কক্সবাজারে দশ টাকায় চাল বিক্রি শুরু
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=50339 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২১ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

কক্সবাজারে দশ টাকায় চাল বিক্রি শুরু

 প্রকাশিত: ১৭:৪১ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:৪১ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কক্সবাজারে পুনরায় শুরু হচ্ছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি। ৮৭ হাজার ৭২২ টি কার্ডধারী পরিবার ১০ টাকায় ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবে নির্দিষ্ট ডিলারদের থেকে। এই কর্মসূচি চলবে নভেম্বর পর্যন্ত।

তবে ডিলারদের গুদাম থেকে চাল নিতে দেরি হলে বিক্রয় কার্যক্রম সামান্য পিছিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কর্মসূচি তদারকির জন্য ৮টি উপজেলায় শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদফতর।

নির্বাচনের আগে এ কর্মসূচিকে ভোটারদের কাছে টানার কৌশল মনে করছে অনেকে। অপরদিকে কর্মকর্তারা বলছেন এটি সরকারের নিয়মিত কর্মসূচির।

জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, ১০ টাকার চাল প্রকল্পটি প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক কষ্ট লাঘবে গুরুত্ব বহন করে। গত মার্চে বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির কারণে অসহায় দরিদ্রদের জন্য উক্ত কর্মসূচি চালু করে সরকার। শুধুমাত্র উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা ছাড়া গত এপ্রিল মাস থেকে পুরো জেলায় বন্ধ ছিল এ কর্মসূচি।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তা তাহসিনুল হক জানান, এই কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারে ১০ টাকার চাল বিক্রির জন্য ১৮৩ জন ডিলার নিয়োজিত রয়েছেন। চলতি সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। কার্ডধারীরা ৩০ কেজি করে চাল ডিলারদের কাছ থেকে কেনার সুযোগ পাবে। ৮৭ হাজার ৭শ ২২ পরিবারের জন্য ২৬৩১.৬৯০ মে.টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা ভিত্তিক ডিলার, উপকারভোগী পরিবার এবং বরাদ্দের পরিমাণ হলো: কক্সবাজার সদরে ৬৪৯৮ পরিবারের জন্য ২২ ডিলারকে বরাদ্দ দেওয়া হয় ২৮৪.৯৪০ মে.টন। 

চকরিয়ায় ১৩১২৫ পরিবারের জন্য ২৮ জন ডিলারকে ৩৯৩.৭৫০ মে.টন। পেকুয়ায় ১০৫৪১ পরিবারের জন্য ১৯ ডিলারকে ৩১৬.২৩০ মে.টন। কুতুবদিয়ায় ৩৯৯৩ পরিবারের জন্য ৯ ডিলারকে ১১৯.৭৯০ মে.টন।  মহেশখালীতে ১৩২৬২ পরিবারের জন্য ২৫ ডিলারকে ৩৯৭.৮৬০ মে.টন। উখিয়ার ১০৩২৯ পরিবারের জন্য ২২ ডিলারকে ৩০৯.৮৭০ মে.টন। টেকনাফের ১৬১৫৯ পরিবারের জন্য ৩১ ডিলারকে ৪৮৪.৭৭০ মে.টন। 

রামুতে ১০৮১৬ পরিবারের জন্য ৭ ডিলারকে ৩২৪.৪৮০ মে.টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর তালিকা প্রণয়নে জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। তদারকি কমিটি সক্রিয় থাকলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সফল হবে বলে মনে করেন উপকারভোগীরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসকে/আরআর