কৃষি জমিতে পুকুর খনন

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৫ ১৪২৬,   ০৪ শা'বান ১৪৪১

Akash

কৃষি জমিতে পুকুর খনন

বগুড়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৪ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

সরকারের ভূমি আইন উপেক্ষা করে বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কমল দোগাছী গ্রামে প্রায় ৬ বিঘা ফসলি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে।

এ পুকুর খননের ফলে চারপাশের অনেক কৃষকের বিস্তীর্ণ ফসলি জমির দীর্ঘমেয়াদি ফসল উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

জমির মালিক জালাল উদ্দীন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীর যোগসাজশে সরকারি নিয়ম-নীতি না মেনে ফসলি জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে গভীর করে জমির চারদিকে পাড় বেধে পুকুর খনন করছেন। আবার এসব মাটি স্থানীয় এক ভেকু মেশিন মালিকের কাছে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করেন। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে পুকুর খনন করে মাটি ট্রাক্টরে বহন করে বিক্রি করছেন বিভিন্ন জায়গায়।

ভূমি আইন উপেক্ষা করে কৃষি জমিতে পুকুর খননের বিষয়ে জমির মালিক জালাল উদ্দীনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার কৃষি জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে এভাবে মাটি কেটে পুকুর খননের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার আশংকা রয়েছে। অবৈধভাবে পুকুর খনন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

সান্তাহার পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কমল দোগাছী গ্রামে ফসলি জমিতে পুকুর খননের জন্য পৌরসভা কোনো অনুমতি দেয়নি। যদি কেউ খনন করে তবে তা অবৈধভাবে খনন করছে।

উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সামছুল কুদ্দুস জানান, ফসলি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করা যাবে না। পৌর এলাকায় পুকুর খনন থেকে বিরত থাকতে তারা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। কোমল দোগাছী গ্রামের মাঠে খননের বিষয়টি শুনেছেন। এ বিষয়টা প্রশাসন দেখবে।

আদমদীঘির ইউএনও আব্দুল্লাহ্ বিন রশিদ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ