কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংক দেবে ২১০০ কোটি টাকা

.ঢাকা, বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১০ ১৪২৬,   ১৮ শা'বান ১৪৪০

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংক দেবে ২১০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ০২:১১ ১০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১২:০১ ১০ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দেশে বৃহৎ পরিসরে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য ২৫ কোটি মার্কিন ঋণ সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২১০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকারের জব ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি) কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংস্থাটি এ সহায়তা দেবে।

বুধবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এ সংক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

অনুষ্ঠানে জানানো জানানো হয়, তিন বছর মেয়াদী এ কর্মসূচির আওতায় বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাণিজ্য পরিবেশ আধুনিকায়ন, শ্রমিকদের সুরক্ষা ও সব ধরনের অভিঘাত মোকাবিলায় সক্ষমতা জোরদারকরণ এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিক হারে কর্মে প্রবেশ নিশ্চিতকরণে নীতি ও কর্মসূচি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমদ এবং ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। এতে বক্তব্য রাখেন অর্থ বিভাগের সচিব আবদুর রউফ তালুকদার ও ইআরডির অতিরিক্ত সচিব  মাহমুদা বেগম। পরে প্রকল্প সম্পর্কে উপস্থাপন করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আজিজুল আলম। 

এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো, শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে আমরা উন্নতি করেছি। তবে কর্মসংস্থানে কিছুটা  পিছিয়ে আছি। সরকার অবকাঠামো সুবিধাসহ বেসকারি খাতকে বিভিন্ন ধরণের সুবিধা  দিচ্ছে। তারা ব্যাপক বিনিয়োগ করবে। ফলে বিভিন্ন খাতভিত্তিক বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠিত হলে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের রাজস্ব, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে সংস্কার করা হবে। আমাদের ৬০ শতাংশ কর্মক্ষম জনশক্তি রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ জনসংখ্যার বোনাসকাল ভোগ করতে পারবে। দেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই আছে। 

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে গত দুই দশকে প্রবৃদ্ধি অর্জন ,দারিদ্র নিরসন, মানব সম্পদ উন্নন হয়েছে ব্যাপক। 

মনোয়ার আহমেদ বলেন, অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এ ঋণটি প্রক্রিয়াকরণ করে চুক্তি করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে এটিই প্রমাণিত হয় যে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের বিভিন্ন খাতে  উন্নয়ন হচ্ছে।’

বিশ্বব্যাংকের দেয়া এ বাজেট সহায়তা ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে উত্তোলিত অর্থের উপর শুন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং ১ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে সুদসহ মোট ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর