ঢাকা, শুক্রবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৯ ১৪২৫,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

কাশ্মীরে জমিয়ে রোমান্স করেছেন ইমরান ও তিশা, স্বার্থকও তারা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৪:০৬ ১০ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৪:০৬ ১০ আগস্ট ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় শিল্পী ইমরান মাহমুদুল। প্রতিবারই নতুন নতুন চমক নিয়ে দর্শকদের সামনে আসেন এই শিল্পী। তাছাড়া প্রত্যেক গানে, বিশেষ করে তার সুরে ও দৃশ্যায়নে নতুনত্ব থাকে চোখে পড়ার মতো।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদুল আযহার জন্যও নতুন কিছু চমক নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় এ কণ্ঠশিল্পী। সম্প্রতি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের অঞ্চল লাদাখে শেষ করেন নতুন একটি গানের ভিডিওর শুটিং। এর মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশের কোন শিল্পীর গানের ভিডিও হলো সেখানে।

যেখানে কার্যত বলিউড ও টালিউডের সুপার-ডুপার হিট সব চলচ্চিত্রের শুটিং হয়। তার গাওয়া ‘আমার এ মন’ শিরোনামের গানটির মডেল হয়েছেন তিনি নিজেই। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আরেক লাস্যময়ী মডেল তানজিন তিশা। 

এদিকে গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন আর সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান নিজেই। 

তবে এর আগে, ইমরানের সঙ্গে বহুবার তানজিন তিশাকে দেখা গেছে। তার গানের মডেল হয়েছেন তিনি। ইমরানের সঙ্গে ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ ও ‘শেষ সূচনা’ গানে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাদের। ‘আমার এ মন’ গানটির জন্য আবারো এক হলেন তারা।

এদিকে, ভিডিওটিতে দেখা যাবে কাশ্মীরে জমিয়ে রোমান্স করেছেন ইমরান ও তানজিন তিশা। এটি নির্মাণ করেছেন এ সময়ের আলোচিত নির্মাতা তানিম রহমান অংশু।

গানটি প্রসঙ্গে ইমরানের ভাষ্য, জীবনে অনেক মিউজিক ভিডিওর কাজ করেছি তবে এই কাজটির অভিজ্ঞতা সবচেয়ে রোমাঞ্চকর! বলিউড ও টালিউডের বিখ্যাত অভিনেতা-অভিনেত্রীরা যেখানে যাই আমরাও সেখানে রোমান্স করতে গিয়েছি। সেজন্য অনুমতিও নিতে হয়েছে। 

তবে মজার বিষয়, এতদিন চলচ্চিত্রে যে সব লোকেশন দেখেছি। এবার নিজের ভিডিওর শুটিং করতে গিয়ে তা দেখে আরো মুগ্ধ হয়েছি! গানটি ভালোবাসার কথামালায় সাজানো হয়েছে। 

তবে অভিজ্ঞতার কথা যদি বলি, প্রায় চার-পাঁচ ঘন্টা গাড়িতে জার্নি করে করে একটা লোকেশন থেকে আরেকটা লোকেশনে গিয়ে ভিডিওটির শুটিং করেছি। এত উঁচু উঁচু জায়গায় আমাদের উঠতে হয়েছে যে, শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়েছে। ফলে সারাক্ষণ সঙ্গে আলাদা অক্সিজেন রাখতে হয়েছে। দু’একবার অসুস্থ’ বোধও করেছিলাম। তবে ভিডিওর ফুটেজ দেখার পর মনে হয়েছে সব পরিশ্রম স্বার্থক। এটা আমার জীবনের অন্যতম একটি অভিজ্ঞতা বলতে পারেন। 

আশাকরি গানটি দর্শক-শ্রোতারা খুব ভালোভাবেই নিবেন।

আর তানজিন তিশা বলেন, শুটিং করার সময় মনে হয়েছে পুরোটা সময় একটা স্বপ্নের মধ্যে ছিলাম। অসাধারণ একটি কাজ হয়েছে। শ্বাস-প্রশ্বাসের অসুবিধা, জার্নি সব ছাপিয়ে লোকেশনগুলোর মাঝেই যেন ডুবে ছিলাম দু’জনে। ইমরান আর আমার আগের দুটি ভিডিওর চেয়েও এটি শ্রোতাদের কাছে বেশি প্রশংসিত হবে বলে আশা করছি।

এদিকে ঈদের ঠিক আগে গাঙচিল মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওটি প্রকাশ করা হবে বলে জানান ইমরান।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআই