ঢাকা, রোববার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৪ ১৪২৫,   ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪০

ঐশ্বরিয়া শোনালেন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা

ফিচার ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৫:০০ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৫:০০ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের অন্যতম ভ্রমণপিপাসু অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। খুব বেশি কাজ না থাকলে মেয়েকে নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনি। কিন্তু ঐশ্বরিয়ার কাছে যে অলস সময় কম! বলিউডে তার ব্যস্ততা শূণ্যের কোটায় হলেও বিভিন্ন কারণে কাজের মধ্য দিয়ে থাকতে হয় তাকে। সংসার সামলানো, বিজ্ঞাপনের শুটিং, চিত্রনাট্য পড়া কিংবা শোনাসহ আরও নানান দায়িত্ব সামলাতে হয় তাকে। তবুও বছরে অন্তত দু-তিনবার সময় বের করে নেন ভ্রমণের জন্য। ঘুরতে গেলে বেশিরভাগ সময় সঙ্গে থাকেন একমাত্র মেয়ে আরাধ্য।

ঐশ্বরিয়া রাই ও আরাধ্যের ঘুরে বেড়ানো নিয়ে আমেরিকার ভ্রমণ বিষয়ক ম্যাগাজিন কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলার তাদের ৫০তম সংখ্যার প্রচ্ছদ করেছেন। এতে লাল শার্টের ওপর লাল জ্যাকেট জড়িয়েছেন ঐশ্বরিয়া। 

কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলার-এর প্রচ্ছদ গল্পে জানা যায়, ইনস্টাগ্রামে নিজের পরিবারের বেড়ানোর প্রিয় জায়গাগুলোর ছবি শেয়ার করেন ঐশ্বরিয়া। ভ্রমণের জন্য তারা বেছে নেন সাগরপাড়, পাহাড়-পর্বত, শহর, বন ও মরুভূমি। আরাধ্যর জন্মের পর তাকে নিয়ে সৈকতেই বেশি গেছেন বলে জানান অ্যাশ।

ঐশ্বরিয়ার ট্রাভেল ব্যাগে কোন জিনিস সবসময় থাকে? তার উত্তর, অভিষেক তো সবসময় হাসে আর বলে, আমার ব্যাগ নাকি ম্যারি পপিনস ব্যাগের মতো। আরাধ্যর জন্মের আগেই থেকেই ব্যাগভর্তি জিনিসপত্র সঙ্গে নিই। একটা মানুষের যা কিছু প্রয়োজনীয় সবই নিয়ে যাই। আমার ব্যাগে সবই থাকে!

ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদ গল্পের পাশাপাশি ছাপানো হয় ঐশ্বরিয়ার একটি সাক্ষাৎকারও। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আরাধ্যর জন্মের পর থেকেই আমরা তাকে নিয়ে ঘুরেছি। অভিষেক ও আমি প্রথমে গোয়া নিয়ে গিয়েছিলাম আমাদের মেয়েকে। ওর বয়স যখন মাত্র চার মাস, তাকে নিয়ে লঙ্গিনেসের (সুইস ঘড়ির ব্র্যান্ড) একটা কাজে দুবাই যাই। তখন সবে পাসপোর্ট পেয়েছিল সে! ও সঙ্গে থাকলে ভ্রমণ বরাবরই আনন্দময় মনে হয়েছে আমার। আরাধ্যও উপভোগ করে আমার সঙ্গে বেড়াতে। আমাদের মতোই যেখানেই যে পরিবেশেই যাক না কেন, আরাধ্য মানিয়ে নিতে পারে। ছোট থেকেই তাকে সবকিছুর বর্ণনা দিয়েছি। আমার সব কথা মন দিয়ে শোনে সে। তখন পরিষ্কার দেখতে পাই, কথাগুলো তাকে প্রভাবিত করছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে এখন চেরি ফুল রঙ ছড়িয়েছে। এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখে বিমোহিত ঐশ্বরিয়া। এই শহরের সঙ্গে দিল্লির সাদৃশ্য পান বলেও জানিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।

ডেইলিবাংলাদেশ/এনকে