করোনা সচেতনতায় বিরলে মানুষের পাশে ‘শালবান’ 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৭,   ০২ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

করোনা সচেতনতায় বিরলে মানুষের পাশে ‘শালবান’ 

মিরাজুল মিশকাত, হাবিপ্রবি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩৫ ২৮ মার্চ ২০২০  

সমাজের পিছিয়ে পরা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে সংগঠনটি।

সমাজের পিছিয়ে পরা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে সংগঠনটি।

দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়া সেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন ‘শালবান’ যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালে। সমাজের পিছিয়ে পরা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে সংগঠনটি। এর মাঝেই শিক্ষার্থীদের নানা মহৎ উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে ছায়া হয়ে পাশে দাঁড়ায় শালবনের সদস্যরা। এর ধারাবাহিকতায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধ করতে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটির সদস্যরা। 

এরইমধ্যে প্রায় ৩৫০০ মাস্ক বিনামূল্যে উপজেলার মানুষের মধ্যে বিতরণ করে সংগঠনটি। পাশাপাশি করোনাভাইরাস প্রতিরোধের অংশ হিসেবে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করছে সংগঠনটি সদস্যরা। এছাড়া উপজেলার  বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ  বাজারসমূহকে জীবাণুমুক্ত করতে জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করা হয় বলে সংগঠনটির সদস্যরা জানায়।

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরান আলী বলেন, যেহেতু এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি সেহেতু সচেতনতাই সবচেয়ে বড় ওষুধ। আর সে লক্ষ্যে শালবন পরিবার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে সার্বিক সহায়তা করছে সংগঠনটির বড় ভাইয়েরা। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও সহায়তা পাচ্ছি। তবে আগামীতে আর্থিক সহায়তা আরো পেলে আমাদের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।  তবে আমরা শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেদের স্থান থেকে সর্বোচ্চ সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। 

বিরল উপজেলার বাসিন্দা রেজাউল করিম শালবন সংগঠনের সদস্যদের প্রচারণার প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ সত্যিই আমাদের জন্য গর্বের। এরাই দেশের সোনার ছেলে। আমি নিজেও করোনা প্রতিরোধে এতটা সচেতন ছিলাম না। তাদের নানামুখী প্রচারণা আমার  ভ্রান্ত ধারণার পরিবর্তন করেছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের এমন কার্যক্রম আগামীতে অব্যহত থাকবে বলে আশা করি।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম