Alexa কলকাতার আদালতে তিন বাংলাদেশি দোষী সাব্যস্ত

ঢাকা, শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২১ ১৪২৬,   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১

কলকাতার আদালতে তিন বাংলাদেশি দোষী সাব্যস্ত

 প্রকাশিত: ১২:৫৭ ২৩ জুলাই ২০১৭  

ভারতে নাশকতার অভিযোগে তিন বাংলাদেশি নাগরিককে দোষী সাব্যস্ত করেছে কলকাতার একটি আদালত। প্রায় আট বছর আগে রাজীব কুমারের নেতৃত্বে গঠিত কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ওই তিন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে। গত শুক্রবার তাদের দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আদালত দোষীদের সাজা শোনাবে। পুলিশ সূত্রে খবর, দোষী সাব্যস্ত তিনজন আবদুল্লাইল বাকি, আবদুল রহমান এবং তহিদুর রহমান। কলকাতায় বড়সড় নাশকতা সংগঠিত করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০০৯ সালে নভম্বরে তাদের কলকাতার ধর্মতলা থেকে আটক করে এসটিএফের সদস্যরা। আটক করার সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ লাখ মূল্যের ভারতীয় জাল নোট এবং প্রচুর বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারের তিন মাসের মধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে শুনানি চলার পরে গত শুক্রবার তিনজনকেই দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে জঙ্গি সংগঠন হরকত-উল-জিহাদি-আল-ইসলামি (হুজি) ও লস্কর-ই-তৈয়বার লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ কাজ করা শাহিদ বিলালই ওই তিন বাংলাদেশিকে এদেশে নিয়োগ দিয়েছিল। ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তালিকাতেও নাম ছিল বিলালের। এই বিলালই পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর থেকে জঙ্গি কর্মকাণ্ড পরিচালিত করতো বলে অভিযোগ। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত আবদুল্লাইল বাকি ২০০৫ সালে হায়দরাবাদ পুলিশের এসটিএফের সদর দফতরে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। বিভিন্ন ধংসাত্মক কর্মকাণ্ড ঘটানো এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য জাল নোট প্রদানের লক্ষ্যে নিজের দুই সঙ্গী রহমান ওরফে নাফিজ এবং তাহিদুলকে নিয়ে কলকাতাতেও এসেছিল বাকি। তদন্তকারী পুলিশের অভিমত, হুজির লিঙ্কম্যান শাহিদ বিলাল-ই সরাসরি নিয়োগ দিয়েছিল বাকিকে। ২০০৬ সালে শ্রমজীবী এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণসহ ভারতে পাঁচটিরও বেশি জঙ্গি হামলায় জড়িত ছিল সে। এসটিএফ সূত্রে খবর, দোষীদের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে আরও দুই অভিযুক্তের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। তাদের নাম গুলাম ওরফে পিপলু এবং শরিফ ওরফে কাঞ্চন। এরাই মূলত জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা থেকে শুরু করে ক্যাডার নিয়োগ, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করতো। ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ