এবার ভাইরাস বিরোধী কার্যকরী মাস্ক বানালো বাংলাদেশ
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=186058 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৮ ১৪২৭,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

এবার ভাইরাস বিরোধী কার্যকরী মাস্ক বানালো বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৫ ৬ জুন ২০২০   আপডেট: ১৫:৩০ ৭ জুন ২০২০

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে সারাবিশ্ব যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন ভাইরাস প্রতিরোধী ফেস মাস্ক তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ।

দেশের পোশাক তৈরি প্রতিষ্ঠান এপিএস গ্রুপ ও শীর্ষ বস্ত্র প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের সহযোগিতায় দুই স্তর বিশিষ্ট অ্যান্টি-ভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ফেস মাস্ক তৈরি করেছে। এতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করেছে সুইজারল্যান্ডের রসায়ন সংস্থা এইচইআইকিউ (HeIQ)।

এ মাস্কের কাপড় তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ। এতে কোনো ভাইরাস টিকে থাকতে পারবে না। যদি কোনোভাবে ভাইরাস কাপড়ে লেগে পড়ে তাহলে মাত্র ১২০ সেকেন্ডের মধ্যেই ৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাস মুক্ত হবে।

এপিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসিব উদ্দিন জানিয়েছেন, তারা এরইমধ্যে মার্কিন প্রশাসনের স্বাস্থ্য পরিসেবা প্রতিষ্ঠান (এফডিএ) এবং সিইতে আবেদন করেছেন। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এর ভালো ফলাফল আসবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড ‘করোনা ব্লক ফেব্রিক্স’ উদ্ভাবন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বস্ত্রখাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম। ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোতে এই কাপড় তৈরি হবে বলেও তারা আশাবাদী।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার অনল রায়হান বলেন, সাধারণভাবে সব ধরনের পোশাক তৈরিতে ভাইরাস প্রতিরোধক এই কাপড় ব্যবহার করা যাবে। তবে বিশেষায়িত কাপড় হওয়ায় এই পোশাকের দাম তুলনামূলক একটু বেশিই হবে। দেশীয় প্রয়োজন মিটিয়ে এ কাপড় বিদেশে  রফতানি করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

এরইমধ্যে তাদের এই কাপড় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। আইএসও ১৮১৮৪ এর অধীনে একটি পরীক্ষা করা হয়েছে। কাপড় তৈরির মূল উপাদানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিষাক্ত পদার্থ নিয়ন্ত্রণ আইন ও পরিবেশগত সুরক্ষা সংস্থায় নিবন্ধিত। ফলে এই কাপড় নেয়ার ব্যাপারে আমেরিকার ক্রেতাদের থেকে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসবি/এসআই/এসআর