ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৭ ১৪২৫,   ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪০

নড়াইলে শেখ রাসেল সেতুর উদ্বোধন

নড়াইল প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১১:৫৫ ১১ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১২:০৪ ১১ অক্টোবর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সকালে নড়াইলে চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত ‘শেখ রাসেল সেতু’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  

ডিসির সভাকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সেতুর উদ্বোধন করেন তিনি।এসময় সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান, ডিসি আঞ্জুমান আরা বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস,এসপি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকুসহ প্রমুখ। 

এলজিইডির তত্ত্বাবধানে ২৯ কোটি  টাকা ব্যয়ে ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১৪১ মিটার দৈর্ঘ্য মূল সেতুর বাইরে দু’পাশে ফ্লাইওভারের মতো দেখতে ভায়াডাক্টের দৈর্ঘ্য ২৩৮ মিটার। সেতুর প্রস্থ ১৮ ফুট। দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক আছে ৪৩১ মিটার। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমবিইএল-ইউডিসি (জেভি) সেতুটি নির্মাণকাজ করেছেন। সেতুটি নির্মাণকাজের সময়সীমা ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত থাকলেও নির্ধাতির সময়ের তিনমাস আগেই নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

আউড়িয়া ইউপির নাকশী গ্রামের হাদিউজ্জামান বলেন-নড়াইল ফেরিঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে যাত্রীদের নৌকায় পারাপার হতে সময় এবং অতিরিক্ত টাকা খরচ হতো। নৌকা চালকদের হাতে প্রতিনিয়ত মানুষ অপমান-অপদস্থ হয়েছে। সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় সব সমস্যার সমাধান হয়েছে। 

লোহাগড়া উপজেলায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ভওয়াখালীর শাহাবুদ্দীন শেখ। তিনি বলেন- তিনি সেতুটি নির্মাণের আগে নদী পারাপারে অসহনীয় দুর্ভোগ ছিল। এখন সবকিছুর থেকেই মুক্তি পেয়েছি। সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় শহর থেকেই এখন যানবাহনে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়া যায়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র সোমদ্দার বলেন, নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত শেখ রাসেল সেতুটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে নড়াইলবাসীর দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এই সেতুর নির্মাণের ফলে শুধু নড়াইল জেলা নয়, পাশ্ববর্তী জেলার লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হবে। পাশ্ববর্তী জেলা, যশোর, সাতক্ষীরাসহ পাশ্ববর্তী জেলার মানুষ এই সেতুরও পর দিয়ে ভাটিয়াপাড়া, মাওয়া সড়ক দিয়ে খুব দ্রুত সময়ে রাজধানীতে পৌছতে পারবেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম