Alexa কেনাকাটায় তিনটি অভ্যাস ত্যাগ করেই লাখ টাকার মালিক এই নারী!

ঢাকা, শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

কেনাকাটায় তিনটি অভ্যাস ত্যাগ করেই লাখ টাকার মালিক এই নারী!

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫৪ ৩০ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

প্রয়োজনের তাগিদে কেনাকাটা করা জরুরি। কেনাকাটা সবারই পছন্দের। তবে কারো বেশি আর কারো কম। কিন্তু যারা লাখ টাকার মালিক হতে চান তাদের জন্যই আজকের এই সঞ্চয়ের গল্প।

জীবনে সঞ্চয় করতে হলে কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন হওয়া জরুরি। অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারলে সবই সম্ভব তা এই গল্পটি পড়লেই বোঝা যাবে। কেনাকাটায় তিনটি অভ্যাস ত্যাগই পারে আপনাকে লাখ টাকার মালিক বানাতে। যেমনটি পেরেছিলেন এই নারী।

মাত্র তিন ধরনের কেনাকাটা বন্ধ রেখে এক মার্কিন নারী আট মাসে জমিয়ে ফেললেন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা চার লাখ ৬৫ হাজার টাকারও বেশি। কুমিকো লাভ নামে এই মা'র জীবনযাপন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে রিডার্স ডাইজেস্ট। সেখানেই তিনি তার সঞ্চয়ের গল্প বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে জীবন নির্বাহের খরচ জোগাতে কষ্ট হয়ে যায় অনেক পরিবারের। ভালো আয় করেও দেখা যায় মাসের শেষে খরচে টান পড়েছে। এতে দেখা যায় পারিবারিক নানা টানাপোড়েন।

এমন সংকট থেকে নারীদের মুক্তি দিতে এগিয়ে আসেন কুমিকো লাভ। তাদের জন্য অনলাইনে গড়েছেন দারুণ একটি প্ল্যাটফর্মও, যার নাম দ্য বাজেট মাম। এতে তিনি দেখান কীভাবে বাড়তি খরচ বন্ধ করে সাশ্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। মূলত তিন ধরনের জিনিস কেনা কমিয়ে দেন তিনি।

নতুন জামা কেনা কমিয়ে দেয়া

কিছুদিন পরপর নতুন জামা কিনতে গিয়ে প্রচুর অর্থ খরচ করে ফেলেন অনেকে। প্রতি মাসে কোনো না কোনো অনুষ্ঠান লেগেই থাকে। আর এর জন্য চাই নতুন জামাও। নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে শপিং করতে বাতিক আছে অনেকের। এতে বেড়ে যায় মাসের ব্যয়। এটি রোধ করতে পারলে বেঁচে যায় কিছু টাকা।

শুধু নতুন জামা কেনা বন্ধ করে কুমিকো জমিয়ে ফেলেন ১৯০০ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা এক লাখ ৬০ হাজার টাকারও বেশি।

পরিকল্পিত খাওয়া দাওয়া

বাইরে খাওয়া দাওয়া করতে গিয়ে সারা মাসে অনেক টাকা রেস্টুরেন্ট বিল চলে আসে। অনেকের জন্য এটি বড় খরচ। কুমিকো শুরুতে এই অভ্যাসটি ত্যাগ করেন। পুরো মাসের খাওয়া দাওয়াতে কী পরিমাণ খরচ হতে পারে এবং এর জন্য কী কী কেনা লাগবে সবকিছু তালিকা করে ফেলেন তিনি। সেই অনুযায়ী তিনি জিনিসপত্র কেনাকাটা করেন। এছাড়া অতিরিক্ত কী কী খাওয়া হয়, সেটি তার খাদ্যাভ্যাস থেকে বাদ দিলেন।

এটি করতে গিয়ে আট মাসে তার সাশ্রয় হয় ৩২০০ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা দুই লাখ ৭০ হাজার টাকারও বেশি।

ব্র্যান্ড পণ্য পরিহার

করপোরেট কোম্পানির ব্র্যান্ড পণ্য কেনাকাটাও কমিয়ে দেন কুমিকো। তিনি যেকোনো কেনাকাটার জন্য স্টোর-ব্র্যান্ড পণ্য কেনা শুরু করেন। প্রাকৃতিক জিনিসপত্র সেই সঙ্গে জেনেরিক ব্র্যান্ডের দিকে তিনি ঝুঁকেন। এতে তার সাশ্রয় হয় আরো ৩২০ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ