কুড়িগ্রামে মুনাফালোভীরা বাড়ালো চাল-পেঁয়াজের দাম 

ঢাকা, শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২১ ১৪২৬,   ১০ শা'বান ১৪৪১

Akash

কুড়িগ্রামে মুনাফালোভীরা বাড়ালো চাল-পেঁয়াজের দাম 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫২ ২৩ মার্চ ২০২০  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে কুড়িগ্রামের মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সৃষ্টি করছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি।

তারা করোনাভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি করছে। অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চাল, ডাল, আটা, চিনি, আলু, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, টিস্যু ও ভোজ্যতৈলসহ  বিভিন্ন  নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য প্রতিদিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য পণ্যদ্রবের চেয়ে চালের মূল্য বাড়নো হয়েছে অস্বাভাবিক। এখানে ২-৩ দিনের ব্যবধানে প্রতি বস্তা পাইজাম ও বিআর ২৮ জাতের ৫০ কেজির চালের বস্তায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বৃদ্ধি হয়েছে। 
যেখানে ৫০ কেজির এক বস্তা ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় কেনা যেত। তা মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে বিক্রি করা হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় । পেঁয়াজরও মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে অস্বাভাবিক। 

৩ দিন আগে যেখানে প্রতিকেজি পেঁয়াজ কেনা যেত ৩০ থেকে ৪০ টাকায় সেই পেঁয়াজ এখন বিক্রি করা হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এছাড়া  রসুন, আদা, আলু,  চিনি আটা ও ভোজ্য তৈলসহ প্রায় সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ মোবাইল টিম পরিচালনা করলে আগে খবর জানতে পেরে অধিকাংশ ব্যবসায়ী পালিয়ে থাকছে। মোবাইল কোর্ট চলে যাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা পুনরায় অতিরিক্ত দামের ব্যবসা চালাচ্ছেন।

এক ব্যবসায়ী জানান, চালের ডিলার ও পেঁয়াজের আড়তদাররা সংকট সৃষ্টি করে তাদের কাছে দাম বেশি নেয়ায় তারা বাধ্য হয়ে ক্রেতার কাছে বেশি দামে বিক্রি করছে। চালের ডিলার ও পেঁয়াজের আড়তদারদের উপর প্রশাসনিক আইন প্রয়োগ করলে হাট-বাজারে চার, পেঁয়াসহ অন্যান্য নিত্য পণ্যেও দাম কমবে।

বাজারে আসা ওলি মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, আমি আজ তিন দিন পর বাজারে এসে অবাক হয়েছি। হঠাৎ চাল, পেঁয়াজসহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি দেখে আমি বিপাকে পড়েছি। আমরা গরিব মানুষরা দিনে এনে দিনে খাই। এভাবে প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি হলে আমাদের স্ত্রী সন্তান নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। 

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রামের ডিসি রেজাউল করিম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, রোববার কুড়িগ্রামের ৯ টি উপজেলার ইউএনওরা আমার কার্যালয়ে এসেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে আমি তাদের বাজার মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়েছি। স্থানীয় বণিক সমিতির সঙ্গে কথা মোবাইল কোর্ট রেগুলার করার জন্যর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিছু জায়গায় মোবাইকোর্ট পরিচালানাও হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ