Alexa কৌশলে দেশে এনে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেফতার

ঢাকা, শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

কৌশলে দেশে এনে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেফতার

ফেনী প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:৫৩ ৫ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ফেনীর দাগনভূঞায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে কৌশলে দেশে এনে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গত সোমবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার আসামি ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আব্দুল্লাহ খানের আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। 
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

গ্রেফতার আসামির নাম মনির আহম্মদ। তিনি দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ করিমপুর গ্রামের বাসিন্দা ও একজন মাইক্রো চালক ছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের এসআই মো. হায়দার আলী আকন্দ বলেন, ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা সেতুর পাশ থেকে ফখরুল উদ্দিন নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে দাগনভূঞা থানা পুলিশ। ওই যুবক দাগনভূঞা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

এ ঘটনায় দাগনভূঞা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাইফুল ইসলামসহ সাতজনের নাম উল্লেখ ও ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই নাজিম উদ্দিন চৌধুরী।

দাগনভূঞা থানা পুলিশ তখন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, মোবাইল সেট, দুটি মোটরসাইকেল ও একটি হাইস গাড়ি উদ্ধার করে। মামলাটি পরে পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়।

এ মামলায় পুলিশ ও পিবিআই মোট নয়জনকে গ্রেফতার করেছে। অন্যরা পলাতক রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর আট নম্বর আসামি মাইক্রোচালক মনির আহম্মদ কাতার চলে যান। তাকে পিবিআই কৌশলে দেশে এনে গত সোমবার রাতে গ্রেফতার করেছে।

মনির আহম্মদ আদালতে তার জবানবন্দিতে বলেন, হত্যার ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিরা তার মাইক্রোবাস ভাড়া করেছিল। তারা ফখরুলকে বাসা থেকে ডেকে গাড়িতে তুলে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ মাতুভূঞা সেতুর পাশে ফেলে দেয়া হয়।

মনির আদালতে জানায়, হত্যাকারী অন্য আসামিদের কথা মতো কাজ না করলে তাকেও হত্যা করার হুমকি দেয়া হয়। মনির তাদের ভয়ে ওই স্থানে লাশ ফেলে চলে যায়। পরে সে বাঁচতে কাতার চলে যায়। মনির আদালতে কয়েকজন আসামির নাম উল্লেখ করেন এবং নিজে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ