Alexa কোরআনে হাফেজ বানানোর বিশ্ব রেকর্ড!

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

কোরআনে হাফেজ বানানোর বিশ্ব রেকর্ড!

ধর্ম ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৪৭ ১৪ এপ্রিল ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সৃষ্টিকুলের ওপর যেমন স্রষ্টার সম্মান ও মর্যাদা অপরিসীম , তেমনি সকল বাণীর ওপর কোরআনের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অতুলনীয়। 

মানুষের মুখে থেকে যা উচ্চারিত হয়, তম্মধ্যে কোরআন পাঠ সর্বাধিক উত্তম।

কোরআন শিখানোর প্রতিদান: প্রিয় নবি হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 

خير كم من تعلم القراّن وعلمه 

‘তোমাদের মাঝে সেই ব্যক্তি উত্তম যে নিজে কোরআন শিক্ষাকরে ও অন্যকে তা শিক্ষা দেয়।’ (বুখারী)।
     
‘ওয়াফাক্ব উল মাদারিস আল-আরাবিয়া’ নামে এক কোরআন হিফজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাপী হাফেজে কোরআন তৈরির সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। 

মাদরাসাটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুলতান শহরে অবস্থিত।

১৯৮২ সালের ১০ মার্চ এ মাদরাসাটি তাদের হিফজ কার্যক্রম শুরু করে। সে থেকে গত ৩৭ বছরের এ পথ পরিক্রমায় তারা ১০ লাখ ছাত্রকে পবিত্র কোরআন হিফজ করাতে সক্ষম হয়েছেন। আর তাতেই তারা এ বিরল রেকর্ডের অধিকারী হয়েছেন।

মাওলানা সালিম উল্লাহ খান এ মাদরাসার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর থেকে মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক ইস্কান্দার ওয়াফাক্ব উল মাদারিস আল-আরাবিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পাকিস্তানের বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘জামিয়া উলুম-ই-ইসলামিয়া’র চ্যান্সেলর ছিলেন।

ওয়াফাক্ব উল মাদারিস এর সাধারণ সম্পাদক ক্বারি হাফেজ জালানধারী বলেন, ২০১৯ সালে অর্থাৎ চলতি বছরও ওয়াফাক্ব উল মাদারিস আল-আরাবিয়া থেকে ১৪ হাজার নারীসহ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী কোরআন মুখস্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, ৪ বছর বয়সের বাচ্চাদের এ মাদরাসায় ভর্তি করা হয়। ২ বছরের প্রচেষ্টায় তারা পবিত্র কোরআন মুখস্ত করতে সক্ষম হয়ে ওঠে।

পাকিস্তানের এ মাদরাসায় পবিত্র কোরআন মুখস্তের পাশাপাশি মৌলিক শিক্ষা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি, অংক, উর্দু এবং বিজ্ঞান শিক্ষা দিয়ে থাকেন।

ক্বারি হাফেজ জালানদারি আরো বলেন, সৌদি আরবে প্রতি বছর ৫ হাজার শিক্ষার্থী কোরআন হিফজ করতে সক্ষম হয়। আর সেখানে পাকিস্তানের এ মাদরাসাটি সে তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষার্থীকে মৌলিক শিক্ষাসহ পবিত্র কোরআন মুখাস্থ করার কাজে নিয়োজিত।

তার দাবি, সৌদি আরবের মাতৃভাষা যেখানে আরবি সেখানে আমাদের মাতৃভাষা আরবি নয়। তা সত্ত্বেও তারা বাচ্চাদের কোরআন হিফজের প্রতি প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

ওয়াফাক্ব উল মাদারিসের এ সাফল্যে সৌদি আবর সরকার প্রশংসা করেছে এবং তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে