Alexa এমবিবিএস ডাক্তারের প্রক্সি দিচ্ছে কম্পাউন্ডার

ঢাকা, বুধবার   ২২ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ৮ ১৪২৬,   ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

আদমদীঘি হাসপাতাল 

এমবিবিএস ডাক্তারের প্রক্সি দিচ্ছে কম্পাউন্ডার

আবু মুত্তালিব মতি, আদমদীঘি (বগুড়া)  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১২ ৫ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বগুড়ার আদমদীঘির ৫০ শয্যা হাসপাতাল ও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র মিলে ২৭ জন চিকিৎসকের মধ্যে মাত্র পাঁচজন এমবিবিএস ডাক্তার দিয়ে চলছে সাড়ে তিন লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। অনেকসময় চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে অনেকেই ফিরে যান অন্য ক্লিনিকে। আর তাই ডাক্তারের অভাবে কম্পাউন্ডার দিয়েই চলছে চিকিৎসা। 

আদমদীঘির প্রতি ৮০ হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র একজন ডাক্তার আছেন। ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এখানকার মানুষ। এখানে জরুরি ভিক্তিতে এমবিবিএস ডাক্তার পোস্টিং দেয়ার জন্য ভুক্তভোগীরা দাবি জানিয়েছেন। 

আদমদীঘি উপজেলা হাসপাতালের সূত্রানুযায়ী, আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ২০০৩ সালে ৫০ শয্যা হাসপাতালে উন্নীত হয়। হাসপাতালটিতে এমবিবিএস চিকিৎসক, নার্স ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ মোট ১৫০টি পদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসকসহ ৬০টি পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এই হাসপাতালসহ ছয়টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস ডাক্তারের পদ সংখ্যা ২৭টি। এর মধ্যে উপজেলা সদর হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পি.পি কর্মকর্তাসহ এমবিবিএস চিকিৎসক মাত্র চারজন ও ছয়টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মাত্র একজন চিকিৎসক রয়েছেন। অপর ২২জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। নেই কোনো গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। 

ফলে কম্পাউন্ডার দিয়েই চালানো হচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা সেবা। ২৫ জন নার্সের জায়গায় রয়েছে ২২ জন। আর চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, ওয়ার্ড বয়, সুইপার ঝাড়ুদারসহ ৯৮ পদের লোকবলের স্থলে রয়েছে মাত্র ৬৩ জন। অবশিষ্ট ঝাড়ুদার নৈশ্য প্রহরীসহ ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। 

এই হাসপাতালে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন কয়েকশ রোগী এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা নেন। এরমধ্যে জটিল রোগীদের ভর্তি করানো হয়। কিন্ত এমবিবিএস চিকিৎসকের স্বল্পতার কারণে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন বিভিন্ন ক্লিনিকে। 

আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পি.পি. কর্মকর্তা ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান সাংবাদিকদের জানান, এই হাসপাতালে অতি শিগগিরই এমবিবিএস ডাক্তার দেয়া না হলে বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নের আশংকা রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস