Alexa কালেমায়ে তাইয়েবার দাবি

ঢাকা, রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৩ ১৪২৬,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

কালেমায়ে তাইয়েবার দাবি

মাওলানা ওমর ফারুক

 প্রকাশিত: ২১:৪৫ ১ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২১:৪৫ ১ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কালেমায়ে তাইয়েবা। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। লা ইলাহার কালেমা বন্ধুকে শত্রু বানিয়ে দেয়। শত্রুকে করে বন্ধু। 

এ কালেমার কারণেই বদরপ্রান্তরে পিতা পুত্রের বিরুদ্ধে, পুত্র পিতার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করেছিল। এই কালেমা কি কোনো যাদু-মন্ত্র, যা পাঠ করার পর মানুষের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে? কী এমন প্রভাব রয়েছে এই শব্দমালায়?

বাস্তব সত্য হলো, এই কালেমা কোনো মন্ত্র না। তেলেসমাতিও না। বরং ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ একটি প্রতিজ্ঞা। একটি অঙ্গীকার। মানুষ তার পালনকর্তার সঙ্গে এই অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়। যখন কেউ বলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, এর মর্ম হলো, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আমি আল্লাহ ব্যতীত সকল উপাস্যকে অস্বীকার করছি। আল্লাহ ব্যতীত কাউকে আমি উপাস্যরূপে স্বীকার করি না। আমি হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ তায়ালার প্রেরিত সত্য নবীরূপে গ্রহণ করছি। 

এই প্রতিজ্ঞার অর্থ হলো, আমি যেই জীবন অতিবাহিত করব তা সর্বাংশে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি এবং তাঁর আহকাম ও বিধি-বিধান মোতাবেক হবে। এ প্রতিজ্ঞার বদৌলতে তার জীবনে এই বিপ্লব সাধিত হয় যে, একটু পূর্বে যে ছিল আল্লাহ তায়ালার অপ্রিয়, এখন সে প্রিয় হয়ে গেল। সামান্য পূর্বেও যে ছিল কাফের, এখন সে মুসলমান। পূর্বে যে জাহান্নামের উপযুক্ত ছিল, এখন সে জান্নাতের বাসিন্দা। এই বিস্ময়কর বিপ্লব সেই প্রতিজ্ঞার বদৌলতেই সাধিত হচ্ছে। শরিয়তে এই প্রতিজ্ঞার নামই হলো তাওহিদ।

এ থেকে বুঝা যায়, কালেমায়ে তাইয়েবা শুধু কথার কথাই না। বরং যেদিন আপনি এই কালেমা পড়লেন, সেদিন আপনি নিজেকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কাছে সপে দিলেন। এবং এই প্রতিজ্ঞা করলেন যে, এখন থেকে আমার পছন্দ বলতে কিছু থাকবে না। এখন থেকে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হুকুম অনুযায়ী আপনার জীবন পরিচালিত হবে। সুতরাং কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর দাবি হলো, কীভাবে জীবনযাপন করব, কীভাবে ইবাদত করব, কীভাবে মানুষের সঙ্গে লেনদেন করব, আমার আখলাক কেমন হবে, সমাজের মানুষের সঙ্গে আমার আচার ব্যবহার কিরূপ হবে, এককথায়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমার বিষয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হুকুম কী, তা জানতে হবে এবং পরিপূর্ণরূপে মেনে চলতে হবে। 

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রতিটি কথা, প্রতিটি কাজ, তার জীবনের প্রতিটি আচরণের মাধ্যমে দীনের বিধি-বিধান শিক্ষা দিয়েছেন। এখন মুসলমানের কাজ হলো, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সেই বিধানগুলো সম্পর্কে ইলম হাসিল করবে। তারপর সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করবে। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর রাসূলের শিক্ষা অনুযায়ী জীবনযাপন করার নামই হলো তাকওয়া। 

তাকওয়ার অর্থ হলো, আল্লাহর ভয়ে ভীত হওয়া। আমি আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা করেছি, যখন পরকালে আল্লাহর সামনে আমাকে উপস্থিত করা হবে, আমি যেন লজ্জিত না হই, আমি যেন প্রতিশ্রুতি পূরণ করিনি বলে চি‎হ্নিত না হই। এই বিষয়ের ভয়কেই বলা হয় তাকওয়া।

কালেমা তাকওয়া অর্জনের তরিকা:

তাকওয়া শব্দের মাঝে পুরো দীনের সারবস্তু এসে যায়। কোরআনুল কারিমের বহুজায়গায় এসেছে, হে ইমানদারগণ, তোমরা তাকওয়া অর্জন কর। এরপর বলা হয়েছে,
 
وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ

‘তোমরা সৎলোকদের সঙ্গী হও।’ (সূরা: তাওবা, আয়া: ১১৯)

আল্লাহ তায়ালার কালাম কতো চমৎকার। একটিমাত্র বাক্যে আল্লাহ তায়ালা মানুষের করণীয় সকল কাজের কথা বড় চমৎকারভাবে বলে দিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দয়া ও অনুগ্রহ করে সেই কাজগুলো করার সহজ রাস্তা বাতলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, হে ইমানদারগণ, তাকওয়া অবলম্বন কর। তাকওয়া অবলম্বন করার পর আর কোনো কিছুর প্রয়োজন থাকে না। তাকওয়ার মধ্যেই সবকিছু এসে যায়।
 
কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাকওয়া কীভাবে অর্জন করব? তাকওয়া তো অনেক উঁচু স্তরের একটি বিষয়। এর জন্য অনেক শর্ত ও দাবি পূরণ করতে হয়। এটা কীভাবে অর্জন করা যায়? আল্লাহ তায়ালা উপরিউক্ত আয়াতে এরই সহজ রাস্তা বাতলে দিয়েছেন যে, তোমরা সৎলোকদের সাথী হও। সৎ লোক বলতে শুধু এটা বুঝায় না যে, সে সত্য কথা বলে। মিথ্যা কথা বলে না। বরং সৎলোক হওয়ার অর্থ হলো, যে কথা-কাজে সত্যবাদী। যে ওয়াদা রক্ষার ক্ষেত্রে অটল। যে লেনদেনের ক্ষেত্রে সৎ ও সত্যবাদী। যে সামাজিক আচার-আচরণে সৎ। যে আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে কৃত-অঙ্গীকার রক্ষার ক্ষেত্রেও সৎ। 

পবিত্র কোরআন বলছে, এমন লোকদের সাথী হও। তাদের সান্নিধ্য গ্রহণ কর। তাদের সঙ্গে ওঠা-বসা কর। যখন তাদের সঙ্গে ওঠা-বসা শুরু করবে, তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের তাকওয়ার ঝলক তোমাদের ভিতরেও সৃষ্টি করে দিবেন। এটাই হলো তাকওয়া অর্জনের পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতেই যুগে যুগে দীন স্থানান্তরিত হয়ে আসছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত এই দীন এসেছে, সৎলোকের সান্নিধ্যের মাধ্যমে। আল্লাহওয়ালাদের সোহবতের মাধ্যমে।

সাহাবায়ে কেরাম কোত্থেকে দীন অর্জন করেছেন:

সাহাবায়ে কেরাম কোত্থেকে দীন অর্জন করেছেন? তারা কী কোনো ইউনিভার্সিটিতে পড়েছিলেন? কোনো কলেজে? তাদের কী কোনো সনদপত্র ছিলেন? কোনো ডিগ্রি ছিলেন? একটিমাত্র শিক্ষালয়ে থেকে তারা জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। তা ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিস। সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলেন। তাঁর সোহবত ও সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। এ দ্বারাই আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে দীনের রঙে রঙিন করেছিলেন। এমনভাবে রঙিন করেছিলেন যে, আকাশ ও পৃথিবীবাসী দীনের রঙে রঙিন এমন জামাত আর কখনোই দেখেনি। কখনোই দেখতে পাবে না। 

যেসব লোক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ যুদ্ধে লিপ্ত থাকত। একে অপরের রক্তের নেশায় উন্মাদ হয়ে যেত। সেই তাদের সামনে দুনিয়া এমন নিরর্থক ও মূল্যহীন হয়ে দেখা দেয়, এমন অবাঞ্চিত সাব্যস্ত হয় যে, তারা আল্লাহ তায়ালার বিধানের সামনে এবং আখেরাতের সফলতার জন্য সারা দুনিয়ার সম্পদ ও ক্ষমতাকে তুচ্ছ ভরে প্রত্যাখ্যান করেন।

হজরত আবু উবায়দা (রা.) এর দুনিয়াবিমুখতা:

হজরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.) এর ঘটনা। তখনকার যুগে সুপারপাওয়ার ছিল রোম ও পারস্য। আল্লাহ তায়ালা তাদের দম্ভ হজরত ওমর ফারুক (রা.) এর হাতে চূর্ণ করে দেন। আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-কে তিনি সিরিয়ার গবর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। একবার হজরত ওমর ফারুকে আজম (রা.) সিরিয়া সফর করেন। তিনি হজরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-কে বলেন, আমার মন চায়, আপনার ঘরখানি একটু দেখে আসি। সম্ভবত হজরত ওমর ফারুক (রা.) এর মনে এই চিন্তা উদয় হয়েছিল যে, মদিনা অনুর্বর এলাকা। সেখানে তেমন কোনো সম্পদ নেই। সামান্য চাষাবাদ ও কৃষিকাজ সেখানকার মানুষের উপার্জনের মাধ্যম। 

সিরিয়া অঞ্চল অত্যন্ত উর্বর। মাঠভরা ফসল। বাগানভরা ফল-ফলাদি। বাণিজ্যের বিশাল বাজার। রোমানদের কৃষ্টি-সভ্যতার প্রভাব তখনো সেখানে বিদ্যমান। আবু উবায়দা এখানকার গভর্নর নিযুক্ত হওয়ার পর তার মনে কি দুনিয়ার মহব্বত তৈরি হয়েছে? তিনি কি নিজের জন্য বিশাল কোনো বাড়ি নির্মাণ করেছেন? তার জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কী কোনো পরিবর্তন এসেছে? এসব ভেবে হজরত ওমর ফারুক (রা.)-কে আজম (রা.) তার বসতবাড়ি দেখার ইচ্ছা পোষণ করেন।

হজরত আবু উবায়দা (রা.) উত্তরে বলেন, আমিরুল মুমিনিন, আপনি আমার ঘর দেখে কী করবেন? আমার ঘর দেখে চোখ ভেজানো ছাড়া আর কোনো লাভ হবে না। হজরত ওমর ফারুক (রা.) বলেন, আমার মন চায় আমি ভাইয়ের ঘর দেখি।

হজরত আবু উবায়দা (রা.) তাকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে লাগলেন। হাঁটতে হাঁটতে বহুদূর চলে এলেন। কিন্তু কোথাও ঘর দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল না। যখন শহরের বসতি পিছনে ফেলে এলেন, তখন হজরত ওমর ফারুক (রা.) আজম (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই, তোমার ঘর দেখতে পাচ্ছি না যে? তুমি কোথায় নিয়ে যাচ্ছ আমাকে?

তিনি বললেন, আমিরুল মুমিনিন, আমি আপনাকে আমার ঘরেই নিয়ে যাচ্ছি। বসতি ছেড়ে অনেক দূর আসার পর একটি লতাপাতার ঝুপড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললেন, আমিরুল মুমিনিন, এটা আমার ঘর। হজরত ওমর ফারুক (রা.) আজম (রা.) এর ঝুপড়ির অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। দৃষ্টি ঘুরিয়ে চারদিক দেখলেন। কোনো কিছুই তার দৃষ্টিতে ধরা পড়ল না। একটি জায়নামাজ বিছানো ছিল। এ ছাড়া পুরো ঝুপড়িতে কিছুই ছিল না। 

হজরত ওমর (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, আবু উবায়দা, তুমি জীবনধারণ কর কীভাবে? তোমার ঘরের আসবাব কোথায়? হজরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.) সামনে অগ্রসর হলেন এবং একটি তাক থেকে একটি পেয়ালা তুলে আনলেন। দেখা গেল সেই পেয়ালায় কিছু পানি আছে এবং তাতে কিছু শুকনো রুটির টুকরা ভেজানো আছে। তিনি বললেন, আমিরুল মুমিনিন, আমার ব্যস্ততা ও দায়িত্বের কারণে খাবার রান্না করে খাব এই সময়টুকু পাই না। তাই আমি এক সপ্তাহর রুটি এক বৃদ্ধাকে দিয়ে বানিয়ে আনি। তারপর তা অল্প অল্প করে পানিতে ভিজিয়ে খেয়ে নিই। আল্লাহ তায়ালার দয়া ও অনুগ্রহে জীবন ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছে।

হজরত ওমর ফারুক (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার অন্যসব আসবাবপত্র কোথায়? হজরত আবু উবায়দা (রা.) বললেন, আর কী আসবাব, আমিরুল মুমিনিন? যে আসবাব এখানে আছে, কবর পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য তাই যথেষ্ট। হজরত ওমর ফারুক (রা.) এ কথা শুনে কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, আবু উবায়দা, এ দুনিয়া আমাদের প্রত্যেককে বদলে দিয়েছে কিন্তু আল্লাহর কসম, তুমি তাই আছ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জমানায় যেমন ছিলে। হজরত আবু উবায়দা (রা.) বলেন, আমিরুল মুমিনিন, আমি তো পূর্বেই বলেছিলাম, আমার ঘরে গেলে চোখ ভেজানো ছাড়া আপনার কোনো লাভ হবে না।

হজরত আবু উবায়দা (রা.) ছিলেন সিরিয়ার গবর্নর। তার শাসনাধীনে সিরিয়ার যে এলাকা ছিল, বর্তমানে তা স্বাধীন চারটি রাষ্ট্রে বিভক্ত। আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.) এর পদপ্রান্তে প্রতিদিনই সম্পদের স্তুপ লেগে যেত। রোম ও পারস্যের বড় বড় শক্তিগুলো আবু উবায়দার নাম শুনে কেঁপে উঠত। রোম ও পারস্যের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে রাজা-বাদশা ও আমির-ওমারাদের ধনভাণ্ডার ও মণি-মাণিক্য তার পদপ্রান্তে জমা করা হতো। কিন্তু আবু উবায়দা (রা.) কোনোদিন তা ছুঁয়েও দেখেননি। তিনি সারাজীবন সেই নিভৃত ঝুপড়িতে কাটিয়ে দিয়েছেন। 

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের যে জামাত তৈরি করেছিলেন বাস্তবতা হলো, ভূপৃষ্ঠে এমন জামাত দ্বিতীয়টি পাওয়া যাবে না। দুনিয়ার সহায়-সম্পদকে এতটা মূল্যহীন এবং তুচ্ছজ্ঞান করতেন যে, তাদের দৃষ্টিতে এগুলোর কোনো গুরুত্বই অবশিষ্ট ছিল না। তাদের হৃদয়ে সর্বদাই এক চিন্তা ছিল, কখন আল্লাহ তায়ালার দরবারে উপস্থিত হতে হয়? ক্ষণস্থায়ী এ জীবন কতটুকুই বা মূল্য রাখে? নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের হৃদয়ে যর্থাথই এ চিন্তা গেঁথে দিতে সমর্থ হয়েছিলেন। এরই নাম তাকওয়া। এটাই কালিমার দাবি। 

এটা কোত্থেকে অর্জিত হয়েছিল? এটা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সোহবত ও সান্নিধ্যের বরকতে অর্জিত হয়েছিল। তাঁর সান্নিধ্যে যে ব্যক্তিই কিছুদিন অতিবাহিত করেছে, তার সামনে দুনিয়ার প্রকৃত মূল্য পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। আখেরাতের মূল্য তারা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। দীন এভাবেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর চলে আসছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

Best Electronics
Best Electronics