.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৭ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

ক্যান্সার রোধে বাল্য বিয়েকে না বলুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৯:৪২ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:৪২ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাংলাদেশে নারীর জরায়ু ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে বাল্যবিয়েকে চিহ্নিত করেছেন চিকিৎসক ও গবেষকরা। তারা বলেন, বাল্যবিয়ের কারণে শতকরা ৫৪ ভাগ নারী জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। যেসব মেয়েরা ১৬ বছরের আগে যৌনতায় লিপ্ত হয়, তাদের জরায়ুর ক্যান্সর অবসম্ভাবী।

এ জন্য মেয়েদের সচেতন করতে পরিবারের কর্তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসক ও গবেষকরা। 

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জরায়ুর মুখে ক্যান্সার পরিস্থিতি ও উত্তরণে করনীয়’ বিষয়ক এক গোল টেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। জরায়ু ক্যান্সার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

এ সময় অধ্যাপক সাবেরা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ থেকে জরায়ু ক্যান্সার নির্মূল করতে স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের সচেতন করতে হবে। বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। কারণ অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েরা যৌন সর্ম্পকে লিপ্ত হলে তারাই বেশি জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।

স্বপন বন্দোপাধ্যায় বলেন, জরায়ু ক্যান্সর চিকিৎসার জন্য বছরে চার শত কোটি টাকার প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকারি সাহায্য-সহযোগিতা প্রয়োজন। এছাড়া দেশের ধনীরা সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে এলে এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মারুফ আক্তার পপি বলেন, গ্রামের মেয়েরা মুখ ফুটে বিষয়টা বলতে পারে না। তাই তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

মার্চ ফর মাদারের প্রধান সমন্বয়ক ও ক্যান্সার হাসপাতালের ডিন ডাক্তার মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিনের সঞ্চালনায় আলোচনায় বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনী অনকোলজী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবেরা খাতুন, এনআইসিআরএইচ এর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক শেখ গোলাম মোস্তফা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেল্থ ইকোনোমিকসের পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ, সঙ্গীত শিল্পী সামিনা চৌধুরী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলোজী বিভাগের অধ্যাপক স্বপন বন্দোপাধ্যায়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মারুফা আক্তার পপিসহ বিভিন্ন চিকিৎসা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষক ও চিকিৎসকরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/সেতু/আরএইচ/এমআরকে