Alexa কিশোরীকে আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, হোতাসহ গ্রেফতার ৫

ঢাকা, শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৯ ১৪২৬,   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

কিশোরীকে আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, হোতাসহ গ্রেফতার ৫

নরসিংদী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৮ ১৪ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

নরসিংদীর মাধবদীতে এক কিশোরীকে নয়দিন আটকে রেখে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোববার বিকেলে ওই দলের হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে  পুলিশ। 

গ্রেফতাররা হলেন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার দেবাই গ্রামের বিল্লাল হোসেন এর ছেলে সুজন ও তার সহযোগী একই থানার সাতগ্রাম গ্রামের মধু মিয়ার ছেলে রুবেল, ময়মনসিংহ সদর থানার রহমতপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. ফয়সাল মিয়া, লালমনিরহাট সদরের চরকুলাঘাপ গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আছাদুল ইসলাম ও মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা গ্রামের নিশাত মোল্লার ছেলে শাকিল মোল্লা। 

গত ৫ অক্টোবর ওই কিশোরীকে মাধবদী থানার দরগাবাড়ি এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়। 

গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই কিশোরীকে মাধবদীর দরগাবাড়ি এলাকার সড়ক থেকে মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্র। চারদিন পর ৯ অক্টোবর মেয়েটির বাবাকে মোবাইলে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। অন্যথায় মেয়েকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেয়া হয়। মেয়েকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে গত ১২ অক্টোবর এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাধবদী থানায় মামলা করেন মেয়ের বাবা। মামলা করার পর অপহরণকারীদের মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিং শুরু করে পুলিশ। পরে রুবেল নামে অপহরণকারী চক্রের এক সদস্য মুক্তিপণের টাকা নিতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এসে পুলিশের হাতে আটক হয়। 

পরে আটক রুবেলের দেয়া তথ্যানুসারে সাভারের গোমাইল উত্তর পাড়ার একটি বাড়ি থেকে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় অপহরণে সহায়তাকারী ফয়সাল, শাকিল ও আছাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হলেও অপহরণকারী দলের মূলহোতা সুজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্র্যাকিং করে নারায়ণগঞ্জের গাউছিয়া থেকে সুজনকেও গ্রেফতার করা হয়। 

মাধবদী থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ