Alexa কলকাতায় প্রকাশিত হল ‘মহানির্মাণ’, নতুন বছরে আসছে ঢাকায়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৬,   ০৩ রজব ১৪৪১

Akash

কলকাতায় প্রকাশিত হল ‘মহানির্মাণ’, নতুন বছরে আসছে ঢাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:১২ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১০:১৪ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাঙালির আবেগের নাম যে বঙ্গবন্ধু তা আবার প্রমাণ করল কলকাতা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে কলকাতার ছাত্রজীবনের শেষ পর্যন্ত (১৭ অগাস্ট, ১৯৪৭) জীবনকাহিনী অবলম্বনে লেখা অমিত গোস্বামীর উপন্যাস ‘মহানির্মাণ’-এর ভারতীয় সংস্করণ ২১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হল কলকাতার ঐতিহ্যবাহী জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে। 

অনুষ্ঠানে যতোবার ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘শেখ হাসিনা’র নাম উচ্চারিত হয়েছে ঠাকুরবাড়িতে উঠেছে সম্মিলিত করতালি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি ড. মোফাখারুল ইকবাল, বাংলাদেশের জাতিসত্তার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা, অধ্যাপক মানোয়ার হুসেন, কবি ও সাহিত্যিক ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, কবি সাহিত্যিক ও যুগসাগ্নিক সম্পাদক প্রদীপ গুপ্ত, সাংবাদিক সাহিত্যিক চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য এবং লেখক অমিত গোস্বামী। 

প্রায় তিনশ মানুষের উপস্থিতিতে বইটির উদ্বোধন হয়। প্রথমে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি ড. মোফাখারুল ইকবাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বাঙালি জাতির সাহিত্যচর্চায় বঙ্গবন্ধুর প্রভাব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি লেখক অমিত গোস্বামীকে ‘কলকাতার কবি কিন্তু বাংলাদেশের লেখক’ বলে উল্লেখ করে বলেন যে তার এই উদ্যোগ বেশ কয়েক বছরের এবং প্রতিনিয়ত তথ্য যাচাই করে তিনি এই কাহিনী বিবৃত করেছেন। 

ভারতীয় হওয়ায় কলকাতার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্যপ্রাপ্তি অবশ্যই তাকে সুবিধা দিয়েছে যার ফলশ্রুতি এই উপন্যাস। বাংলাদেশের জাতিসত্তার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা লেখক অমিত গোস্বামীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর জড়িত। তিনি তার বক্তব্যে এই উপন্যাস সম্পর্কে তার আস্থা প্রকাশ করে বলেন যে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠার নির্মাণ কাহিনী ‘মহানির্মাণ’ বাঙালি জাতির জন্যে এক ভবিষ্যতের দলিল হয়ে উঠবে। 

এসময় সাহিত্যিক ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, প্রদীপ গুপ্ত, অধ্যাপক মানোয়ার হুসেন, চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তাদের শ্রদ্ধা ও লেখকের প্রতি তাদের আস্থার কথাও প্রকাশ করেন তিনি। 

লেখক অমিত গোস্বামী তার বক্তব্যে বলেন, যে এই বইয়ের চিন্তক কবি ও লেখক ড. কামাল চৌধুরী। বাংলাদেশ নিয়ে আমার ‘আলতাফ’, ‘হুমায়ূন’সহ বিভিন্ন উপন্যাস পড়ার পরে তিনি এই আইডিয়া দেন। দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও জাতীয় গ্রন্থাগার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাহায্যে তৈরি হয় এক চিত্রকল্প। এ উপন্যাসে তাকেই বিবৃত করা হয়েছে। কবি ও লেখক ড. কামাল চৌধুরী তার ব্যস্ততার মধ্যেও এই উপন্যাসের পরিমার্জন করে দিয়েছেন। এই উপন্যাস আমার সামান্য শ্রদ্ধার্ঘ ইতিহাসের অন্যতম সেরা রাজনৈতিক স্রষ্টার প্রতি।

এই বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তার পক্ষে বইটি গ্রহণ করেন ড. মোফাখারুল ইকবাল। বইটির কলকাতার প্রকাশক পালক পাবলিশার্স। বইটি এখন অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। তবে বইটি প্রকাশের পরে বাংলাদেশের বাজারে আসবে। বাংলাদেশে বইটির প্রকাশক অন্বেষা প্রকাশ এবং প্রকাশ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়েছেন ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন। 

লেখক আরো জানান, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে একটি প্রকাশানুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে এই উপন্যাসটি আত্মপ্রকাশ করবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস