Alexa এবারও কাটল না নেতাজির মৃত্যুরহস্য : ক্ষোভ পরিবারের

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৫ ১৪২৬,   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

এবারও কাটল না নেতাজির মৃত্যুরহস্য : ক্ষোভ পরিবারের

 প্রকাশিত: ১৩:৩০ ১ জুন ২০১৭  

এবারও হল না সাত দশকের রহস্যের শেষ। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানাল তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনাতেই নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মৃত্যু হয়েছিল। তবুও রয়ে গেল বিতর্ক। ফলে, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে নেতাজি পরিবারের একাংশ। তাদের মধ্যে জমা হয়ে ক্ষোভেরও। খবর জি নিউজের। কারণ— বিমান দুর্ঘটনাতেই কি নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল? নাকি তিনি পালিয়ে যান রাশিয়ায়? অনেকে তাকে নেতাজি মনে করেন সেই ‘গুমনামি বাবার’ আসল পরিচয়ই বা কী? সাত দশক ধরে দেশ আলোড়িত করা এইসব প্রশ্নের উত্তর আজও সুনির্দিষ্টভাবে আলোর মুখ দেখল না। বিষয়গুলো নিয়ে দ্বিধাবিভক্তই রয়ে গেলেন গবেষকরা। এমনকি নেতাজির পরিবারও। ভারত সরকারের ঘোষণাও পরও যার যবনিকা টানা গেল না। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালের ১৮ই অগাস্টের পর নেতাজি কোথায় ছিলেন সে বিষয়ে কি সরকারের কাছে কোনো তথ্য কিনা তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলায়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তথ্যের অধিকার আইনে বিষয়টি জানতে ছিলেন কলকাতার বাসিন্দা সায়ক সেন। উত্তরে কেন্দ্র জানিয়েছে, ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট বিমান দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়। বলা হয় শাহনওয়াজ কমিটি, খোসলা কমিশন ও মুখার্জি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকার এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তথ্যের অধিকার আইনে ‘গুমনামি বাবা’ ওরফে ‘ভগবানজি’ সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হয়। কেন্দ্রের উত্তর, ‘গুমনামি বাবা’ ওরফে ‘ভগবানজি’ যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নন, সে বিষয়ে মুখার্জি কমিশনই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তবে কেন্দ্রের এমন প্রতিবেদনে নেতাজির প্রপৌত্র চন্দ্র বসু ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি নেতাজি সংক্রান্ত গোপন ফাইল প্রকাশ করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। এই ফাইলে নেতাজির মৃত্যু রহস্য সমাধানের ইঙ্গিত মিলতে পারে বলে কোনো কোনো মহলে আশা প্রকাশ করা হয়। যদিও তেমন কিছু পাওয়া যায়নি বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা। এবার কেন্দ্রের ঘোষণার পরও সাত দশকের রহস্যময়তায় বিষয়ে বিতর্ক রয়ে গেল।   ডেইলি বাংলাদেশ/আইজেকে