কুষ্টিয়ায় আই‌সো‌লেশ‌নে থাকা শিশুর শরীরে মেলেনি করোনাভাইরাস

ঢাকা, বুধবার   ২৭ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৭,   ০৪ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

কুষ্টিয়ায় আই‌সো‌লেশ‌নে থাকা শিশুর শরীরে মেলেনি করোনাভাইরাস

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:২৮ ৩০ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০১:৩১ ৩০ মার্চ ২০২০

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা সাত মাসের এক শিশুর শরীরে করানোভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ওই শিশুসহ কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তির নমুনা গত শুক্রবার বিকেলে সংগ্রহ করেছিল সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) একটি টেকনোলজিস্ট। দুইজনের পরীক্ষার প্রতিবেদনই নেগেটিভ এসেছে। শিশুটি সুস্থ আছে। তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৩ মার্চ শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। ওই সময় তার জ্বর, ঠান্ডা ও কাশি ছিল। ওই দিনই পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন, তাদের কেউ বিদেশে থেকে আসেননি বা প্রবাসী কারো সংস্পর্শে কেউ যাননি। ওই শিশুকে ওয়ার্ডে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার তার অবস্থা অবনতির দিকে যায়। তাকে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। বিষয়টি আইইডিসিআরকে জানানো হয়েছিল।

তবে পরে শিশুটির পরিবারের এক আত্মীয় বলেন, শিশুটির বাবা ৯ মার্চ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আসেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ছিলেন। এ তথ্য জানার পর শিশুটিকে আইসোলেশনে নেয়া হয়। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া শহরে ওই প্রবাসীর বাড়িতে পুলিশসহ সদর ইউএনও জুবায়ের হোসেন চৌধুরী যান। শিশুটির বাবার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয় এবং লাল পতাকা টাঙিয়ে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তাপস কুমার সরকার, বলেন, শিশুটির শরীরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সব রকম উপসর্গ ছিল। এ কারণে শিশুটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, তা জানার জন্য গত শুক্রবার আইইডিসিআরের এক টেকনোলজিস্ট তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। কিন্তু আইইডিসিআরের পরীক্ষায় তার শরীরে সে ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়নি। এ কারণে রোববার তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। সে মা-বাবার সঙ্গে বাড়িতে চলে গেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম