কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে অভিষিক্ত সেনাপ্রধান

.ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১৩ ১৪২৬,   ২০ শা'বান ১৪৪০

কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে অভিষিক্ত সেনাপ্রধান

 প্রকাশিত: ১৪:০২ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:১৩ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সেনাপ্রধানকে ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেয়া হচ্ছে

সেনাপ্রধানকে ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেয়া হচ্ছে

চট্টগ্রাম সেনানিবাসে সেনাবাহিনী প্রধানকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘১৫তম কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়েছে। 

সোমবার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের জ্যেষ্ঠ অধিনায়ক এবং জ্যেষ্ঠ সুবেদার মেজর সেনাবাহিনী প্রধানকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’-এর র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এরপর সেনা প্রধান অজানা শহীদ সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের উদ্দেশে দরবার গ্রহণ করেন।

বৃটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বাঙালি মুসলিম সৈনিকদের সাহসিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্যাপ্টেন গনি বাঙালি মুসলিমদের নিয়ে একটি পৃথক রেজিমেন্টের স্বপ্ন দেখেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে সর্বপ্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈনিকেরা ইপিআর সদস্যদের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে অবস্থানরত ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৫টি ব্যাটালিয়নের বাঙালি সৈনিকরাই মুক্তিবাহিনীর প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম বাঙালি কমান্ড্যান্ট কর্নেল এমএজি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সর্বমোট ৪৫টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টসমূহ আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একটি চৌকস পদাতিক বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

জেনারেল আজিজ আহমেদ কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার পর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত সব অধিনায়কদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য রেজিমেন্টের সব সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান। 

অনুষ্ঠানে সেনাসদর ও স্থানীয় ফরমেশনের উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই/আরআই