কাপড়ের ঘর বানিয়ে বাঁচার চেষ্টা কূলহারা দম্পতির
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=159149 LIMIT 1

ঢাকা, রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৫ ১৪২৭,   ০১ সফর ১৪৪২

Beximco LPG Gas

কাপড়ের ঘর বানিয়ে বাঁচার চেষ্টা কূলহারা দম্পতির

মাদারীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:৫৮ ২৬ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০১:০৪ ২৬ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চৌকিদারের চাকরির সামান্য অর্থে সংসার চালাতেন মাদারীপুর সদরের বাহাদুরপুর ইউপির দক্ষিণ বীরাংগল গ্রামের নুরুজ্জামান। তবে নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে নিজের বাড়ি হারিয়ে কূলহারা হন তিনি। অবশেষে পাশের ইউপির জালালপুর গ্রামের কামাল মাতুব্বরের জমিতে কাপড়ের ঘর বানিয়ে বাঁচার চেষ্টায় রয়েছেন তিনি ও তার স্ত্রী।

নুরুজ্জামানের স্ত্রী আসমা বেগম বলেন, নদীতে ঘর বিলীন হওয়ার পর আমরা পথে বসে যাই। এখন ভিক্ষা করেও খাবার জুটে না। আর ঘর নির্মাণের চিন্তাতো অনেক দূরে। এর মধ্যে স্বামীর মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে তিনি কোনো কাজ করতে পারেন না। এ শীতের কুয়াশা ভেজা কাপড়ের ঘরে বেঁচে থাকার চেষ্টায় আছি আমরা।

এদিকে, নুরুজ্জামানের এমন মানবেতর জীবনের কথা শুনে শনিবার দুপুরে মাদারীপুরের সদর ইউএনও মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস ও মাদারীপুর মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মাহমুদা আক্তার কণা, ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী ফকির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ইউএনও মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, কাপড়ের ঘর বানিয়ে শীতের মধ্যে বসবাস করা খুবই কষ্টকর। এছাড়া সামনে ঝড়-বাদলের দিন আসছে। এজন্য নুরুজ্জামানকে ঘর নির্মাণ বাবদ তিন বান্ডিল টিন ও নয় হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় ইউপি সদস্য বাঁশ ও মাটির ব্যবস্থা করে দেবেন।

মাদারীপুর মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মাহমুদা আক্তার কণা বলেন, কাপড়ের ঘর বানিয়ে বসবাস করা অসম্ভব। তাদের ঘর নির্মাণে আমিও আর্থিক সহযোগিতা করব।

আশ্বাস পাওয়ার পর আসমা বেগম বলেন, এখন আমাদের ঘর হবে। এর বেশি আনন্দ আর কি হতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ