Alexa কোন্দল নেই আছে বিরোধ

ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

রংপুর-১

কোন্দল নেই আছে বিরোধ

 প্রকাশিত: ১২:৪০ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮   আপডেট: ১৪:২৪ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

তিস্তা নদীবেষ্টিত গঙ্গাচড়ায় (রংপুর-১) সক্রিয় রয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি। অন্য কোনো দলের তেমন তৎপরতা নেই। অন্যদিকে আওয়ামী লীগে রয়েছে সক্রিয় দুটি গ্রুপ। বিএনপি ও জাতীয় পার্টিতে দলীয় কোন্দল নেই।

আরো পড়ুন: বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জে কোন্দলে বেহাল বিএনপি

গঙ্গাচড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রহুল আমীনের নেতৃত্বে একটি আর অপরটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদু জামান বাবলু।

বাবলুর পক্ষে রয়েছেন তৃনমূল নেতাকর্মীরা। তারা জানান, এই আসনটি জাতীয় পার্টির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। জাতীয় পার্টির প্রার্থীর সঙ্গে লাড়াইয়ের ক্ষমতা রাখেন বাবলুই। তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। বয়সে তরুণ এই নেতা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

আরো পড়ুন: সক্রিয় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি, স্থবির বিএনপি

তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, ৭৫ সালের পর এ আসনটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হয়ে গেছে। বর্তমানে এই আসনের এমপি জাতীয় পার্টির নেতা স্থনীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা। তিনি এলাকার জন্য তেমন কিছু করেননি। উন্নয়ন হয়েছে তার ও তার দলের নেতাকর্মীদের।

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন জানান, গঙ্গাচড়ায় আওয়ামী লীগে কোন কোন্দল নেই। আগামী নির্বাচনে আমরা জেলা থেকে এই আসনের প্রার্থী হওয়ার জন্য বাবলুর নাম কেন্দ্রে সুপারিশ করবো। বাবলু স্বচ্ছ মানুষ। তিনি প্রতিনিয়ত সভা সমাবেশ করে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরছেন।

মমতাজ উদ্দিন বলেন, গঙ্গাচড়া মঙ্গা এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানকার মানুষ এখন মঙ্গা কি জিনিস তা জানে না। সরকার এই এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।

আরো পড়ুন: মাঠে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি

জাতীয় পার্টিতে গ্রুপিং না থাকলেও এখানে একক রাজত্ব কায়েম করছেন দলের উপজেলা সভাপতি সামছুল আলম। তিনি প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ট বলে পরিচিত। উপজেলা প্রশাসন তার কাছে একেবারে জিন্মি। এ ছাড়াও রয়েছে নিয়োগ বাণিজ্য আর টেন্ডারবাজি।

গঙ্গাচড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করে বলেন, সভাপতি সামছুল আলম অর্থের বিনিময়ে ন্যাশনাল সার্ভিসে বিএনপি ও শিবিরের নেতাকর্মীদের চাকরি দিয়েছেন। অনেক নেতাকর্মীর কাছ থেকে টাকা নিয়েও চাকরি দেননি।

তবে সামছুল আলম বলেন, আমি এখানকার সভাপতি হওয়ার পর দলকে সংগঠিত করেছি। চাকরি দেয়ার নামে আমি কারো কাছ থেকে অর্থ নেইনি। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে তা সব মিথ্যা। আমি নিজের জন্য কিছুই করিনি। যা করেছি সব দলের জন্য।

আরো পড়ুন: তৎপরতায় এগিয়ে আওয়ামী লীগ

সাংগঠনিক দিক দিয়ে গংঙ্গাচড়ায় বিএনপি জামায়াতের চেয়েও দুর্বল অবস্থানে। কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচিগুলোও পালন হয় না। উপজেলা কমিটি থাকলেও কোনো ইউনিয়নে কমিটি নেই। কর্মীদের অভিযোগ মাসেও একবারের জন্য দলীয় কার্যালয়ে আসেন না সভাপতি ও সম্পাদক। তারা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। কর্মীদের কথা শোনার সময় তাদের নেই।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবু জানান, কেন্দ্রীয় সব কর্মসূচি পালন ছাড়াও আগামী নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। কর্মীদের সময় না দেয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, আমরা মিছিল সমাবেশ করতে গেলে পুলিশ রাস্তায় নামতে দেয় না। কর্মীদের হয়রানি করে।

>>>কাল থাকছে শেরপুর সদর উপজেলার রাজনীতি...

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে