Alexa এশিয়ার কিছু অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর ধর্মীয় স্থান

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৬ ১৪২৬,   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

এশিয়ার কিছু অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর ধর্মীয় স্থান

 প্রকাশিত: ১০:৩২ ১ জুন ২০১৭   আপডেট: ২০:২২ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পৃথিবীর অনেক রহস্যই মানুষের অজানা। অনেক স্থান আছে যেগুলো সম্পর্কে আমাদের ধারণা নেই। কিছু জায়গা নিয়ে রম্য গল্পও কম নেই। তবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে রহস্য একটু কমই আছে। এমনই কিছু ধর্মীয় স্থান আছে যেগুলোর ধর্মীয় মূল্য থাকলেও তার সাথে যোগ হয়েছে ভয়াবহতা এবং অদ্ভূত রহস্য। জেনে নিন এশিয়ার কিছু ভয়ংকর ও বিচিত্র ধর্মীয় স্থান সম্পর্কে-

হুয়াশান টিহাউস, চীন রহস্যঘেরা এই পাহাড়টিতে অনেক কথা প্রচলিত আছে। এখানে কিছু ধর্মীয় স্থান রয়েছে। রয়েছে ৪৭৪ রকমের ঔষধি গাছও। রাজারা প্রায়ই এখানে পূজা করতে আসতেন। এই পাহাড়ের ওপরে বিধাতার হাতের ছোঁয়া রয়েছে বলেও মনে করেন অনেকে। পাহাড়ের ওপরে রয়েছে আরেকটি ধর্মীয় নিদর্শন। তবে সে পর্যন্ত যেতে হলে প্রথমে একটি সিঁড়িতে নামতে হবে। এরপর হঠাৎ করেই সিঁড়ি উধাও হয়ে যাবে। রেলিং থাকবে না, পাথরের খাঁজে খাঁজে পা ফেলে উঠতে হবে ওপরে। আর একবার যদি সব রকমের ঝামেলা সরিয়ে ওপরে উঠেও পড়েন নেমে আসতে কতটা সময় বা শ্রম লাগবে, আদৌ নেমে আসতে পারেন কিনা, সেটা আন্দাজ করাটা বেশ কঠিনই বলা চলে!

ডোঙ্গু মন্দির, চীন এটি ১৩১৯ সালে নির্মিত। প্রাচীন এই মন্দিরের বেশ খ্যাতি রয়েছে। তবে এখানে কিছু ভয়ংকর ব্যাপারও আছে। এখানে প্রতিবছর নানারকম অনুষ্ঠান পালিত হয়। আর অনুষ্ঠানের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণ এই মন্দিরটি কোন সাধারণ মন্দির নয়। এটি মানুষকে তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলে দিতে পারে। পুরো মন্দিরটিতে রয়েছে অনেক রাস্তা ও ঘর। এর ভেতরে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আশীর্বাদের রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে সবাই যাওয়ার চেষ্টা করে সবসময়। এর পাশাপাশি রয়েছে খুশির রাস্তা, নরকের ৭২টি ঘর এবং ১৫ রকমের ভয়ঙ্কর মৃত্যুও! তবে ভয়াবহ এই জিনিসগুলোর পাশাপাশি এখানে রয়েছে সহানুভূতি ও দয়ার পাহাড়ও।

গোয়া লাওয়াহ মন্দির, বালি ভারতের বালিতে অবস্থিত এই গোয়া লাওয়াহ মন্দিরের ভেতরে গেলে শুনতে পাবেন হাজারটা চিৎকার। তবে তা ভূতের চিৎকার না হলেও ভূতের চাইতে কম ভয়ানক নয় চিৎকারের উৎস। গোয়া লাওয়াহ শব্দটির অর্থ হচ্ছে বাদুড়ের গুহা। আর ঠিক তাই গুহার নামকরণের সার্থকতা প্রমাণ করতে হাজার হাজার বাদুড় বাস করে এখানে। মনে করা হয় একটা সময় রাজাদের লুকানোর স্থান ছিল এটা। গুজব বলে- গুহার ভেতরে কেবল বাদুড়ই নয়, রয়েছে একটি বিষধর সাপও। এই সাপের কাজ হচ্ছে সব রোগ নিরাময় করার পানিকে পাহারা দেয়া। আর ক্ষুধা পেলে বাইরে এসে টপাটপ বাদুড় খেয়ে নেয়।

ওয়াট ফুমিন, থাইল্যান্ড থাইল্যান্ডের নানে অবস্থিত এই বৌদ্ধ বিহারটির ভেতরে রয়েছে অনেক বৌদ্ধমূর্তি আর অসাধারণ সব চিত্র। হাতে আঁকা সেই পুরনো ছবিগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট সময়গুলোকেই ফুটিয়ে তুলেছে নিখুঁতভাবে। তবে এটুকুই শেষ নয়। বিহারের ভয়ঙ্কর ব্যাপারটি হচ্ছে এর ভেতরে থাকা একটি গম্বুজ। যার ভেতরে ঢুকলে দেখতে পাবেন মৃত্যু নিয়ে আঁকা নানারকমের চিত্র। মৃত্যুর পর কী হবে ? মোট ছয়বার জন্ম নেয়ার কথা বলা হয়েছে এখানে। রয়েছে জীবন্ত গরম পানিতে ডোবানো, গরম তেলে চোবানো, পাখি দ্বারা গাছের সঙ্গে বাঁধা এক মহিলার মাথার মাংস ঠুকরে ঠুকরে খাওয়ার চিত্রসহ আরো অনেক চিত্র।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই