Alexa কমছে ডেঙ্গু আতঙ্ক

ঢাকা, রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৭ ১৪২৬,   ২২ মুহররম ১৪৪১

Akash

কমছে ডেঙ্গু আতঙ্ক

এস রাকিব ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১১ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২১:২৭ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কার্টুন: আনিস মামুন

কার্টুন: আনিস মামুন

সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এতে ডেঙ্গু নিয়ে দেশবাসির মধ্যে যে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল তাও অনেকটা কমে এসেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেল্থ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৭৬০ জন ডেঙ্গু নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা গত এক মাসে সবচেয়ে কম।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল মোট এক হাজার ২৫ জন। এর মধ্যে ঢাকার ভেতরে ৪৬৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৬০ জন।

এছাড়া বৃহস্পতিবার এক হাজার ১৮৯ জন, বুধবার এক হাজার ১৫৭ জন, মঙ্গলবার এক হাজার ২৯৯ জন, সোমবার এক হাজার ২৫১ জন এবং গত রোববার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ সংখ্যা ছিল এক হাজার ২৯৯ জন।

জানা গেছে,  চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭০ হাজার ১৯৫ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৫ হাজার ১৭০ জন। বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ৪ হাজার ৮৬০ জন। এর মধ্যে কেবল রাজধানীতে আছেন দুই হাজার ৬৯৬ জন আর ঢাকার বাইরে রয়েছেন দুই হাজার ১৬৪ জন।

জানা গেছে, ২০০০ সালে দেশে প্রথম ব্যাপকভাবে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৫ হাজার ৫৫১ জন রোগী। এরপর ২০০১ সালে কিছু কমলেও ২০০২ সালে রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

এরপর থেকে কোনো বছর রোগী কমেছে, কখনো বেড়েছে। অতীতে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয় ২০১৮ সালে। ওই বছর মোট ১০ হাজার ১৪৮ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সবমিলিয়ে ১৯ বছরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ১৭৬ জন।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি  আগস্ট মাসেই সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এই সংখ্যা ৫১ হাজার ৭৩৪ জন। যা গত ১৯ বছরের মোট ডেঙ্গু রোগীর চেয়েও বেশি।

এছাড়া চলতি বছর এপ্রিলে ৫৮ জন, মে মাসে ১৯৩ জন, জুনে ১৮৮৪ জন এবং জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ধীরে ধীরে নতুন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসছে। নতুন আক্রান্তের তুলনায় ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা বেশির পেছনে চিকিৎসক, নার্সসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে।
তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে নানা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে চলেছে সরকার। এছাড়া ডেঙ্গু রোগ ও প্রতিকার সম্পর্কে জনসচেতনতা বেড়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস