এলিয়েন সম্পর্কে ধর্ম এবং ইতহাস কি বলে?
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=65134 LIMIT 1

ঢাকা, শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

এলিয়েন সম্পর্কে ধর্ম এবং ইতহাস কি বলে?

সিফাত সোহা

 প্রকাশিত: ১১:২৪ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১১:২৪ ২ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

এলিয়েন সম্পর্কে সাধারন মানুষের ধারণা খুব কম। এলিয়েন বলতে কি আসলেই কিছু আছে? এলিয়েন নিয়ে কিছু বলতে গেলে কেউ কেউ আবার এটাও বলে বসেন যে আপনি কি নিজের চোখে দেখেছেন? কি প্রমাণ আছে আপনার কাছে? আপনি কিভাবে জানবেন যে সত্যি কি এলিয়েন আছে? বা এর সত্যতা কতটুকু? এই সব প্রশ্নের অবসান ঘটানোর জন্যই ডেইলি বাংলাদেশের আজকের এই আয়োজন। 

আজকের এই আলোচনায় আমি কোন প্রকার খোঁড়া যুক্তি দিতে যাচ্ছি না। এলিয়েন সম্পর্কে ধর্ম এবং ইতহাস কি বলে আজ আমি সেই সব নিয়েই আলোচনা করবো আপনাদের সঙ্গে। তবে চলুন শুরু করা যাক। 

প্রথমেই চলে আসে ধর্মে। ইসলাম ধর্ম, আমরা সাধারণত বলে থাকি আল্লাহ তা'আলা আঠারো হাজার মাখলুকাত সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আসলে আল্লাহর সৃষ্টির কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লাম এর বিখ্যাত তজবিহতে বলা আছে,  আল্লাহর তজবিহ যত সংখ্যক ঠিক তত সংখ্যক তার সৃষ্টি রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা এই সম্পর্কে  সূরা আল মুদ্দাসির-এ বলেছেন, আল্লাহর সৃষ্টি সবই আল্লাহর বাহিনী, আর এই সৃষ্টির বাহিনী কত সংখ্যক তা শুধু তিনিই জানেন। এছাড়াও তিনি পবিত্র কোরআনে আরো কিছু জায়গায় পৃথিবীর বাইরে যে জীব আছে তা নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।  যা কিনা শুধু বিশ্লেষণ করলেই বুঝা যাবে। তাই আমরা এটা ধরে নিতেই পারি যে, ইসলাম ধর্মের মতে এলিয়েনের অস্তিত্ব আছে। 

হিন্দু ধর্ম এ স্পষ্ট ভাবেই বিভিন্ন ধরণের দেব দেবীর কথা উল্লেখ আছে। যাদের অস্তিত্ব এই পৃথিবীর মাটিতে হয়নি। হিন্দু বেদ অনুসারে চার লক্ষ এর বেশি মানুষ প্রজাতি এবং অর্ধ মানুষ প্রজাতি রয়েছে। অন্য ধর্মে যেখানে এলিয়েন এর সম্পর্কিত কোন তথ্য খুঁজে পাওয়া দুরুহ এর কাজ সেখানে হিন্দু ধর্মের বেদ, গীতা, রামায়ণ এবং মহাভারত সহ অন্যান্য ধর্মীয় বইয়ে এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভরপুর তথ্য দেয়া রয়েছে। এত তথ্য রয়েছে যে আপনি কাঙ্ক্ষিত তথ্য কাঙ্ক্ষিত উৎস থেকে খুঁজে পেতেই হিমশিম খেয়ে যাবেন। 

বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থ ত্রিপিটক ১১ নম্বর ভলিয়মে ৬১ নং পৃষ্ঠার ভলিউম ২৩ সুতান ত্রিপিটক ২৫ এ বুদ্ধা অন্য গ্রহের প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি তিনটি গ্রহ সম্পর্কে বলে গেছেন যেখানে নাকি প্রাণের অস্তিত্ব আছে। তিনি ওই সব প্রাণীদের বয়স সীমা গঠন এবং আকৃতি সম্পর্কে পুরোপুরি ভাবে বিশ্লেষণ দিয়ে গেছেন ত্রিপিটকে। 

তাহলে বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থের মতে পৃথিবীর বাইরেও জীব আছে। আর এই ধর্মগ্রন্থগুলো লেখা হয়েছে আজ থেকে প্রায় অনেক অনেক বছর আগে। তার মানে হয়তো অতীতে এমন কিছুর দেখা মিলে ছিল যার জন্য ধর্ম যাজকরা এই সব তথ্য উল্লেখ করে গেছেন। আমি বলেছি হয়ত, যেহেতু অতীতের কথা  চলে আসল তাই এইখানে ইতিহাসের কথাও চলে আসে।  আমরাই কি এমনটা মনে করছি যে এলিয়েন আছে? নাকি ইতিহাসেও এমন কিছু ভূমিকা আছে যা থেকে মানুষ এলিয়েন  সম্পর্কে প্রথম জ্ঞান অর্জন করেন। তো চলুন ইতিহাস নিয়ে একটু কথা বলি। 

জেনে আসি ইতিহাস এই ব্যাপারে কি বলে। ইতিহাস, মিসরের পিরামিড স্টার আই ল্যান্ডে এলিয়েন এর মত বিশাল বিশাল পাথরের শত শত মাথা যার ওজন একেকটির একেক টনেরও বেশি। স্টন হেন্স মায়ান সভভতার বৃহদাকার পিরামিড যার ভেতরে খোদায় শিলালিপিটির কথা যেখানে কিনা রকেট সদস্য মানুষ যানের দৃশ্য খোদাই করা আছে। আর এসব তৈরি হয়েছে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ বছর আগে অর্থাৎ খ্রিস্টান ধর্ম আসার ৫০০০ বছর আগে। যখন কিনা ক্রেনও ছিল না আবার মেশিনও ছিল না। যেটা দিয়ে টনের পর টন একই মাপের পাথরের খণ্ড একটার উপর আরেকটি রাখা যায়। 

স্টোনহেঞ্জের কথা যদি বলি তাহলে তা হচ্ছে খৃষ্টপূর্ব দেড় হাজার থেকে দুই হাজার বছর আগের। এই সব বড় বড় আকারের পাথরের খণ্ডগুলো সাজানো হয়েছিল তখন। অজানা বিষয় হচ্ছে এর আশেপাশে কয়েক মাইলের মধ্যে এই ধরনের পাথর এর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি আরকিওলজিস্টরা। আর তাই স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে তাহলে সেই সময়ের মানুষেরা  ক্রেন বা  বৃহদাকার ট্রাক ছাড়া এগুলো এখানে আনল কিভাবে বা কিভাবে সার্কেল ওয়াইজ নিখুঁতভাবে সাজানো হয়েছিল। 
ঠিক একই কাহিনী ঘটেছে স্টার আইল্যান্ড নামক দ্বীপে। স্টার আইলান্ডের পুরো চারপাশ ঘিরে আকাশের দিকে মুখ করে বিশাল বিশাল মুখ সদৃশ্য পাথরের খোদাই করা পাথর রয়েছে। যার আকৃতি মুখ সদৃশ্য হলেও তা যে মানুষের মুখ দেখে তৈরি করা হয়নি তা স্পস্টই বোঝা যায়। আর আসল বিষয় ওই দ্বীপে এ ধরনের পাথরের মূর্তি ছাড়া এই আকৃতি আর কোন পাথরই নেই। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় এরকম, সেগুলো তাহলে আসলো কোথা থেকে? 

এবার আসি মায়ান সভ্যতা দিকে। মায়ান সভ্যতাকে বলা হয়ে থাকে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধশালি একটি সভ্যতা। আমরা অনেকে হয়তো মায়ান সভ্যতার নাম শুনেছিলাম ২০১২ সালে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ধারনা থেকে। মায়ান সভ্যতার তৈরি কর ক্যালেন্ডারের শেষ দিনটি হচ্ছে ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসের কোন একদিন। তবে সেখানে  স্পষ্ট করে কিছু বলার ছিল না যে এর পরে কি হবে। তবে যাই হোক মায়ান সভ্যতায় একটি পিরামিড যা চার বছর ধরে খুড়ে একটি সমাধিস্থল আবিষ্কার করেছিল এখনকার যুগের পৈত্ত ত্রান্ত্রিকরা। সেই সমাধিস্থলটার কারুকাজ ছিল হতবাক হওয়ার মতো। কারণ কারুকাজটিতে দেখা যায় একজন মানুষ, যার সমাধিস্থল স্পেস শিপ এর মত একটি যন্ত্রে বসে আছে। 
এমন হাজারো ইতিহাস আছে যেখানে এলিয়েনদের সম্পর্কে পরোক্ষভাবে না বললেও প্রত্যক্ষভাবে এদেরকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ