কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছেয়ে গেছে সাগরলতায়

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭,   ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছেয়ে গেছে সাগরলতায়

ভ্রমণ প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:০৩ ৩১ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১২:৪০ ৩১ মার্চ ২০২০

সবুজের এই জালে রাশি রাশি বালু আটকে সৃষ্টি হচ্ছে বালিয়াড়ি

সবুজের এই জালে রাশি রাশি বালু আটকে সৃষ্টি হচ্ছে বালিয়াড়ি

এমন রূপ কয়েক দশকেও দেখা যায়নি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। পর্যটক এমনকি স্থানীয়দের পা না পড়ায় সৈকতের অনেকাংশ দখল করেছে সাগরলতা। সবুজের এই জালে রাশি রাশি বালু আটকে সৃষ্টি হচ্ছে বালিয়াড়ি।

অতিরিক্ত পর্যটক ও দূষণের কারণে প্রায় ৩ দশকে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতের বড় বালিয়াড়িগুলো প্রায় হারিয়ে গেছে। করোনার কারণে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে প্রকৃতি নিজেই। তাই এখন গোলাপি-অতিবেগুনি রঙের ফুলেভরা সৈকত চোখে পড়ছে।

বাংলাদেশ সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক সাগরলতা নিয়ে গবেষণা করেন। সীমিত পরিসরে হলেও কক্সবাজারের দরিয়ানগরে এই কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রকৃতি এখন সাগরলতা আপন মনে গড়ে নিচ্ছে। এসব সাগরলতা ও বালিয়াড়ি সংরক্ষণ করতে হবে।

সৈকতের অনেকাংশ দখল করেছে সাগরলতা

একসময় কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে কলাতলী পর্যন্ত একটি ডেইল ছিল। সেখানে সাগরলতার ফুল দেখা যেত, যা যে কাউকেই মুগ্ধ করতো। কিন্তু এসব বালিয়াড়িকে ঘিরে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা। ফলে হারিয়ে যায় সাগরলতা।

সাগরলতার শেকড় মাটির ৩ ফুটের বেশি গভীরে যেতে পারে। এটি দ্রুতবর্ধনশীল একটি উদ্ভিদ। বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ না হলে লতাটি চারিদিকে বাড়তে থাকে এবং সর্বোচ্চ সামুদ্রিক জোয়ারের উপরের স্তরের বালিয়াড়িতে জাল বিস্তার করে মাটিকে আটকে রাখে। এরপর বায়‚ প্রবাহের সঙ্গে আসা বালি ধীরে ধীরে সেখানে জমা হয়ে মাটির উচ্চতা বৃদ্ধি করে। এতে সাগরলতার ও সৈকতের মাটির স্থিতিশীলতা তৈরি হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে/টিআরএইচ