Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শুক্রবার ১৬ নভেম্বর, ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

‘এবির চোখে কখনো ভয় দেখিনি’

সঞ্জয় বসাক পার্থডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
‘এবির চোখে কখনো ভয় দেখিনি’
এবি ডি ভিলিয়ার্স

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট কিংবা টেস্ট, দুজনের অভিষেক একই ম্যাচে। দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সি গায়ে দুজনে একসঙ্গে খেলেছেন ২২১টি ম্যাচ। কৃতিত্ব দিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন দুজনেই। বলা হচ্ছে ডেল স্টেইন ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের কথা। এবি ডি ভিলিয়ার্স আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মাস তিনেক হয়েছে। কিন্তু ক্রিকেটে ছাপটা এমনভাবে রেখে গেছেন, বন্ধু স্টেইন এখনো তাঁকে মিস করেন প্রবলভাবে। দুজনের বন্ধুত্বের গল্পই স্টেইন শুনিয়েছেন ক্রিকইনফোর কাছে। ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য সেই সাক্ষাৎকারের একটি অংশ দেয়া হলো।

দুজনের টেস্ট অভিষেক একই ম্যাচে, ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পোর্ট এলিজাবেথে। ডি ভিলিয়ার্স সম্পর্কে প্রথম স্মৃতি কেমন ছিল?

স্টেইন: শুধু টেস্ট না, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও আমাদের দুজনের অভিষেক একই ম্যাচে। সেটা ২০০৩ সালের কথা। দুজনে একসঙ্গে অনেক ম্যাচই খেলেছি। তবে অনেকেই যেটা জানে না, কৈশরে একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবেও বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছি আমরা। বলতে পারেন ১১ বছর বয়স থেকেই একে অন্যকে চিনি আমরা। ওর সঙ্গে খেলত এমন অনেককেই এখন মনে করতে পারি না। কিন্তু এবিকে কখনোই ভুলতে পারিনি। সেটা শুধু ওর ক্রিকেটীয় প্রতিভার কারণে নয়। ও ছোট থেকেই খুব ক্যারিশম্যাটিক, আর এটা আমার মনে গেঁথে যায়।

ডি ভিলিয়ার্সের অবসরের পর কি বোলাররা একটু হলেও স্বস্তি পাবে? আপনার কী মনে হয়?

স্টেইন: আমার জন্য বিষয়টা খুব হতাশার যে এবি আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবে না। যদি সত্যিকারের কোন বোলারকে জিজ্ঞেস করেন, সে এবির মতো ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে বল করে নিজের সামর্থ্য যাচাই করে নিতে চাইবে। তবে আন্তর্জাতিক দলগুলো কিছুটা স্বস্তি তো অবশ্যই পেয়েছে। এবি সেরকম মানেরই খেলোয়াড়।

বোলার হিসেবে আরো পরিপক্ক হয়ে উঠতে এবি আপনাকে কীভাবে সাহায্য করেছেন?

স্টেইন: যখন গ্রেটদের আশেপাশে থাকবেন, তখন হাতে কেবল একটিই বিকল্প থাকে, সেটি হলো নিজের খেলার মান আরো উঁচুতে নিয়ে যাওয়া। ওকে ক্ষুদেবার্তাও পাঠিয়েছিলাম, ‘মানুষ আমাকে যতটা ভালো বোলার মনে করে, মনে হয় না তুমি দলে না থাকলে এর অর্ধেকও হতে পারতাম’। ও নিজেও হয়তো জানে না, এই দলের অর্ধেক খেলোয়াড় কেবল ওর কারণে এত ভালো খেলোয়াড় হতে পেরেছে। গ্যারি কারস্টেনের সময় তিন ফরম্যাটেই এক নম্বর দল ছিলাম। নিশ্চিত করে বলতে পারি, এবির মতো গ্রেট দলে না থাকলে এই অর্জন কিছুতেই সম্ভব হতো না। এটাই ছিল ওর বিশেষত্ব, নিজের পাশাপাশি দলের বাকিদের মানটাও উঁচুতে তুলে দিত ও। এটাও ওর অনন্য গুণগুলোর মধ্যে একটি।

আপনাকে কখনো চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এবি?

স্টেইন: হ্যাঁ করেছে। যেসব অধিনায়কের নেতৃত্বে খেলেছি তাদের মধ্যে সেরা গ্রায়েম স্মিথ। এবি যখন অধিনায়ক হলো, ওর মাঝে তখনই গ্রেটনেসের ছায়া দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে দক্ষতার কাছে ওর অধিনায়কত্বের গুণ ম্লান হয়ে গেছে। ও খুবই ভালো অধিনায়ক ছিল, কিন্তু তার চেয়েও অনেক গুণ ভালো খেলোয়াড় ছিল। গ্রায়েম খেলোয়াড় হিসেবে এবির মানের না, কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে অবিশ্বাস্য। এবি আমাকে মাঝে মাঝেই চ্যালেঞ্জ করত, কখনো কয়েকজনের সামনে, আবার কখনো গোটা দলের সামনেই। তবে এমন না যে খেপানোর জন্য এমন করত, আমাকে আরও ভালো করে তোলার জন্যই করত।

২০১৫ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে অমন হার। এবির ওপর মানসিকভাবে কতটা প্রভাব ফেলেছিল সেই পরাজয়? স্টেইন: বিশ্বকাপ জেতার জন্য চার বছর পরিকল্পনা করতে হয়, কিন্তু বাদ পড়ার জন্য কেবল একটি ম্যাচই যথেষ্ট। যখন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলাম, সিনিয়রদের জন্য সেটা ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়। অনেকে তো সাময়িক বিরতিতেও যায়। কিন্তু এবি ঠিকই চালিয়ে যায়, ওইরকম চ্যালেঞ্জিং সময়েও দলকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো কঠিন কাজ সামলেছে। এটাই প্রমাণ করে ও কতটা ভালো মানুষ। অন্য যে কারোর চেয়ে ওকে বেশি চাপ নিতে হয়েছে, কারণ বিশ্বকাপে ও-ই আমাদের অধিনায়ক ছিল।

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ঠিক পরের দিনটি কেমন ছিল?

স্টেইন: পরদিন সবাই একটি ছোট ইতালিয়ান রেস্টুরেন্টে ডিনারে যাই। একদিন আগেও বিশ্বকাপ জেতার পরিকল্পনা করছিলাম, আর এখন আমরা বিশ্বকাপের বাইরে! সবার থেকে একটু আলাদা হয়ে গেলাম, একটু কাঁদতে পারলে যেন শান্তি পেত মন। তাহলে চিন্তা করুন এবির কেমন লাগছিল, ও তো দলটাকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। কিন্তু ও কারোর সামনে অনুভূতি প্রকাশ করেনি। সবাই ভাবে, বিশ্বকাপ জিততে পারাটাই একজন ক্রিকেটারের জন্য সবকিছু। কিন্তু এবিকে কেবল বিশ্বকাপ দিয়ে বিচার করতে পারবেন না আপনি। সবাইকে দেখুন, এমন একজন খেলোয়াড়কে নিয়ে মাতামাতি করছে, যে কি না কখনো বিশ্বকাপ জেতেইনি! এবি এমনই। ও প্রমাণ করে দিয়েছে, অবিশ্বাস্য ক্রিকেট খেলে, মানুষকে আনন্দ দিয়েও মানুষের মনে জায়গা করে নেয়া যায়, তার জন্য বিশ্বকাপ জেতার দরকার পড়ে না।

এত এত রেকর্ডের মালিক এবি। আপনার সবচেয়ে প্রিয় এবি ইনিংস কোনটা?

স্টেইন: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওই ‘গোলাপি ম্যাচ’টা, যেখানে ও দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করল। আমার মনে আছে, ও কোচকে বারবার বলছিল মিলারকে পাঠানোর জন্য, কারণ ওর মনে হচ্ছিল মিলার নামলে সহজেই বল বাউন্ডারি পার করতে পারবে। কিন্তু কোচ ওকেই নামতে বলেছিল। শুরুতে নামতে চাইছিল না, স্রেফ কোচের পীড়াপীড়িতেই নেমেছিল। এরপর কি হলো তা সবারই জানা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাই ওই রেকর্ডের জন্য রাসেল ডোমিঙ্গোকে দুষতেই পারে!

রোমাঞ্চপ্রেমী হিসেবে নামডাক আছে আপনার। মাঠের বাইরে কোন কিছু নিয়ে কখনো চ্যালেঞ্জ করেছেন এবিকে?

স্টেইন: এবি অতটা রোমাঞ্চপ্রেমী নয়। ও হয়তো মাছ ধরা, বাঞ্জি জাম্পিং এগুলো খুব একটা করে না, কিন্তু ও অবিশ্বাস্য প্রতিভাবান এক স্পোর্টসপার্সন। দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনোভাবের অধিকারী। গা গরমের অংশ হিসেবে প্রায়ই আমরা ফুটবল খেলি। ২০১৫ বিশ্বকাপের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগেও খেলছিলাম। এবির দল হেরে গেলো। হেরে রাগে গজগজ করছিল ও একদম। রাগ মাথায়ই টস করতে গেলো। ফিরে এসে রাগে গজরাতে গজরাতে বলল, ‘আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধ্বংস করে ছাড়ব’। তারপর মাঠে নেমে অপরাজিত ১৬২ রানের ইনিংস খেলল। টিম মিটিংয়ের আগে যদি কোন টেবিল টেনিস ম্যাচ হেরে আসত, তাহলে রাগের চোটে কোচের কথাও মন দিয়ে শুনত না!

এবির মতো খেলোয়াড়দের জন্য অনেকেই ‘জিনিয়াস’ শব্দটি ব্যবহার করেন। আপনি কোন শব্দ ব্যবহার করবেন তাঁকে বর্ণনার জন্য?

স্টেইন: ওকে এক শব্দে বর্ণনা করা খুব কঠিন। বাকি সবার চেয়ে নিজের লেভেল এক ধাপ ওপরে তুলে নিয়েছে সে। খেলাটা নিজের মতো করে তৈরি করেছে, আর সেখানে ও এতটাই ভালো, আর কেউ ওর সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। নিজের বইতে সে বলেছে, সে সেরা সাঁতারুদের একজন নয়। অথচ লোকে ওর সাঁতারের ভূয়সী প্রশংসা করত। বিশ্বাস করুন, ও সাঁতারে অবিশ্বাস্য রকমের ভালো। একই রকম ভালো ফুটবলেও। ও একজন মাল্টি ট্যালেন্টেড মানুষ। যেখানেই যাবে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে ও। সে বিবেচনায় ওকে তো ‘জিনিয়াস’ বলতেই হয়।

সুযোগ থাকলে এবির খেলার কোন দিকটি আপনি নিজের মধ্যে পেতে চাইতেন?

স্টেইন: ওর সাহস। কোনোদিন এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ভয় পেতে দেখিনি। সত্যি বলছি, কোনদিনও না। এমন অনেক পিচে খেলেছি যেখানে ভয়ংকর সব ফাস্ট বোলারেরা বল করেছে। অনেক সতীর্থকে বলতেও শুনেছি ভয়ের কথা। কিন্তু এবির চোখে কখনো ভয়ের ছিটেফোঁটাও দেখিনি।

অনেক গ্রেট খেলোয়াড় আছেন যারা দলের বাকিদের থেকেও নিজের মতোই আত্মনিবেদন দাবি করেন। এবিও কি সেরকম ছিলেন?

স্টেইন: ও সবার কাছে শুধু একটা জিনিসই চাইত, নিজের সেরাটা দিতে হবে, সবসময় মনোযোগ ধরে রাখতে হবে। ও বলত, ‘বলের ওপর চোখ রাখ, সঙ্গে দিকেও মনোযোগ রাখ। ভুল করো, কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যদি মনোযোগ না দেয়ার কারণে ভুল হয়, নিজের সবটা না দেয়ার কারণে ভুল হয়, অধিনায়কের প্রতি মনোযোগী না হওয়ার কারণে ভুল হয়, তাহলে সেটা ক্ষমার অযোগ্য।’ নিজের বিদায়ী ভাষণে এবি বলেছেন, ক্লান্ত অনুভব করছিলেন তাই এই সিদ্ধান্ত। নিজের সঙ্গে কি কিছুটা মেলাতে পারছেন?

স্টেইন: ক্রিকেটারদের জীবন খুব কঠিন। অনেকেই বুঝতে পারেন না, বছরে ২০০ দিনেরও বেশি এক দেশ থেকে আরেক দেশে ছুটে বেড়াই, ক্রিকেট খেলি, প্রচুর অনুশীলন করি, ফটোশুটও করতে হয়। নিজেকে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছে এবি, লোকে ওর থেকে প্রত্যাশা করবেই। কিন্তু ওর পরিবার আছে, ওদেরও কিছু চাহিদা আছে, তাই না? সারাদিন অনুশীলন করলেন, দলকে নেতৃত্ব দিলেন, দল জিতবে না হারবে সেই চিন্তায় মশগুল থাকবেন, এরপর বাড়ি ফিরে দেখবেন সন্তান অসুস্থ- সবকিছু মানিয়ে নেয়া আসলেই খুব কঠিন। ও নিশ্চয়ই খুব হাঁপিয়ে উঠেছিল, ভেতরে ভেতরে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল। ওকে কোন দোষ দিচ্ছি না। ওর পরিসংখ্যানের দিকে যদি তাকান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওর আর কি প্রমাণ করার আছে? ১৪ বছর দেশকে সেবা দিয়েছে ও।

এবির বিদায়ে ক্রিকেট কী হারালো?

স্টেইন: ক্রিকেট তার সেরা এক খেলোয়াড়কে হারিয়েছে। এখন যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে, তারা সবাই ভালো। কিন্তু এবির সমপর্যায়ের কেউই নয়। ভালো খেলোয়াড় পাবেন, আরেকটু খুঁজলে খুব ভালো খেলোয়াড়ও পাবেন। আর সবার শেষে পাবেন এবি ডি ভিলিয়ার্সকে। ও একদম আলাদা প্রজাতির, সবার চেয়ে আলাদা, সবার চেয়ে সেরা।

সূত্র: ক্রিকেটমান্থলি

ডেইলি বাংলাদেশ/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যে তারকারা
মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যে তারকারা
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘হাসিনা- এ ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘হাসিনা- এ ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
কুমিল্লায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রায় চুড়ান্ত !
কুমিল্লায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রায় চুড়ান্ত !
বিয়ের পিঁড়িতে আবু হায়দার রনি
বিয়ের পিঁড়িতে আবু হায়দার রনি
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
উত্তাপ বাড়ছে নোয়াখালী-৫ আসনে
উত্তাপ বাড়ছে নোয়াখালী-৫ আসনে
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
স্বামীকে খুশির খবর দিলেন আনুশকা, জানেন কী?
স্বামীকে খুশির খবর দিলেন আনুশকা, জানেন কী?
প্রভার বিয়ের আয়োজন!
প্রভার বিয়ের আয়োজন!
মদেই ‘বেসামাল’ প্রিয়াঙ্কা!
মদেই ‘বেসামাল’ প্রিয়াঙ্কা!
ফারহানার স্বপ্নের মৃত্যু
ফারহানার স্বপ্নের মৃত্যু
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
পর্ন সাইটে হিনার ‘রগরগে’ ছবি!
পর্ন সাইটে হিনার ‘রগরগে’ ছবি!
‘বিছানায় তো হরহামেশাই যেতে হয়’
‘বিছানায় তো হরহামেশাই যেতে হয়’
অরুণ হাতের নখ কাটেনি ২৫ বছর!
অরুণ হাতের নখ কাটেনি ২৫ বছর!
অভিনেত্রীকেই শেখালেন অভিনেত্রী, কী জানেন?
অভিনেত্রীকেই শেখালেন অভিনেত্রী, কী জানেন?
যে তারকারা কিনেছেন বিএনপির মনোনয়ন ফরম
যে তারকারা কিনেছেন বিএনপির মনোনয়ন ফরম
শিরোনাম:
জনগণই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে: প্রধানমন্ত্রী জনগণই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে: প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন: ইইউ নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন: ইইউ বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত