.ঢাকা, সোমবার   ২৫ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ১০ ১৪২৫,   ১৮ রজব ১৪৪০

কন্ট্রোল রুমের নির্দেশ মানেননি পাইলট : টিআইএ

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ০৪:২৬ ১৩ মার্চ ২০১৮   আপডেট: ২০:০৩ ১৩ মার্চ ২০১৮

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনার জন্য নেপালের ত্রিভুবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (টিআইএ) কর্তৃপক্ষ বিমানের পাইলটকে দোষারোপ করেছেন।

টিআইএর জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রি আলজাজিরাকে বলেন, কন্ট্রোল রুমের নির্দেশ অমান্য করে ভুল দিকে অবতরণের পরই বিমানটি রানওয়েতে পিছলে যায়।

তিনি বলেন, কন্ট্রোল রুম থেকে তাকে দক্ষিণ দিক থেকে অবতরণের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু আকাশে কয়েকবার চক্কর দিয়ে বিমানটি উত্তর দিক থেকে অবতরণ করে।

এদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইমরান আসিফ প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বিমানের পাইলট আবিদ সুলতান আহত হয়েছেন এবং চিকিৎসাধীন আছেন। পাইলটের সঙ্গে কন্ট্রোল টাওয়ারের ‘ভুল বুঝাবুঝির’ কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

সংগৃহিত

ইউটিউবে বিমানের পাইলট ও কন্ট্রোল রুমের মধ্যে কথোপকথন প্রকাশ করা হয়েছে। সেটি শুনেই তারা এমন সন্দেহ করছেন বলে জানান আসিফ।

ঢাকা থেকে ইউএস-বাংলার বিমানটি স্বাভাবিকভাবেই উড়েছিল। কিন্তু কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে অবতরণের ঠিক আগে মূহুর্তে বিমানটি ‘অদ্ভুত আচরণ’ শুরু করে বলে জানিয়েছেন বিমান দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী।

সোমবার কাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রী বসন্ত বহরা কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ঢাকা থেকে তাদের বিমান স্বাভাবিকভাবেই উড়েছিল। কিন্তু ত্রিভুবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছাকাছি এসে বিমানটি অদ্ভুত আচরণ শুরু করে।

রাসুইটা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের কর্মচারী বহরা বলেন, হঠাৎ বিমানটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে শুরু করে এবং একসময় খুব জোরে একটা শব্দ হয়। আমি জানলার কাছে বসেছিলাম তাই জানলা ভেঙে বেরিয়ে আসতে পেরেছি।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। চার ক্রুসহ ৭১ জন আরোহীর কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন।

ইউএস-বাংলা সুত্রে জানাযায়, বিধ্বস্ত বিমানে ৩৩ জন নেপালী, ৩২ বাংলাদেশী, একজন মালদ্বীপের এবং এক চীনা নাগরিক ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে দুজন শিশুও ছিল।


ডেইলি বাংলাদেশ/সালি