Alexa কোল্ড ইনজুরিতে বীজতলা

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৬ ১৪২৬,   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

কোল্ড ইনজুরিতে বীজতলা

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১১:৫২ ১৩ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১১:৫২ ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হচ্ছে বোরো বীজতলা। এতে ব্যাহত হতে পারে উপজেলার বোরো উৎপাদনের লক্ষমাত্রা। তবে বীজতলাকে ইনজুরি থেকে মুক্ত রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

উপজেলার ঢালুয়া, মৌকরা, হেসাখাল ইউপির বোরো বীজতলাগুলোতে কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত ধানের চারা দেখা যায়। আগাম রোপণ করা বেশি অংশে ধানের চারাগুলো হলদে বর্ণ ধারণ করেছে।

উপজেলার গোমকোট গ্রামের কৃষক আব্দুর বলেন, দুই একর জমির জন্য ৮ শতক জায়গায় বীজতলা তৈরি করেছি। বীজতলার কিছু চারা হলুদ ও সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই চারা কিনে জমিতে রোপন করতে হবে। এই সুযোগে চারার দাম বেশি হয়ে যাবে।তাই সরকারের সহায়তা চাই।

হেসাখাল ইউপির উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ইমাম হোসেন বলেন, বীজতলায় কোল্ড ইনজুরি আক্রান্ত হলে কৃষকদের ছাই ব্যবহার, কুয়াশা ঝরিয়ে দেয়া ও ইউরিয়া সারের সঙ্গে থিওবিট মিশিয়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছি। পাশাপাশি সব বীজতলার পাশে গাছের ছায়া রয়েছে। সব গাছের ডালপালা ছাঁটাই করে রোদ লাগার ব্যবস্থা করতে বলা হচ্ছে।

দৌলখাঁড় ইউপির উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ফারুক হোসাইন জানান, আমার ব্লকে প্রায় ৮০ হেক্টর বোরো বীজতলায় তৈরি হয়েছে। যেখানে কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের এনড্রোপিল ছত্রাকনাশক ঔষধ ব্যবহার করতে বলছি। চারা এখন ভালো আছে।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার রেজাউল হক জানান, কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত চারা দিনের বেলায় পলিথিন দিয়ে ডেকে দিতে বলা হচ্ছে। সকাল বেলায় কুয়াশা ভেঙ্গে দিয়ে নতুন পানি দিতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ বছর উপজেলা ৭ শত ৩৪ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি হয়েছ। বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নিধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ৫ শত ৫০ হেক্টর জমি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে আশাবাদি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ