেলা
শিরোনাম :
চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন আর নেই চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন আর নেই উইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ উইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ হার্ডিঞ্জ ব্রিজে গার্ডারের ধাক্কায় ট্রেনের ৩ যাত্রী নিহত হার্ডিঞ্জ ব্রিজে গার্ডারের ধাক্কায় ট্রেনের ৩ যাত্রী নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা