Alexa এমপিওভুক্ত হচ্ছেন তৃতীয় শিক্ষকরা

ঢাকা, শনিবার   ১৯ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ৪ ১৪২৬,   ২০ সফর ১৪৪১

Akash

এমপিওভুক্ত হচ্ছেন তৃতীয় শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:১০ ৭ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ২২:৩৪ ৭ অক্টোবর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দেশের বেসরকারি কলেজগুলোতে বিনা বেতনে কিংবা সামান্য বেতনে চাকরি করা তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ বছরেই সারাদেশ থেকে হাজারেরও বেশি এসব তৃতীয় শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করা হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম অনুসারে, ডিগ্রি কোর্সে একটি বিষয়ে তিনজন শিক্ষক পাঠদান করাবেন। কিন্তু মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর কলেজগুলোতে একই বিষয়ে কেবল দুই জন শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করে থাকে। ফলে বাকি এক জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা কলেজ তহবিল থেকে পরিশোধ করতে হয়। এদেরকেই বলা হয় তৃতীয় শিক্ষক।

মাউশির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলছে, এবার এসব শিক্ষকরাও সরকারি বেতন ভাতার আওতায় আসবেন।

মাউশি মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এদিকে এমপিওভুক্ত করতে বছরে কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে সে ব্যাপারেও একটি সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। এ বছরের মধ্যে এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত পাওয়া যেতে পারে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, ডিগ্রি কলেজের জনবল কাঠামো-২০১০ নীতিমালা প্রকাশের পরে বিধি অনুযায়ী সারাদেশে ৮৪১ জন তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন। চলতি বছরে তাদেরকে এমপিওভুক্ত করার কথা চলছে। এজন্য বছরে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার।

তৃতীয় শিক্ষকদের মধ্যে ২০১৩ ও ২০১৫ সালের অক্টোবরের আগে যারা নিয়োগ পেয়েছিলেন তাদেরকেই এমপিওভুক্ত করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এমন শিক্ষকের সংখ্যা ১ হাজার ১২০ জন। এই সময়ের পর নিয়োগ পাওয়া কয়েকশো শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করা হবে না।

তবে ২০১৫ সালের পরও যারা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন তারা এই ধাপে এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন।

এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, শিক্ষক বান্ধব বেশ কিছু কাজ এখন মন্ত্রণালয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এরমধ্যে এমপিওভুক্তি, প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক সরকারিকরণসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী সভায় আলোচনা হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএসআই/আরএইচ