এবার বন্ধ হচ্ছে ট্রাম্প ফাউন্ডেশন

ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৪ ১৪২৬,   ১১ শাওয়াল ১৪৪০

এবার বন্ধ হচ্ছে ট্রাম্প ফাউন্ডেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৯:১৪ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:১৪ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘ট্রাম্প ফাউন্ডেশন’। ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৬ সাল প্রেসিডেন্ট নিবার্চন ও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনে ব্যবহার উদ্দেশ্যে ওই ফাউন্ডেশনের অর্থ বেআইনিভাবে ব্যবহার করেছিলেন- এমন অভিযোগে গত জুনে একটি মামলা করে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর। সেই মামলার রায়ে এবার ট্রাম্প ফাউন্ডেশন বন্ধের নির্দেশ দিলেন আদালত।

নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল বারবারা আন্ডারউড জানান, ফাউন্ডেশন বন্ধ করার জন্য একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি অনুযায়ী, ফাউন্ডেশনের বাকি অর্থ এখন নিউইয়র্কের অন্যান্য দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেয়া হবে। - খবর সিএনএনে’র

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নিবার্চনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে বয়স্কদের জন্য একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠান থেকে পাওয়া প্রায় তিন মিলিয়ন ডলার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে ট্রাম্প ফাউন্ডেশনের বিরদ্ধে। ঐ অর্থের পুরোটাই ট্রাম্পের নিবার্চনী ক্যাম্পেইনে ব্যবহার করা হয়েছে বলে তথ্য প্রমাণ হাজির করেছে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর।

আদালতের এ রায়কে আইনের শাসনের বিজয় উল্লেখ করে দেয়া বিৃবতিতে আন্ডারউড বলেন, এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হল আইন সবার জন্য সমান। ট্রাম্প ফাউন্ডেশনের বেআইনি কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফাউন্ডেশনের অর্থ নিয়ে যে পরিমাণ অনিয়ম হয়েছে তা অবাক করার মত। সবকিছু দেখলে মনে হয়, চ্যারিটির নামে ওই ফাউন্ডেশন আসলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিলের একটি হাতিয়ার ছাড়া আর কিছু ছিল না।’

অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতরের করা ওই মামলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার মেয়ে ইভাঙ্কা, ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র ও এরিকের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের কোন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের বোর্ড সদস্যপদ লাভের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞাও চাওয়া হয়েছিল। ফাউন্ডেশন বন্ধ হয়ে গেলেও ঐ মামলা চলবে তার বিবৃতিতে বলেন আন্ডারউড।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে ট্রাম্প ফাউন্ডেশন। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে’ বিষয়টিকে রাজনৈতিক চেহারা দিতে চাইছেন বলে ট্রাম্প ফাউন্ডেশনের আইনজীবী ফিউটারফাস বলেন, ‘স্বার্থের সংঘাত এড়াতে ২০১৬ থেকেই দাতব্য সংস্থাটি বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু তদন্ত শেষের আগে ওই ফাউন্ডেশন বন্ধের সুযোগ নেই বলে সে সময় অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর থেকে জানানো হয়। আর এতে করে যেসব মানুষের অর্থ প্রয়োজন ছিল তারা তা নিতে ব্যর্থ হয়।’

২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করা পর অনিয়মের অভিযোগে ফাউন্ডেশন টাকা তোলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী